খুব বেশিদিন মিথ্যে জিনিসটাকে চেপে রাখা যায় না। কোন না কোনভাবে সেটা সবার সামনে চলেই আছে। জি বাংলার (Zee Bangla) ‘ফুলকি’ (Phulki) ধারাবাহিকের অন্যতম প্রধান নেতিবাচক দুই চরিত্র রুদ্র আর ঈশিতাও সেটা করতে গিয়ে ধরা পড়ে গেল নায়িকার কাছে। এই মুহূর্তে টিআরপি তালিকায় সব থেকে উপরের স্থানে অর্থাৎ বেঙ্গল টপারের জায়গায় রাজ করছে ফুলকি।
বর্তমানে এই ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, ফুলকি সন্দেহ করেছিল ছন্দক মজুমদারের সাজা হওয়ার পিছনে দায়ী হচ্ছে ঈশিতা আর রুদ্র। যত সময় যাচ্ছে তার এই সন্দেহ একটু একটু করে আরো বেশি ঘনীভূত হচ্ছে। এইবার তার মনে হয় জামাইবাবু আর চিংড়ি দিদি শুধু যুক্ত নয়, বরং এই গোটা ঘটনাটার পিছনে তাদেরই হাত রয়েছে। ফুলকি যে সবটা বুঝে গিয়েছে এটা বুঝতে পেরে ঈশিতা আর রুদ্র ছন্দকে বাঁচানোর শেষ প্রমাণটাও পুড়িয়ে ফেলে।
তমজিৎকে দেখে অবাক ফুলকি (Phulki Today Episode 11 May)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সকাল সকাল সুপার স্টোরে বেরিয়ে পরের ফুলকি। ঈশিতা আর রুদ্রর কেসটা নিয়ে সারাটা রাস্তা ভাবতে থাকে সে। হঠাৎ করেই সে দেখতে পায় সামনে থেকে সাইকেল করে আসছে তমজিৎ। তাকে দেখে একেবারেই ভূত দেখার মতন করে চমকে যায় ফুলকি। এরপর নায়িকা জানতে পারে তমজিৎ একেবারে সুস্থ, তার কিছুই হয়নি। সঙ্গে সঙ্গে সে সবটা বুঝে যায় আর ধানুকে ফোন করে সব জানিয়ে দেয়।
ধানুকে আটকে দিল ঈশিতা
ফুলকির মুখ থেকে সব শুনে ধানসিঁড়ির মনে হয় এইবার প্রকৃত সময়ে এসে গেছে এইটাই তদন্ত শুরু করার। তাই সে তাড়াতাড়ি তৈরি হয়ে প্রমাণ জোগাড় করতেই বেরোতে যাবে এমন সময় এসে বাধা দেয় ঈশিতা। সে বলে আজ নাকি কারোর কোথাও যাওয়া হবে না। কালকে বাড়িতে এমন একটা অশান্তি হয়েছে তাই সে আজকে বাড়িতে রান্না-বান্না করতে চায়। সবাই কিছু কিছু রান্না করবে আর সবাই মিলে ভাল করে খাওয়া দাওয়া হবে। এসব শুনে ধানসিঁড়ি আর যেতে পারে না। সুপার স্টোরে যখন শানু এসে ফুলকিকে সব জানায় ফুলকি বুঝে যায় এটাও ঈশিতার একটা চাল। সে চায়না তদন্ত হোক।
কাঠি আইসক্রিম বানিয়ে ফেললো ফুলকি
এরপর বাড়ি ফিরে সে দেখে ঈশিতা আর শালিনী দুজন মিলে রান্না করছে। সে যখনই রান্নাঘরে ঢুকতে যায় তারা বলে, ফুলকি যা সব করে সেসব আজ হচ্ছে না। তাই সে যেন দয়া করে এখানে ঢুকে সবটা নষ্ট করে না দেয়। এরপর ফুলকি ঠিক করে সে কাঠি আইসক্রিম বানাবে। আর বানিয়ে ফ্রিজে ঢুকিও দেয়। তারপর সে ধানুকে বলে, খাওয়া দাওয়ার পর সবাই ঘুমিয়ে পড়লে তারা প্রমাণ জোগাড় করতে বের হবে আর প্রথমেই তারা ছন্দক দাদা যেখানে থাকতো সেখানে যাবে।
