জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক মিঠিঝোরা (Mithijhora)। লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের (Leena Ganguly) এই ধারাবাহিক মধ্যবিত্ত পরিবার এর গল্পকে তুলে ধরে। যে পরিবারের মাথা বাড়ির কর্তা মারা যাবার পর থেকে কার্যত অতল সাগরে অর্থাভাবে ভাসতে থাকে সেই মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষগুলি। তবে কথায় আছে ভাগ্য পরীক্ষা নেয়। বহু অপমান, যন্ত্রণার পর এবার চাকরিটা পেয়ে গেল পরিবারের বড় মেয়ে রাই।
বিয়ের পিড়ি থেকে উঠে রাইপূর্না বোনকে জায়গা দিয়েছে, সংসারের হাল ধরতে নিজের ভালোবাসা, সংসার সবকিছুই ত্যাগ করেছে মেয়েটি। তারপর থেকে পরিবার, বোন সবার কাছেই অপমানের পাত্রী হয়ে উঠেছিল সে। তবে মনে মনে ভরসা ছিল রাইয়ের। সে পরিশ্রমী। ঠিক একটা না একটা চাকরি জোগাড় করবেই।

নীলুর শ্বশুরবাড়ি থেকে অপমানিত হয়ে চলে আসার পর রাই মনে মনে স্থির করে আর সে কোনোভাবেই অপমানিত হবে না বরং অপমানের প্রতিবাদ করবে। তারপর থেকে শুরু হয় রাইয়ের নিত্য ইন্টারভিউ দেওয়ার প্রচেষ্টা। বাড়ির সবার চোখে সে ছোট হলেও মানসিক জোর ছিল রাইয়ের। ধারাবাহিকের পর্বে এবার দেখা যাবে রাইয়ের জীবনে শুরু হচ্ছে নতুন অধ্যায়।
শৌর্য্যের দাদা অনির্বাণ কলকাতা নতুন স্টার্ট আপ খুলেছে। আর সেখানেই ইন্টারভিউ দিতে যায় রাই।প্রাথমিকভাবে একটু হোঁচট খেলেও ইন্টারভিউতে পাশ করে চাকরি পেয়ে যায় রাইপূর্ণা। বাড়িতে এসে আনন্দ সহকারে সে সবাইকে বলতে থাকে চাকরি সে পেয়ে গিয়েছে। মা, পিসিমণির কথা রাখতে পেরেছে সে। পরিবারের হাল ধরবে এবার রাই।
আরও পড়ুনঃ মিঠিঝোরায় ‘প্রথম শান্তির এপিসোড’! ভ্যানিশ নীলু আর শৌর্য্য, ‘কুটকচালি ভাল লাগে না’ মত নেটিজেনদের
রাইয়ের এই আনন্দের মুহূর্তে সেখানে উপস্থিত ছিল মেজ বোন নীলাঞ্জনা। দিদিভাইয়ের আনন্দ দেখে সে চাকরি পেয়েছে শুনে নীলু বলে, দিদিভাই তোর অফিসের বস নিশ্চয়ই কম বয়সী এবং দেখতে খুব সুন্দর তাই না? নীলুর এই কথা শুনে স্তম্ভিত হয়ে যায় রাই! নীলু কোন দিকে ইঙ্গিত করতে চাইছে তা বুঝে যায় সে।
View this post on Instagram
