Bangla Serial

মিঠিঝোরায় ‘প্রথম শান্তির এপিসোড’! ভ্যানিশ নীলু আর শৌর্য্য, ‘কুটকচালি ভাল লাগে না’ মত নেটিজেনদের

মিঠিঝোরায় ‘প্রথম শান্তির এপিসোড’! ভ্যানিশ নীলু আর শৌর্য্য, ‘কুটকচালি ভাল লাগে না’ মত নেটিজেনদেরশুরুর দিন থেকেই ‘মিঠিঝোরা’ (Mithijhora) ধারাবাহিকটি নিয়ে ধারাবাহিক প্রেমীদের উন্মাদনা ছিল তুঙ্গে। কারণ বাংলা ধারাবাহিক জগতের দুই নামজাদা অভিনেত্রী। আরাত্রিকা মাইতি (Aratrika Maity) আর দেবাদৃতা বসু (Debadrita Basu)। দুজনেই টেলিদুনিয়ার নামজাদা নায়িকা। তিন বোন রাই, নীলু আর স্রোতের গল্প নিয়ে তৈরি এই ধারাবাহিক। তাঁদের এক দাদাও রয়েছে। যদিও সে পঙ্গু। কোনও এক আঘাতে পায়ে চোট পেয়ে হুইল চেয়ারই তাঁর সর্বক্ষণের সঙ্গী।

তিন বোনের বাড়ির আয়ের একমাত্র উৎস ও পরিবারের কর্তা মারা যায় বড় মেয়ের রাইয়ের বিয়ের দিন। আর রাই পরিবারের পাশে দাঁড়াতে প্রেমিক শৌর্য্যর হাতে তুলে দেয় মেজ বোন নীলুকে। আর বিয়ের পর থেকে নীলুও শৌর্য্য বলতে অজ্ঞান। বরের ভালোবাসা পেতে এতটাই মুরিয়া সে যে পদে পদে নিজের দিদিকে অপমান করে চলেছে সে।

আর বোনের মনের অশান্তি কমাতে তাই সদ্য রাই সকলের সামনে সে ঘোষণা করেছে, বিয়ের দিনে বাবা মৃত্যুকে হাতিয়ার করে সে বিয়ে ভেঙেছে। তবে বিয়ে ভাঙার পিছনে ছিল তাঁর অন্য কারণ। রাইয়ের অন্য একটি প্রেম। শৌর্য্যর সঙ্গে সম্পর্ক থাকাকালীন যে প্রেম শুরু হয়েছিল। শুধু তাই নয়! রাইয়ের আরও দাবি শৌর্য্যর পারিবারিক একজনই নাকি তার গোপন প্রেমিক!

তারপর থেকে নীলুর পাশাপাশি শৌর্য্যও রাইয়ের সঙ্গে দুর্ব্যবহার শুরু করেছে। রাইকে শিক্ষা দিতে উঠে পড়ে লেগেছে তারা। দিনে দিনে তাদের ভাবমূর্তি নেতিবাচক হয়ে উঠছে। রাইয়ের জীবনযুদ্ধ কঠিন। একাধারে পিতৃ বিয়োগ, অন্যদিকে পরিবারের দায়িত্ব। মা-ভাইয়ের অবজ্ঞা, নিজের ভালোবাসাকে ত্যাগ করে স্বাভাবিক ভাবেই দর্শকদের পছন্দের পাত্রী হয়ে উঠেছে সে। স্বাভাবিক ভাবেই প্ৰিয় নায়িকার সঙ্গে এহেন ব্যবহার মোটেও পছন্দ নয় ধারাবাহিক প্রেমীদের। সম্প্রতি একটি কগোটা এপিসোড জুড়ে ছিল না নীলু আর তার বর শৌর্য্য।

এদিনের এপিসোড দেখে এক ধারাবাহিক প্রেমী সমাজমাধ্যমে লিখেছেন,”পুরো এপিসোডটা ভাল লাগল। সবচেয়ে শান্তির ১ টা এপিসোড। নিলু শৌর্য্যকে দেখতে হলো না। এদের কুটকচালি আর ভালে লাগে না। নীলু শৌর্য্যকে বাদ দিয়ে রাই অনির্বাণ, স্রোত আর সার্থক স্যার এর কাহিনী দেখানো হোক।”

Aarvi

আরভি সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৩ বছর যাবৎ সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। বিনোদন ক্ষেত্রে তার অবাধ গতি। আমার লেখা আরও পড়ুন