এখন জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় জমে উঠেছে কোন গোপনে মন ভেসেছে (Kon Gopone Mon Bhesechhe) ধারাবাহিকটি। শুরু হওয়ার পর থেকেই নায়িকা শ্বেতা ভট্টাচার্যর অভিনয় নজর কেড়েছে ভক্তদের। একই সাথে দুটি চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে তাকে। টিআরপিতেও ধীরে ধীরে নিজের জায়গা পাকা করেছে এই ধারাবাহিক।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, ঘটনাচক্রে নায়িকা শ্যামলীর সাথে নায়ক অনিকেতের বিয়ে হয়ে গেলেও অনিকেত কোনোভাবেই নায়িকাকে নিজের স্ত্রী হিসেবে মেনে নিতে পারেনি। কিন্তু এই শ্যামলী যখন তিস্তা রূপে অনিকেতের সামনে এসে দাঁড়ায় , তখন অনিকেত নিজের অজান্তেই তিস্তা রুপি শ্যামলীকেই ভালোবেসে ফেলেছে।
অনিকেত শ্যামলীকে হয়তো পছন্দ করে না কিন্তু তিস্তাকে সে ভীষণ ভালোবাসে। তিস্তার কবিতায় সে মুগ্ধ। এতদিন তিস্তার ভালো লাগছিলো এই সব কিছুই। কারণ সে তার স্বামীর সান্নিধ্য লাভ করছিল। কিন্তু এখন তার মনে ভয়ের সঞ্চার হয়েছে। কারণ সে বুঝতে পারছে, এসব করে সে অনিকেতকে ঠকাচ্ছে আর একদিন যখন সব সত্যিটা সামনে আসবে তখন অনেকের শ্যামলীকে ঘৃণা করতে শুরু করবে।
তারপর থেকে তিস্তা যতটা সম্ভব অনিকেতের থেকে দূরে থাকতে চায়। তারা একটা রেস্টুরেন্টে যায় আর সেখানে যখন নায়ক অনিকেত নিজের মনের কথা তিস্তাকে খুলে বলে তখন তিস্তা তাকে স্পষ্ট জানায় সে কোন বিবাহিত পুরুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব রাখতে পারবে না। এই বলে সে সেখান থেকে বেরিয়ে যায় আর অসাবধানতাবশত তার সঙ্গে বিরাট বড় দুর্ঘটনা ঘটে যায়। এই সপ্তাহে নিজের চোখের সামনে দেখে অনিকেত কিন্তু তখন অবধি তিস্তার আসল চেহারা তার সামনে আসেনি।
আরো পড়ুন: অন্ধকারে রাস্তায় বিপদে পড়ল স্রোত! কিডন্যাপ্যাদের হাত থেকে অসহায় স্রোতকে বাঁচিয়ে মন জয় করে নিল সার্থক!
ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, সবাই মিলে তিস্তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে। কিন্তু তিস্তা বুঝতে পারে এইবার তার সমস্ত কাণ্ডকারখানা সবার সামনে চলে আসবে। সবাই তাকে দেখে নেবে তাই কারোর আসার আগেই সেখান থেকে পালিয়ে যেতে চায় শ্যামলী। কিন্তু পরিস্থিতির চাপে তাড়াতাড়ি লুকিয়ে পড়ার জন্য অন্য একজন পেশেন্টের পাশে গিয়ে শুয়ে পড়ে। এই বিষয়টা লক্ষ্য করে তৃষা আর অরুনাভ। তাদের সন্দেহ হয় একই বেডে দুইজন পেশেন্ট কিভাবে থাকতে পারে। সবাইকে তাড়াতাড়ি সেখানে ডেকে আনে তারা। অন্যদিকে শ্যামলী মনে মনে ভগবানকে ডাকতে থাকে যাতে এই ভয়ংকর বিপদ থেকে সে রক্ষা পায়।
