বর্তমানে ধুন্দুমার কাণ্ড চলছে জি বাংলার (Zee Bangla) কোন গোপনে মন ভেসেছে (Kon Gopone Mon Bhesechhe) ধারাবাহিকের প্রতিটি পর্বে। একই সাথে দুটি ভূমিকা পালন করতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে ধারাবাহিকের নায়িকা শ্যামলীকে। এই মেগার অন্যতম আকর্ষণ হলেন নায়িকা শ্বেতা ভট্টাচার্য। শুরু থেকেই দর্শকদের মাতিয়ে রেখেছে নায়ক নায়িকার জুটি।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, শ্যামলীর হাতের তৈরি লুচি আর আলুরদম খেয়ে মন ভরে গিয়েছে গ্রেট বেঙ্গল ক্যাটারারে আসা এক ক্লায়েন্টের। তারা তাদের অনুষ্ঠানে এই আলুরদমটাই অতিথিদের খাওয়াতে চান। শ্যামলী তখন অনিকেত আর তার বাবাকে কথা দেয়, সে এই রান্নার দায়িত্ব নেবে। আর অন্যদিকে সেই অনুষ্ঠানে একটি সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন ঘটাতে তিস্তাকে কবিতা পাঠের দায়িত্ব দেয় অনিকেত।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সবাই অপেক্ষা করছে তিস্তার জন্য। তিস্তা দেরি করায় অনিকেতকে সবার কাছে অনেক অপমানিত হতে হচ্ছে। তখন অনিকেত সবাইকে বলে দয়া করে তারা যেনো তার বাবাকে কিছু না বলে কারণ এই সব কিছুর দায় তার একার। এদিকে তিস্তাকে আটকে নিয়েছে অরুণাভর ভাড়া করা গুন্ডারা। কিন্তু তিস্তা হার মানেনি। সে খুব ভালো করেই বুঝতে পেরেছে এর পিছনে কে বা কারা থাকতে পারে। সে সাহসের সাথে লড়াই করে পালিয়ে যায় তাদের কবল থেকে আর একটা ভিড়ে গিয়ে মিশে যায়। তাকে আর কেউ ধরতে পারে না।
তিস্তা মনে মনে বলে, সে কিছুতেই তার স্যারের মাথা নিচু হতে দেবে না। অনিকেত অনেকবার ফোন করে তিস্তাকে। কিন্তু কোনো প্রতিক্রিয়া পায় না। ফলে তারও এবার চিন্তা হতে থাকে। সবাই যখন ব্যস্ত হয়ে উঠেছে ঠিক তখনই একটা প্রদীপ হতে কবিতা পাঠ করতে করতে হাজির হয় তিস্তা। কবিতা গান সব মিলিয়ে মিশিয়ে ভরিয়ে তোলে সেই অনুষ্ঠান। এসব দেখে রেগে জ্বলে ওঠে অরুণাভ আর তৃষা। সবার মন ভরিয়ে দেয় তিস্তা।
আরো পড়ুন: সৃজনের বাবাকে বাঁচাতে বিপদের মুখে ঝাঁপ দিলো পর্ণা! সংকটাপন্ন তার আসন্ন সন্তান!
অনিকেত তিস্তাকে জিজ্ঞেস করে, সে খুব চিন্তায় পড়ে গেছিলো। তার আসতে এত দেরি হলো কেনো? তিস্তা তখন সমস্ত সত্যিটা বলে দিতে যাচ্ছিল কিন্তু তখনই জানা যায় শ্যামলীর তৈরি আলুরদম শেষ হয়ে গিয়েছে আর এখনো অনেকের খাওয়া বাকি। এদিকে শ্যামলীকে ফোনে পাওয়া যাচ্ছে না। কারণ শ্যামলী তো তিস্তা সেজে সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছে। আবার অনেকের চিন্তায় পড়ে যায়। সে বলতে থাকে রান্না করে দিলেই কি কাজ শেষ হয়ে যায়? সবাই খেলো কি না সেদিকে কি খেয়াল রাখা যায় না? তখন তিস্তা বলে স্যার যদি চান তাহলে সে নিজেই রান্না করতে পারে। কিন্তু শ্যামলের স্বাদ কি তিস্তার হাতে পাওয়া যাবে? অপরাজিতা আর কোন উপায় না পেয়ে তিস্তাকে রান্না করার সম্মতি দিয়ে দেয়।
