Bangla Serial

অনিকেতকে হারাতে নতুন ফন্দি আঁটলো অরুণাভ! শ্যামলীর রান্না নষ্ট করতে উঠে পড়ে লাগলো তৃষা!

বর্তমানে একটু একটু করে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলের কোন গোপনে মন ভেসেছে (Kon Gopone Mon Bhesechhe) ধারাবাহিকেও। এখন ধারাবাহিকের গল্প হয়ে উঠেছে আরো বেশি আকর্ষণীয়। কারণ দুটি চরিত্রে অভিনয় করছেন এই ধারাবাহিকের নায়িকা। নিজের পরিচয় গোপন করে অনিকেতের সান্নিধ্য পাওয়ার চেষ্টায় রয়েছে শ্যামলী।

বিয়ের আগে হোক বা পরে, নায়িকা শ্যামলীকে কখনোই সেভাবে পছন্দ করত না এই ধারাবাহিকের নায়ক অনিকেত। তবে নায়িকার অন্য আর এক রূপ অর্থাৎ তিস্তাকে ভালোবেসে ফেলেছে সে। তার কবিতায় মুগ্ধ হয়ে গিয়েছে অনিকেত। যার ফল স্বরূপ একটা অনেক বড় ঘটনা ঘটিয়ে ফেলল সে। চাপে পড়ে গেলো শ্যামলী।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, শ্যামলী বাইরে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে নিজের প্রশংসা শুনতে থাকে। দ্য গ্রেট বেঙ্গল ক্যাটারারে আসা এক ব্যক্তি এবং তার স্ত্রী শ্যামলীর লুচি আলুর দমের জমির প্রশংসা করে। তিনি বলেন এই রাধুনী একদিন তাদের ব্যবসায় সোনা ফলাবে। এমন কর্মচারীকে যেন তারা হাতছাড়া না করে। যত টাকাই লাগুক না কেন একটু কথাবার্তা বলে যেন তাকে রেখে দেয়। সেই সময় শ্যামলী এসে তাদেরকে জানায়, তার রান্না করা খাবার খেয়ে যদি কেউ খুশি হয় তাতেই সে ভীষণ খুশি। এটা শুনে অনিকেত শ্যামলীকে নিয়ে বাইরে চলে আসে আর তাকে বেশি কথা বলতে বারণ করে। শ্যামলীর শ্বশুর মশাই এই রান্না করতে রাজি হওয়ায় তাকে ধন্যবাদ জানায়।

শ্যামলী তাদের দুজনের সামনেই বড় বাবুকে বলে, তাকে সবাই বলে সে নাকি নাম কেনার চেষ্টা করে। কিন্তু এখানে তার কোনো হাত নেই। তাই তাকে যেনো কিছু না বলা হয়। অনিকেত সেই ব্যাক্তিদের বলে, তার কাছে একজন ভালো কবি আছে। সে কবিতা পাঠ করতে পারে। এটা শুনেই খুশি হয়ে যায় তারা। অনিকেত তার বাবা আর দাদাকে এরপর তিস্তার ব্যাপারটা বলে। নায়কের বাবা ঠিক ভরসা করে উঠতে পারেনা। তবে অনিকেত অভয় দেয় যে তিস্তা ঠিক পারবে। অরুনাভ আর তৃষা তখনই পরিকল্পনা করতে শুরু করে দেয় কিভাবে অনিকেতকে সবার সামনে ছোট করা যায়।

আরো পড়ুন: কর্মজীবনে অনেক বড় সুযোগ পেল শ্যামলী! সহ্য করতে না পেরে হিংসায় রেগে গেল অনিকেত!

এদিকে শ্যামলী কিভাবে তার স্যারকে কথায় হারিয়েছে সেটা সবাইকে গল্প করে শোনায়। শ্যামলীর জয় হয়েছে এটা দেখে খুব খুশি হয় ঠাম্মি। আর অরুনাভু ও তৃষা শ্যামলীকে আটকানোর সমস্ত ব্যবস্থা করে ফেলে। যেদিন অনুষ্ঠানটি হবে সেদিন চারিদিক খুব সুন্দর করে সাজানো হয়। অনিকেত শ্যামলীকে ভালোভাবে বুঝিয়ে দেয় যে কোন সমস্যা যেন না হয়। তাকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সেই দায়িত্ব যেন সে অক্ষরে অক্ষরে পালন করে। এদিকে তিস্তার বড় করে ছবি লাগানো হয়। শ্যামলী কি পারবে দুই দিক সামলাতে? নাকি অরুনাভুত তৃষার চক্রান্তের শিকার হয়ে ধরা পড়ে যাবে সে?

Aarvi

আরভি সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৩ বছর যাবৎ সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। বিনোদন ক্ষেত্রে তার অবাধ গতি। আমার লেখা আরও পড়ুন