জি বাংলার (Zee Bangla) সব থেকে জনপ্রিয় ধারাবাহিকগুলির মধ্যে অন্যতম ছিল নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu)। তবে এইবার এই ধারাবাহিকে আসতে চলেছে এক অনেক বড় চমক যার জন্য হয়তো আগামী সপ্তাহে টিআরপিতে প্রথম স্থানে দেখা যেতে পারে এই ধারাবাহিকটিকে এমনটাই দাবি দর্শকদের। ধারাবাহিকের নায়িকার বুদ্ধি মন জয় করে নিয়েছে বাংলার দর্শকদের। একটা সাধারণ গল্প রহস্য রোমাঞ্চকৌতুক সবকিছুতে পরিপূর্ণ হয়ে অসাধারণ হয়ে উঠেছে দর্শকদের কাছে। সম্প্রতি অনেক বড় টুইস্ট আসছে নায়িকার জীবনে।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা সৃজন এবং দত্ত বাড়ির প্রত্যেকের ভীষণ খুশি। অনেক কষ্ট করে বর্ষা অয়ন আর মৌমিতাকে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে তারা। আর একটু দেরী হলেই তাদের বিকলাঙ্গ করে রাস্তার ধারে বাটি হাতে বসিয়ে দিত এক ভয়ঙ্কর মাফিয়া। তাদেরকে বাঁচাতে বিহারে ছুটে গিয়েছিল ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণা। সবার ফিরে আসার আনন্দে দত্ত বাড়িতে এখন চলছে উৎসব। আর এর মাঝে নিজের অজান্তেই নতুন সুখবর নিয়ে এলো পর্ণা।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অয়ন আবারো প্রমাণ করল কুকুরের লেজ কখনো সোজা হয় না। এত বড় বিপদের হাত থেকে তাকে রক্ষা করেছে পর্ণা। যার ফল স্বরূপ বিন্দুমাত্র সহানুভূতি তৈরি হয়নি তার মনে। উল্টে এইসব কিছুর পিছনে এখনো পর্যন্ত সে দায়ী করে চলেছে পর্ণাকেই। আর কৃষ্ণার তো কিছুতেই মন ভরেনা। সবেতেই শেষ শুধুমাত্র পর্ণার দোষ খুঁজে বেড়ায়। কিন্তু বাড়ির বাকি সদস্যেরা তার প্রশংসায় একেবারে পঞ্চমুখ। ঠিক তখনই সেখানে চলে আসে পুলিশ অফিসার যাকে দেখে আবারো চিন্তায় পড়ে যায় দত্ত বাড়ি।
পুলিশ এসে বলে, পর্ণা অনেক বড় সাহসিকতার কাজ করেছে আর তাই জন্যই তাকে তাদের হেডকোয়ার্টার থেকে একটা সম্বর্ধনা দেওয়া হবে এবং সেটা টেলিভিশনও সম্প্রচার করা হবে। সেই সম্বর্ধনা নিতে সময় মত চলে যায় দত্ত বাড়ির প্রত্যেকে। এদিকে টিভি চালিয়ে বসে থাকে অয়ন আর মৌমিতা। পর্ণার হাতে সেই পুরস্কার তুলে দেওয়া হলে পর্ণা বলে এর আসল দাবিদার হচ্ছে তার জেঠু অখিলেশ। এরপর পুরস্কারটা তার হাতে তুলে দেওয়া হয়। এসব দেখে রাগে জ্বলে পুড়ে শেষ হয়ে যায় অয়ন আর মৌমিতা। অয়ন বলে এবার সে এমন কিছু একটা ঘটাবে যেটা পর্ণাকে শেষ করে দেবে।
আরো পড়ুন:ময়ূরীর অবস্থা জানতে পেরে তাকে রক্ত দিতে ছুটলো মেঘ! অবশেষে সফল হল ময়ূরীর প্ল্যান মেঘের হল জীবন সংকট!
ফিরে সবাই আনন্দে নাচ-গান করতে থাকে আর ঠিক তখনই অজ্ঞান হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে পর্ণা। বাড়িতে ডাকা হয় ডাক্তারকে। তিনি জানান সৃজন বাবা হতে চলেছে। কথাটা শুনে প্রত্যেকে আরো খুশি হয়ে যায়। এই মুহূর্তে এত বড় একটা খবর তারা পাবে সেটা ভাবতেই পারেনি দত্ত বাড়ির কেউই। সৃজনের বাবা বলে এবার মিষ্টির দোকান তুলে আনবে সে। কিন্তু এই সব কিছুতে একটুও খুশি হতে পারেনি কৃষ্ণা। মনে মনে ভাবে এখনো বিয়েটা কি মেনে নিতে পারেনি তার বাবুর বউ হিসেবে আর তার মাঝেই তার বাবু বাবা হতে চলেছে! এবার কি করবে সে? এবার কি করে পর্ণাকে তার বাবুর ঘাট থেকে নামাবে? এসব ভাবতে ভাবতে সেখান থেকে ছুটে চলে যায় কৃষ্ণা। এটা দেখে খুব কষ্ট পায় পর্ণা। সে সবাইকে বলে, তাকে না হয় উনি পছন্দ করলেন না কিন্তু তার ছেলের সন্তান যে এখনো অবধি পৃথিবীতে ভূমিষ্ঠ হয়নি তার প্রতিও মায়ের এত ঘৃণা?
