জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ইচ্ছে পুতুল’ (Icche Putul)। এই ধারাবাহিকের নায়ক -নায়িকা মেঘ ও নীল এক হতে চেয়েও শত ক্রোশ দূরে। একসময় সুখী দম্পতি মেঘনীলের জীবনে এখন বিবাহ বিচ্ছেদের অশনি সংকেত। মেঘ মনে মনে চাইছে যাতে নীল আবার ফিরে আসে তাঁর জীবনে। নীলের প্রতি তাঁর সব অভিমান গলেছে। নীলের বদলে অন্য কোনোও পুরুষকে জীবনে জায়গা দিতে মোটেই চায়না মেঘ।
মনে মনে নীলকে ভালোবাসলেও তা প্রকাশ করতে চাইছে না মেঘ। এদিকে, মেঘের বাবা মা চাইছেন এবার যেন একটি সুপাত্রের সঙ্গে চার হাত এক হয় তাঁদের কন্যার। আর তাই পাত্রের সন্ধান করছেন মেঘের বাবা। অন্যদিকে, বিয়ের নামেই বেঁকে বসে মেঘ। সে চায় বাবা মায়ের সঙ্গেই থাকতে। নতুন করে বিয়ে করে আর নিজের জীবনে অশান্তি চায় না সে।
বাড়ির সবার প্রশ্ন কেন চাইছে না মেঘ বিয়ে করতে? মেঘ জানে নতুন করে সম্পর্কে জড়ানো তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। এদিকে, নীলের ঠাম্মা একটি জোরদার প্ল্যান করেছেন। মেঘ দিদিভাই ও নীলের বিয়ে দিতে চান তিনি। নিজের এই প্ল্যানে ঠাম্মি সবাইকে সামিল করেই ফেলেছেন। শুধু একটাই শর্ত। বিয়ের আগে যেন কোনোভাবেই এ বিষয়ে মেঘনীল কিছু জানতে না পারে।
এদিকে, বাবার অনুরোধে শেষমেশ বিয়েতে রাজি হয় মেঘ। কিন্তু বিয়ের পিঁড়ি থেকে পালিয়ে যাবে বলে ঠিক করে। মেঘ মনে মনে ভাবে নীল ছাড়া আর কাউকেই মনে জায়গা দেবে না সে। তাই এই বিয়ে হওয়াও সম্ভব নয়। একথা চিন্তা করেই কনে সাজে পালিয়ে যেতে উদ্যত হয় মেঘ। কিন্তু দরজায় তাঁর ধাক্কা লাগে নীলের সঙ্গে। একে অপরকে বর ও কনের বেশে দেখে চমকে যায় মেঘনীল।
নীল মেঘকে প্রশ্ন করে মেঘ কনের বেশে কেন? আর মেঘও একই প্রশ্ন করে নীলকে। মেঘ বলে সে বাবার অনুরোধে এই বিয়েতে রাজি হয়েছে। আর নীল বলে ঠাম্মির অনুরোধে বিয়ে করতে এসেছে সে। আর এই ভেন্যুতেই তাঁরও বিয়ে। এমন সময় ঠাম্মি-সহ দুই পরিবারের সকলে সেখানে হাজির হয়। সকলের মুখ থেকে মেঘনীল জানতে পারে অন্য কোনো পাত্রপাত্রী নয়, তাঁদের চারহাত এক হতে চলেছে।
