বর্তমানে এক অসাধারণ গল্প পরিবেশন করছে জি বাংলার (Zee Bangla) চ্যানেলের ইচ্ছে পুতুল (Ichhe Putul)। নায়ক নায়িকার বিচ্ছেদের পর আবার নতুন করে তাদের দুজনকে মিলিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা করছে দুই পরিবার। আর সেই কাজে বর্তমানে তারা প্রায় সফল। গল্প হয়ে উঠেছে আরো অনেক বেশি আকর্ষণীয়। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে ধারাবাহিকের আগামী পর্বগুলিতে থাকতে চলেছে দারুন চমক।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, কিছু মাস আগেই বিচ্ছেদ ঘটেছিল ধারাবাহিকের নায়ক এবং নায়িকার অর্থাৎ মেঘের সাথে নীলের। তারপর থেকেই তারা যেন একে অপরের প্রতি আরো বেশি টান অনুভব করে। কিন্তু নিজেদের মনের কথা তারা কেউই কাউকে খুলে বলতে পারে না। তারা সব সময় বাকিদের এবং নিজেদেরকে এটাই বোঝাতে চায় যে সব শেষ হয়ে গিয়েছে আর কিছু জোড়া লাগার কোনো উপায় নেই।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, জিষ্ণু কিছুতেই বুঝে উঠতে পারছে না মেঘের বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে এটা জানতে পেরে গিনি কেন এত খুশি হচ্ছে। কারণ তারা চেয়েছিল মেঘের বিয়ে নীলের সাথে হোক। আর সেটা না হয়ে যখন মেঘের বিয়ে অন্য কারো সাথে ঠিক হয়েছে তাহলে তাদের খুশি হওয়ার বদলে উল্টে খারাপ লাগার কথা। তখন গিনি জিষ্ণুকে বোঝায় এইসবটাই তাদের প্ল্যান। আসলে মেঘের বিয়ে হতে চলেছে তার দাদাভাই নীলের সাথেই। কথাটা শুনে বেশ চমকে যায় জিষ্ণু।
ইতিমধ্যেই অনিন্দ্য মেঘকে রাজি করিয়ে ফেলেছে। যদিও মেঘ রাজি হতে চেয়েছিল তাই সে তার কাজে সফল হয়েছে। এবার বাকি নীলেকে রাজি করানোর পালা। ঠাম্মি নিজের অসুস্থতার বাহানায় নীলকে দিল্লি থেকে কলকাতায় নিয়ে আসে। আর তারপরে নিজের কথার জালে জড়িয়ে ফেলে তাকে। ঠাম্মিকে নীল ভীষণ ভালোবাসে তাই ঠাম্মির কথা সে কিছুতেই ফেলতে পারবে না এটা গোটা পরিবার খুব ভালো করেই জানতো। আর এটারই সুযোগ নিল তারা।
ঠাম্মি মিলকে বলে, “তুমি যখন জন্মেছিলে তখন তোমার মায়ের আগে আমি তোমায় কোলে নিয়েছিলাম। আমি তোমায় কোলে পিঠে মানুষ করেছি। আমি চাই তুমি সুখী হও। তুমি তোমার জীবনসঙ্গীর হাত ধরে সুখী হও।” এসব শুনে প্রথমে নীল কিছুটা অবাক হয়, কারণ মেঘ তো আর কখনো ফিরবে না তাহলে ঠাম্মি কার কথা বলছে? এরপর ঠাম্মি স্পষ্ট করে বলে সে মিলের জন্য একটা পাত্রী দেখেছে। প্রথমে রাজি হতে না চাইলেও ঠাম্মির শারীরিক অবস্থা এবং ইচ্ছার কথা চিন্তা করে রাজি হয়ে যায় নীল। অবশেষে প্ল্যান সাকসেসফুল। এবার শুধু সানাই বাজার পালা।
