Bangla Serial

শেষ পর্যন্ত উকিলের সাথে হাত মেলালো প্রতীক্ষা! শিমুল কি ন্যায্য বিচার পাবে নাকি গারোদের পিছনেই কেটে যাবে তার গোটা জীবন!

এই মুহূর্তে চারিদিকে অন্যায় এত বেশি পরিমাণে বেড়ে গিয়েছে যে নিরপোধাধ মানুষগুলোর কোনো মূল্যই থাকছে না। সুযোগ পেলেই সবাই কেবল নিজের নির্মমতা বর্বরতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে। মানসিকতা আর কারো মধ্যেই বিশেষ অবশিষ্ট নেই। নিজের স্বার্থে সামান্য আঘাত লাগলেই পিশাচ হয়ে উঠছে ভদ্রতার মুখোশ পরে থাকা মানুষ গুলো। আর কোন অপরাধ না করেও শাস্তি ভোগ করে চলেছে শেষ পর্যন্ত কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha) ধারাবাহিকের নায়িকা শিমুলের মতন মেয়েরা।

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, কার কাছে কই মনের কথা ধারাবাহিকের নায়িকা শিমুল সবসময় সবার ভালো চেয়ে এসেছে। নিজের অপমান ভুলে প্রত্যেকবার মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। কখনো স্বার্থপরের মতন শুধুমাত্র নিজের ভালো ভাবেনি সে। আর আজ সেটারই ফল ভোগ করতে হচ্ছে তাকে। যাদের জন্য সে সব সময় এত লড়াই চালিয়ে গিয়েছে, তারাই আজ শিমুলকে দূরে ঠেলে দিয়েছে। আজ কোনো অপরাধ না করেও খুন করতে চাওয়ার অপরাধে জেলের ভিতর একজন দাগি আসামির মতন দিন কাটাচ্ছে সে।

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী শিমুলকে ওই নরক থেকে বের করে আনার জন্য প্রাণপণে চেষ্টা করে চলেছে শতদ্রুু এবং তার প্রতিবেশী বান্ধবীরা। ইতিমধ্যেই একজন ভালো উকিল জোগাড় করেছে তারা। তারা স্বপ্ন দেখছে একদিন শিমুলকে ঠিক জেলের বাইরে আনতে পারবে তারা। কিন্তু এই পথ কি আদৌ এতটা মসৃণ হবে? শিমুল কি এত তাড়াতাড়ি তার সাথে হওয়া অপরাধগুলোর জন্য ন্যায্য বিচার পাবে? প্রত্যেকের সেই আশায় জল ঢেলে সেই উকিলের সাথেই হাত মেলালো প্রতীক্ষা! যে শিমুলকে বাঁচাতে পারতো তাকেই কবজা করে নিল শিমুলের ছোট জা।

প্রতীক্ষা এমন এক উকিলের সাথে হাত মিলিয়েছে যার উদ্দেশ্য কেবলমাত্র যুদ্ধে যেটা। কি আসল দোষ করেছে, আর কে করেনি সেই নিয়ে বিন্দুমাত্র মাথা ব্যাথা নেই তার। তার শুধু একটাই লক্ষ্য, কেসে যেটা। সেটা যেভাবেই হোক না কেন তাতে তার কিছু যায় আসে না। এজন্য যদি শিমুলের মতন একজন নিরপরাধ মেয়েকে সারা জীবন শাস্তি ভোগ করতে হয় তাতেও তার কোনো সমস্যা নেই। আইনের রক্ষকরাই যখন ভক্ষক হয়ে ওঠে, তখন সাধারণ মানুষের কি অবস্থা হতে পারে সেটা আর আলাদাভাবে করে বলার অপেক্ষায় রাখে না।

শিমুলের জন্য শতদ্রু যে উকিলকে ঠিক করে, তার সাথে সম্পর্ক রয়েছে প্রতীক্ষার ঠিক করা উকিলের অর্থাৎ অনির্বাণ সেনের। আর এই সম্পর্ক খুব একটা ভালো নয়। অনির্বাণ সেনের কথার মধ্যে দিয়ে এটুকু স্পষ্ট যে তাদের মধ্যে তিক্ততার পরিমাণ অপরিসীম। আর এই তিক্ততার জন্যই যে কোন উপায়ে শিমুলের উকিলকে হারিয়ে শিমুলকে দোষী সাব্যস্ত করাটা এখন তার জীবনের একমাত্র লক্ষ্য হয়ে উঠেছে। তবে কি শিমুল ন্যায্য বিচার পাবে না?

Aarvi

আরভি সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৩ বছর যাবৎ সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। বিনোদন ক্ষেত্রে তার অবাধ গতি। আমার লেখা আরও পড়ুন