এক্কেবারে সাদামাটা ঘরোয়া একটি গল্প নিয়ে শুরু হয়েছিল জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিক। তবে সেখানেই আটকে থাকেনি এই মেগা। সময়ের সাথে সাথে নতুন নতুন সব টুইস্ট নিয়ে হাজির হয়েছে এই ধারাবাহিক। কখনো রহস্য কখনো রোমাঞ্চ আবার কখনো প্রেম, সব ধরনের গল্পই উঠে এসেছে এই ধারাবাহিকের প্লটে।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা সৃজনের শাড়ির ব্যবসাটা নষ্ট করে দেয় ইশা। পাশাপাশি জেঠুর দোকানটাকেও বন্ধ করে দেয় সে। অনেক বড় আর্থিক সংকটে পড়ে যায় দত্ত পরিবার। তাই বাড়ি ভাগ করার এবং সেই বাড়ি বিক্রি করে দেওয়ার হুজুক তোলে অয়ন মৌমিতা আর অখিলেশ। তবে এক মোক্ষম বুদ্ধি বের করে বাড়ি বিক্রি বন্ধ করে ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণা। তার বুদ্ধিতেই এবার মাসে প্রায় ৯০ হাজার টাকা ইনকাম করবে দত্তবাড়ি।
পর্ণা দত্তবাড়িতে আসার পর থেকে একের পর এক বুদ্ধি দিয়ে এই বাড়ির সদস্যদের নানা ভাবে রক্ষা করেছে। পর্ণার দৌলতেই তিলে তিলে গড়ে উঠেছিল শাড়ির কথার বিজনেস। চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছিল এই ব্যবসার নাম ডাক। যদিও সৃজন এর নির্বুদ্ধিতা এবং বোকামির জন্য সেই ব্যবসা মাঠে মারা যায় তাদের। তবে এখানেই থেমে থাকেনি সে। একটা ব্যবসা বিফল হতেই নতুন করে আরেকটা ব্যবসার বুদ্ধি বের করল পর্ণা। আর বাস্তবে এটা বেশ যুক্তিযুক্ত। অর্থাৎ কাল্পনিক কিছুই প্রদর্শিত করছে না এই মেগা।
পর্ণা ঠিক করে এই দত্তবাড়িকে নিয়েই ব্যবসা করবে সে। তাদের বাড়িটা অনেক পুরনো। এতটাই পুরনো যে এটা একটা হেরিটেজ অর্থাৎ ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। আর এমন ঐতিহ্যবাহী বাড়িতে থাকতে সবাই পছন্দ করে। তাই এই বাড়ির বন্ধ করে থাকা ঘরগুলোতে পর্যটকদের থাকার ব্যবস্থা করেই অনেক টাকা উপার্জন করবে তারা। এতো ভালো বুদ্ধিটা এর আগে আর কারোর মাথায় আসেনি। পর্ণার দৌলতে নতুন করে বাঁচার পথ খুঁজে পায় দত্ত পরিবার।
পর্ণার কথা শোনা মাত্র এক পায়ে রাজি প্রত্যেকে। শুধু থাকার ব্যবস্থাতেই আটকে থাকবে না সে। এর পাশাপাশি ওই বাড়ির এক কোনায় থাকবে, শাড়ির কথা স্টল আরেক কোনায় ঠাম্মির বানানো তিল পিটুলি, নারুর স্টল আর অন্যদিকে থাকবে জেঠুর বন্ধ হয়ে যাওয়া খাঁটি মশলার একটি দোকান। সব মিলিয়ে স্বয়ং সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে দত্তবাড়ি। পর্ণার এই আইডিয়া কেবল দত্ত বাড়ি নয় প্রত্যেকটি দর্শকদেরও বেশ পছন্দ হয়েছে। যার ফল দেখা গিয়েছে আজকের টিআরপি তালিকায়।
