এই মুহূর্তে একের পর এক বিপদ এসে হাজির হচ্ছে বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Phuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণা এবং তার শ্বশুরবাড়ির উপর। একটু একটু করে তার সমস্ত শক্তি ভেঙে দিচ্ছে শত্রুপক্ষ। নিজেকে সামলে উঠে দাঁড়ানোর সুযোগ অব্ধি দিচ্ছে না তারা। গোটা দত্ত বাড়ি যে পথে বসাতে চায় ইশা। আর এটাই তারা এখন একমাত্র লক্ষ্য।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণার অনুরোধে অখিলেশ, সৃজনকে তার দোকানের পার্টনার করে। তার পুঁজি বাবদ কিছু টাকা পর্ণা দিয়ে দেবে এমনটাই কথা হয় তাদের মধ্যে। কিন্তু সেটা জানতে পেরে যায় ইশা। এরপর দোকানের জিনিসপত্রে কেমিক্যাল মিশিয়ে জেঠু এবং সৃজনকে নাকানি চোপানি খাওয়ায় সে। সবার সামনে দিয়ে টানতে টানতে সৃজনকে প্রথমে পুলিশ স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়।
অবশেষে অনুবাদ উকিল নিয়ে গিয়ে কিছুক্ষণের মধ্যেই সৃজন আর তার জেঠুকে পুলিশ স্টেশন থেকে ছাড়িয়ে আনে। কিন্তু এই অপমান মেনে নিতে পারেননি অখিলেশ। বাড়ি এসে পাগলের মতন করতে থাকে সে। তার মধ্যে মৌমিতা আর অয়ন বারবার বলতে থাকে যা হয়েছে সবকিছু সৃজনের বউয়ের জন্য। তারা যদি দোকানে না বসতো তাহলে এত কান্ড ঘটত না আর তাদের দোকানে তালাও পড়তো না।
পর্ণা আর মৌমিতার মধ্যে কিছুক্ষণ একটা ঝামেলা তৈরি হয়। সেখানে মৌমিতার ভুলগুলো চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় পর্ণা। ফলে তখন আর মৌমিতা কিছুই বলতে পারেনা। কিন্তু জেঠু পর্ণাকে বলে, তার সাধের দোকান এভাবে শেষ হয়ে যেতে পারে না। একদিনের মধ্যে সেই দোকান তার ফেরত চাই। আর সেটা দিতে হবে পর্ণাকেই।
আরও পড়ুনঃ “তুমি সেই মুহুর্তের মূল্য বুঝবে না যতক্ষণ না তা স্মৃতি হচ্ছে…” পুরনো স্মৃতির কথা মনে করে মন খারাপ সৌমীতৃষার!
ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, পাওনাদারদের লেলিয়ে দিয়েছে ইশা। তাদের মধ্যেই একজন দত্ত বাড়ি ভাঙার জন্য বুলডোজার নিয়ে এসেছে। সবাই ভীষণ ভয় পেয়ে গিয়েছে। রাস্তায় অনেক লোক জড়ো হয়ে গিয়েছে। সেই পাওনাদার বলে, সে দত্তবাড়ি ভেঙে গুড়িয়ে দেবে। পর্ণা তখন বলে, “আমি বেঁচে থাকতে এই দত্ত বাড়ির একটা ইঁটও খোসবে না”, তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকে সৃজন। আর দূর থেকে রঙ্গ তামাশা দেখতে থাকে ইশা। পর্ণা কি পারবে এত বড় বিপদের হাত থেকে সবাইকে উদ্ধার করতে?
View this post on Instagram
