Bangla Serial

আবার তিক্ততা ভুলে নতুন করে শুরু করল মেঘ নীল! ময়ূরীর কালো ছায়া থেকে দূরে এবার নিজেদের নিয়ে বাঁচবে তারা!

ঘটে গেল বিচ্ছেদ। এতদিন দর্শকদের মনে অনেক সংশয় কাজ করছিল। এক পক্ষ ভাবছিলেন হয়তো সবটা ঠিক হয়ে যাবে, আর অপরপক্ষ ভাবছিলেন এখানে আর কিছুই ঠিক হওয়ার নেই। আর শেষমেশ সেটাই হলো। বিবাহ বন্ধন থেকে আলাদা হয়ে গেল জি বাংলার (Zee Bangla) চ্যানেলের ইচ্ছে পুতুল (Ichhe Putul) ধারাবাহিকের নায়ক নায়িকা। তবে কি এখানেই শেষ হয়ে গেলো তাদের একসাথে পথ চলা? গল্প সেই দিকে ইঙ্গিত করলেও নায়কের চিন্তাভাবনা বলছে অন্য কথা। আবার শুরু থেকে শুরু হওয়ার আভাস পাওয়া গেলো নায়ক নায়িকার কথোপকথনে।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, ডিভোর্স দিতে দিল্লি থেকে সাময়িক সময়ের জন্য কলকাতায় ফিরেছিল নীল। তার উপর বাড়ির সবাই ভীষণ অসন্তুষ্ট। কারণ সে এই কয়েকমাসে কারো সাথে কোনো রকম যোগাযোগ রাখিনি। বাড়ির মানুষদের অভিমান মিটিয়ে ঠাম্মির ঘরে যেতেই নীল বুঝতে পারে তাদের এই আলাদা হয়ে যাওয়ায় তাদের থেকেও বেশি ভেঙ্গে পড়েছে ঠাম্মি।

যদিও তাতেও কিছু আটকায়নি। ঠিক সময় মতন কোর্টে পৌঁছে গেছে তারা দুজনেই। মেঘ হয়তো মনে মনে ভেবেছিল এই বার্তা তারা একসাথে থাকবে। কিন্তু নীলের মধ্যে তেমন কোন আশা-আকাঙ্ক্ষা ইচ্ছে প্রকাশ পেতে দেখেনি মেঘ। তাই সে নিজেও সাহস করে সেই কথা প্রকাশে জানাতে পারেনি। নীলের ইচ্ছেকেই নিজের ইচ্ছে বানিয়ে নিয়েছে সে।

নীল মেঘের সামনে এসে দাঁড়ায় এবং তাকে বলে, শেষ বারের জন্য সে মেঘকে জড়িয়ে ধরতে চায়। কিন্তু সেটা সম্ভব নয়। তবে হাত মেলানো তো সম্ভব? তাই শেষবার হাত মেলায় তারা। এরপর বিচারকের সামনে গিয়ে তারা জানায় তাদের পক্ষে একসঙ্গে থাকা কখনোই সম্ভব নয়। আর তাদের এই সিদ্ধান্তকে সম্মান করে বিচারক তাদের বিচ্ছেদ ঘোষণা করে।

আরও পড়ুন: নীলের সন্তানের মা হল মেঘ! জানতে পেরে অবাক মধুমিতা, কোন দিকে এগোবে মেঘ নীলের জীবন!

ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, নীল মেঘকে বলে, “আমরা কি এরপরে বন্ধু হতে পারি?” মেঘ নীলের কথা কিছু বুঝতে না পেরে তাকে বুঝিয়ে বলতে বলে। তখন নিল বলে, “আমি কি মেঘ ম্যাডামের সাথে কফি খেতে যেতে পারি?” মেঘ কথাটা শুনে বেশ খুশি হয়ে যায় আর তাতে সম্মতি জানায়। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে আবার সেই শুরু থেকেই শুরু করতে চলেছে তারা।

Aarvi

আরভি সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৩ বছর যাবৎ সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। বিনোদন ক্ষেত্রে তার অবাধ গতি। আমার লেখা আরও পড়ুন