জি বাংলার (Zee Bangla) যে ধারাবাহিকগুলো শুরুর থেকেই দর্শকদের মাঝে চর্চায় উঠে এসেছে তার মধ্যে অন্যতম ধারাবাহিক ফুলকি (Phulki)। প্রথম থেকেই পর্দায় অভিনেতা অভিষেক বসু (Abhishek Bose) ও দিব্যানি মন্ডলের (Devyani Mondal) রসায়ন মন জয় করে নিয়েছিল দর্শকদের। তবে যত সময় এগিয়েছে বাংলা টেলিভিশনের (Bengali Television) দর্শকদের কাছে ততই বেড়েছে ফুলকির জনপ্রিয়তা। তবে রোহিত ফুলকির পাশাপাশি ধারাবাহিকে পারমিতার ভূমিকায় অভিনেত্রী কৌশাম্বী চক্রবর্তীর (Kaushambi Chakraborty) অভিনয় নজর কেড়েছে দর্শকদের।
তবে বর্তমানে পারমিতা ও অংশুর বিয়ে নিয়েই জমে উঠেছে ধারাবাহিকের গল্প। অবশেষে নিজের ভালোবাসার মানুষের হাত ধরতে চলেছে অংশু। সেই কলেজ জীবন থেকে পারমিতাকে ভালোবেসে এসেছে সে। কিন্তু পারমিতাকে নিজের মধ্যের কথা জানানোর আগেই পারমিতাকে প্রপোজ করে তথা। তথার প্রপোজ পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে যায় পারো। যা দেখে পিছিয়ে যায় অংশু। এরপর ভালোবাসার মানুষকে বিয়ে করে রায় চৌধুরী বাড়ির বউ হিসেবে আসে পারমিতা।

বেশ সুখেই কাটছিল তার জীবন। স্বামী, শশুর শাশুড়ি, দেয়র, ননদকে নিয়ে। কিন্তু পারমিতার সুখের জীবনে আ’গুন লাগিয়ে দেয় রুদ্র। রোহিতের সঙ্গে ঝামেলার দিন ইচ্ছা করে তথাকে ধাক্কা মারে ফেলে দেয় সে। তারপরই গল্প অনুযায়ী জানায় যায় মারা সেই ঘটনায় মা’রা গেছে তথা। স্বামীর স্মৃতিটুকু আঁকড়ে নিয়েই বাঁচতে চেয়েছিল পারো। শাশুড়ি, শ্বশুরমশাই, পরিবারের সকলের সমস্ত খেয়াল রেখেছে সে। পালন করেছে সমস্ত দায় দায়িত্ব।
আরো পড়ুন: “আমি যে তোমারই কেন তা বোঝনা?”- অনির্বাণ নাকি শৌর্য, কার উদ্দেশ্যে গান গাইলো রাই?
তবে পারমিতার এই খালি জীবন মেনে নেয়নি ফুলকি। আর সেই কারণেই অংশুর মনে কথা জানার পর অংশুর সঙ্গেই পারমিতার বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সে। ফুলকির কথা শুনে পারমিতাকে নিজের মনের কথা জানানোর পর অংশুর সঙ্গে মেলামেশাই বন্ধ করে দেয় পারো। কিন্তু হাল ছাড়েনি ফুলকি। ফের বন্ধুত্ব করায় দুজনের মধ্যে। পারমিতাকে বিয়ের জন্যও রাজি করায় সে। তারপর সুযোগ বুঝে জেঠুমণিকে সবটা জানিয়ে দেয় সে। পারমিতার বিয়েতে রাজি হয়ে যায় জেঠুমণি। কিন্তু বাধ সাধে হৈমন্তী।
পারমিতার বিয়ের দিনই ফিরে এল তথা
পারমিতাকে কিডন্যাপ করে রথের ঘরে আটকে রাখেন তিনি। তবে এত সব করেও হয়নি লাভ। পারমিতাকে খুঁজে বের করে আনে ফুলকি, রোহিত ও অংশু। এদিকে পারমিতার বিয়ে হচ্ছে দেখে অংশুর বাবা মাকে খবর দেয় রিকি। রায় চৌধুরী বাড়িতে এসে বিয়ে ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করেন অংশুর বাবা। তবে হাল ছাড়েনি অংশু। বাবার সিদ্ধান্তকে নাকচ করে শেষমেশ পারমিতার সিঁথিতেই সিঁদুর পরিয়ে দেয় সে। কিন্তু তখনই পারমিতা দেখে রায় চৌধুরী বাড়িতে এসেছে তথা এবং তাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন নড়ি জীবনের জন্য। যদিও এইসবটাই ছিল পারমিতার ভ্রম। কিন্তু সুখের হবে কি পারমিতার নতুন সংসার? জানা যাবে আসন্ন পর্বে।
