ফুলকির সামনে এখন কঠিন পরীক্ষা। সারা দেশ তাকিয়ে রয়েছে ফুলকির দিকে,সামনেই রয়েছে এখন ইন্টারন্যাশনাল বক্সিং টুর্নামেন্ট। জি বাংলার ফুলকি ধারাবাহিকে গত পর্বে দেখা গেছে, রোহিতরা দিল্লি পৌঁছে যাওয়ার পর অন্যান্য দেশের বক্সারদের সঙ্গে আলাপ পরিচিতির জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। আর এমন সময়, রায়চৌধুরী বাড়ির সবাই মিলে ফুলকি কে ফোন করলে, সে তাদের সঙ্গে কথা বলতে ব্যস্ত হয়ে যায়।
লাবু, ঝিনুক-তমাল সবাই মিলে ফুলকি রোহিতদের খোঁজ নিতে থাকে এবং তাদেরকে বলে কোন চিন্তা না করতে। রায়চৌধুরী বাড়ির এখন একটাই ধ্বনি, ‘বক্সিং টুর্নামেন্ট জিতবে কে ফুলকি দাস আবার কে?’। এমন সময় বোস্টনের এক সাংবাদিক সেজে হাজির হয় শালিনী। আর এই সাংবাদিককে দেখে টুর্নামেন্টের ম্যানেজমেন্ট এর লোকেরা অনুমতি সুযোগ হাতছাড়া করতে চায় না যে দেশের প্রতিনিধি অর্থাৎ ফুলকির একটা সাক্ষাৎকার নেওয়ার জন্য।

প্রথমে ম্যানেজমেন্টের লোকজনেরা রোহিতের সঙ্গে শালিনীকে আলাপ করিয়ে দেয়। আর তারপর, ছদ্মবেশী শালিনী নিজে থেকেই ফুলকির ইন্টারভিউ নিতে চায়। এমন সময় শালিনি মনে মনে ভাবে সে নানান প্রশ্নের প্যাঁচে ফুলকিকে জব্দ করবে। এমন সময় রোহিত ফুলকিকে ডাকলে সে যাওয়ার সময় অজান্তেই ধাক্কা লাগে শালিনীর সঙ্গে। কিন্তু, ফুলকি এই বিদেশী সাংবাদিক অর্থাৎ শালিনীর প্রাথমিক ব্যবহার কিছুটা হলেও সন্দেহভাজন মনে হয়।
এরপর, রোহিতরা ঘরে চলে আসায় ফুলকি সঙ্গে সঙ্গে তার মনের সন্দেহটা স্যারকে বলতে থাকে কিন্তু রোহিত তার কোনো কথাতেই পাত্তা দেয় না। রোহিতের কেবল একটাই কথা সামনে ম্যাচ রয়েছে, আর সেই ম্যাচে সঠিকভাবে নির্বাচিত হয়ে দেশের হয়ে জিততে হবে ফুলকিকে। এই সময় কথা বলতে বলতেই ঘরে চলে আসে ফুলকির রাতের খাবার।
এরপর, ফুলকির তত্ত্বাবধানে যে ডায়েটিশিয়ান রয়েছে সে খাবার দিয়ে চলে যাওয়ার সময় পিছন থেকে বিদেশি সাংবাদিক অর্থাৎ শালিনী ডেকে তাঁকে বলে খেলোয়ারদের সঙ্গে সে কথা বলতে চায়। কিন্তু, এদিকে রাতের খাবারের সময় বলি সে কখনোই শালিনীর সঙ্গে কোনো খেলোয়াড়দের দেখা করতে দেয় না। এমন সময় শালিনী মনে মনে ভাবে সব সময় তাকে ফুলকির অপর নজর দাড়ি রাখতে হবে যাতে সে কোনমতেই খেলা জিততে না পারে।
আরও পড়ুনঃ গেমস ভিলেজে ছদ্মবেশে এন্ট্রি নিল শালিনী! বক্সিং টুর্নামেন্টে ফুলকি’র বিপদ আসন্ন! কি হতে চলেছে ফুলকি ধারাবাহিকের আগামী পর্বে?
এরপর ধীরে ধীরে ফুলকি নিজের ফিটনেস বজায় রেখে একের পর এক খেলা জিতে অবশেষে সেমিফাইনালে ওঠে। এদিকে, আবার নবাবগঞ্জ সহ সারা ভারত মেতে উঠেছে ফুলকির জয়জয়কারে। নবাবগঞ্জের পাড়ার ক্লাবে পিয়াল, কাকুমণি থেকে শুরু করে তমাল এবং বাকি সবাই মিলে আলোচনা করছে ফুলকি জিতলে কীভাবে খুশির খবরকে উদযাপন করবে। এরপর, দেখা যায় বাড়িতেও সবাই খুশি ফুলকির পারফরমেন্স-এ। কিন্তু সেমিফাইনালের জন্য মনে মনে একটু ভয়েও রয়েছে ফুলকির। এই ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, সংশোধনাগারে বসে রুদ্র মনে মনে ভাবছে ফুলকির কথা আর বলছে, ‘আমিও দেখবো ফুলকি দাস তুমি কিভাবে জেতো?’
