জি বাংলার ‘ফুলকি’ (Phulki) ধারবাহিকে ঘিরে দর্শকদের মধ্যে চলছে চরম উত্তেজনা। আর মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ধরা পরবে রুদ্র। বিনাশ হবে অশুভ শক্তির। তবে যতদিন না রুদ্র এবং তার দলবলকে শেষ করতে পারছে ততদিন পালিয়ে বেড়াচ্ছে রায় চৌধুরী পরিবারের অধিকাংশ সদস্য।
এদিকে, শত্রু নিধনের উদ্দেশ্যে ফুলকিরা বাড়ি ছাড়া হলেও প্রতি মুহূর্তে তাদের প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। এই মুহূর্তে দেখা যাচ্ছে, নিজেদের রোজকার খাবার যোগানের জন্য ছদ্মবেশে দিন মজুরের কাজে নাম লিখিয়েছে রোহিত ও তার বাড়ির বাকি সদস্যরা।

রোহিত-ফুলকি, বড়মা ও ধানু গেছে গুদাম কাজ করতে। আর এদিকে, লাবু, ফুলকির দিদি এবং বাড়ির বাকি সদস্যেরা গেছে মাছের ভেরিতে কাজ করতে। রায় চৌধুরী বাড়ির সদস্যরা নিজেদের প্রাণ বাঁচাতে যেনো দুই দলে ভাগ হয়ে গেছে।
অন্যদিকে আবার দেখা যাচ্ছে, রায়চৌধুরী বাড়িতে চলছে ফুলকি রোহিতের শ্রাদ্ধ শান্তির কাজ। এখানে আবার হাজির হয়েছে রুদ্র। রুদ্রর সাক্ষাৎকার নিচ্ছে সাংবাদিকরা। রোহিতের মা থেকে শুরু করে বাড়ির বাকি সদস্যরা গভীর শোকে আহত হয়েছে। রোহিতদের শ্রাদ্ধশান্তি চলাকালীন বাড়িতে হঠাৎই বাউল সেজে হাজির হয়েছে রোহিতরা।
আরও পড়ুনঃ “পারুল চক্রবর্তী ইজ ব্যাক!” কলেজের অসহায়ের স্টুডেন্টদের পাশে পারুল! কী হতে চলেছে পরিণীতার আগামী পর্বে?
এই ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, বাউল সেজে রোহিত ফুলকিরা রায় চৌধুরী বাড়ি থেকে ঘুরে এলে ফুলকি সবাইকে ‘ধর্মের কল বাতাসে নড়ে। জামাইবাবুরও শাস্তি হবে। ঘন্টা বেজে গেছে এবার শুধু শাস্তির পালা’ এই বলে সবাইয়ের মনে অভয় যোগায়। তবে, কি আর কিছুদিনের মধ্যেই হতে চলেছে রুদ্রর পর্দা ফাঁস?
