জি বাংলার (Zee Bangla) ফুলকি ধারাবাহিকে সত্যি প্রমাণের লড়াইয়ের সঙ্গে চলছে আন্তর্জাতিক বক্সিং খেলতে যাওয়ার প্রস্তুতি। আজকের এপিসোডে গল্পের শুরুতেই দেখতে পাওয়া যাচ্ছে, ফুলকি প্রার্থনা করছে ভগবানের কাছে। ফুলকি বলছে, “মা আজকে বাড়ি থেকে পালিয়ে তোমার কাছে এসেছি। কি করবো বলো? স্যার তো জেদ করে বাড়িতে সাংবাদিকদের ডেকে বসেছে। আরে বাবা শাকচুন্নি ম্যাডাম চ্যালেঞ্জ ছুড়েছে নাহ, ছুরুক। আমি কী করবো বলতো?” চ্যালেঞ্জ নিয়ে কিছুটা হলেও ভয় পাচ্ছে ফুলকি। তাঁর নয় হচ্ছে সে যদি হেরে যায় তাহলে স্যারের মুখই থাকবে না।
স্যার এবং শালিনীকে এ নানা কথা ভাবতে ভাবতে ফুলকি দেখে তাঁর সামনে হাজির হয়েছে জীবন্ত মা কালী। মা কালী বলে, “তুই এই ভাবে হেরে যাচ্ছিস, এসব কি ভাবছিস তুই। কার বিয়ের কথা ভাবছিস? তুই হেরে গেলে তোর বর অন্যকে বিয়ে করবে এইসব কথা মাথায় আসছে তোর?” মা কালীর সঙ্গে কথোপকথনের পর মায়ের হাতে চর খেয়ে জ্ঞান ফেরে তাঁর। অন্যদিকে দেখা যায় প্রেস মিটে সাংবাদিকরা এসে হাজির হয়েছে রায়চৌধুরী বাড়িতে কিন্তু ফুলকির দেখা নেই। এর মধ্যেই এক সাংবাদিক রোহিতকে জিজ্ঞাসা করে আর কতক্ষণের মধ্যে শুরু হবে এই প্রেস মিট। সবাই ফুলকি দাসের খোঁজ করতে শুরু করে দেয়।

এইসব কিছুর মধ্যে দেখে বাড়ির বাকি সদস্যরা চলে এসেছে এবং দিদিভাই তাদেরকে জিজ্ঞাসা করে ফুলকি গিয়ে কোথাও তারা খুঁজে পেয়েছে কিনা? তারা বলে নবাবগঞ্জের প্রতিটা জায়গায় খোঁজা হয়েছে ফুলকিলে কিন্তু কোথাও তাকে পাওয়া যায়নি। এই সময় মনে মনে রোহিত বলতে থাকে “ওরা মনে হয় ফুলকিকে খুঁজে পাইনি। একবার পাই ফুলকিকে, যদি না পিটিয়েছি তো আমার নামও রোহিত রায়চৌধুরী নয়। কি করবো এখন কি করে সামাল দেবো এই দিকটা?” সাংবাদিক এবং রোহিতের কথোপকথনের মাঝে এসে পড়ে শালিনী এবং সে সত্যি ঘটনা বলতে চায়। বলে, “ফুলকি দাস পালিয়েছে। কারণ ওর আমার সাথে মুখোমুখি হওয়ার সাহস নেই”। শালিনী তাঁর কথার মধ্য দিয়ে ফুলকিকে হেও করতে থাকে।
শালিনীর এইসব কথা শুনে এক সাংবাদিক রোহিতকে জিজ্ঞাসা করে “আপনি কিছু বলতে চান মিস্টার রায় চৌধুরী?” এরই মধ্যে ধারাবাহিকের দৃশ্যে এন্ট্রি নাই জামাইবাবু অর্থাৎ রুদ্রর। আর তিনি এসেই বলে “চ্যালেঞ্জটা কি করে একসেপটেড হবে মিস সেন? তার জন্য প্রতিভা থাকা দরকার। দেখুন আমি একেবারেই স্পোর্টসম্যান নই”। তিনি মূলত, সিলেকশন বোর্ড এবং বক্সিং অ্যাসোসিয়েশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সবার কাছে। রুদ্রর এইসব কথা শুনে বিজয় রেগে যায় রোহিত আর সেই সময় বড় মাকে ঘর থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়। এরপরেই দেখা যায় অবাক করা দৃশ্য ঢোল বাজাতে বাজাতে বাড়িতে প্রবেশ করে ফুলকি।
আরও পড়ুনঃ সবটাই মিথ্যে, ভন্ডামি! লাহিড়ী বাড়ির সামনে খুলে গেল রুশার মুখোশ!
ফুলকি শালিনীর উদ্দেশ্যে বলে, “আমি সবার সামনে চ্যালেঞ্জটা মেনে নিলাম ম্যাডাম। আমি আপনার বিরুদ্ধে খেলব, আগে নিজেকে প্রমাণ করব। তারপর ইন্টারন্যাশনাল ম্যাচ খেলতে যাব”। ফুলকি সমস্ত প্রেস মিডিয়ার সামনে বলল সে তার স্যারের মর্যাদা রাখবে এখন থেকে সেটাই একমাত্র তার উদ্দেশ্য। এরপর সকল সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিলেন ফুলকি। এরপরে রায় চৌধুরী বাড়ি থেকে চলে যায় শালিনী। অবশ্যই দেখা যায় রায়চৌধুরী পরিবারের সকল সদস্যের সঙ্গে ফুলকি এবং শালিনীর খেলার জন্য রুদ্রর সঙ্গে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়।
