রায়ানের জীবনে এখন শুধু আনন্দই আনন্দ। শিরিন-রায়ান লিভ ইন শুরু করেছে। জি বাংলার পরিণীতা’ (Parineeta) ধারাবাহিকের গত পর্বে দেখা গেছে, রায়ান এবং শিরিন কলেজে আসতেই গোটা ক্লাসকে তারা ট্রিট দেয়। এমন সময় পারুল রায়ানকে জীবনে সারাক্ষণ হইহুল্লোড় করতে বারণ করলেও কোন কথাই শোনে না।
এরপর রায়ান পারুলের হাতে একটা আইসক্রিম দিয়ে চলে যায়। কিন্ত, রায়ানের এই ব্যবহার মোটেই ভালো লাগেনা পারুলের এমনকি সে মনে মনে কষ্ট পেতে থাকে রায়ান-শিরিনকে আনন্দ করতে দেখে।

এরপরই ক্লাসে স্যার চলে আসায় ভীষণ বকাবকি করতে থাকে শিরিনদের। পুরো ক্লাস টাইম গান বাজিয়ে কেক এবং আইসক্রিম ছড়িয়ে নোংরা করেছে বলে পারুলের তুলনা টেনে সবাইকে খুব বকাবকি করে। এমন সময় রায়ানের দেওয়া আইসক্রিম ফেলে দিল পারুল।
অন্যদিকে দেখা যাচ্ছে, পারুলের গ্রামের বাড়িতে রুক্মিণী তার পিসিমণির সঙ্গে কথা বলছে। ওদিক থেকে পিসিমণি জানাচ্ছে রায়ান বাড়ি ছেড়ে চলে গেছে এবং এই কথা শুনে খুবই দুঃখ প্রকাশ করে রুক্মিণী। এরপর, গোপালের সঙ্গে কথা বলার সময় বাড়িতে এসে হাজির হয় মালতি।
অন্যদিকে আবার দেখা যায়, তূর্য এসে হাজির হয়েছে সমীরণের ডেরায়। তূর্য এসে তাকে বলে কেন তাকে আগে জানানো হয়নি টগর পারুলের বোন? এরপরে সে আরো বলে যদি ভবিষ্যতে টগরের দিকে হাত বাড়ানো হয়েছে তাহলে সে কাউকে আর রক্ষা করবে না এমনটা বলেই শাসিয়ে যায় সমীরণকে। এরই পাশাপাশি দেখা যায় আবার পারুলের ক্লাস চলাকালীনই ফুড ডেলিভারি অ্যাপ এ তার এপ্লিকেশন জমা নিয়ে নিয়েছে এবং সে ওই দিন থেকে কাজ শুরু করতে পারে।
আরও পড়ুনঃ শেষ হয়েও হইলো না শেষ! প্রাণে বাঁচলো রুদ্র! তবে, কী ফের পুরনো অবতারে ফিরবে রুদ্ররুপ সান্যাল?
অন্যদিকে আবার, কথায় কথায় মালতি রুক্মিণীকে তার বাড়িতে নিমন্ত্রণ জানায়। এমন সময় আগে থেকেই গোপাল মালতিকে না করে দিতে গেলেও রুক্মিণী জানায় সে মালতির বাড়ি যাবে। আর, রুক্মিণীর এই মানসিকতা দেখে মুগ্ধ হয় গোপাল। এই ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, পারুল যে বাড়িতে ডেলিভারি করতে গেছে সেটা রায়ান-শিরিনের বাড়ি। কিন্তু, সেখানেও ঝামেলা বাঁধায় পারুল ও শিরিন।
