জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক ফুলকি (Phulki)। শুরুর থেকেই ধারাবাহিকটি মন জয় করে নিয়েছিল দর্শকদের। তবে যত দিন এগিয়েছে ততই বেড়েছে ফুলকির জনপ্রিয়তা। টিআরপি তালিকাতেও কামাল করছে ধারাবাহিকটি। দর্শকদের মন জয় করে প্রতি সপ্তাহেই দুর্দান্ত ফল করছে ধারাবাহিকটি। পর্দায় দিব্যানি মন্ডল (Devyani Mondal) এবং অভিষেক বসু (Abhishek Bose) অসাধারণ রসায়নও ভীষণ পছন্দ করছেন দর্শকরা।
তবে বর্তমানে ফুলকি রোহিতের ভালোবাসার মাঝে ফের উড়ে এসে জুড়ে বসেছে শালিনী। সতীনের জানায় অতিষ্ট হয়ে উঠেছে ফুলকি দাসের জীবন। রোহিত আর ফুলকিকে আলাদা করার জন্য একের পর এক ভয়ঙ্কর চাল চেলে যাচ্ছে শালিনী। পাশে রয়েছে জামাইবাবু অর্থাৎ রোহিতের চরম শত্রু রুদ্ররূপ সান্যাল। সমস্ত কিছু করেও যখন তারা দেখেছে লাভের লাভ কিছু হয়নি তখনই মোক্ষম চাল চলেছে দুজনে। ফুলকি আর রোহিতকে আলাদা করার জন্য এবার মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে যাওয়া নাটক শুরু করেছে শালিনী।
তবে ফুলকি দাসের নজর এড়িয়ে তার স্যারের ক্ষতি করা মোটেই সহজ কাজ নয়। ইতিমধ্যেই সন্দেহ ডানা বেঁধেছে ফুলকির মনে। শালিনী সুস্থ, এইসবটাই অভিনয়, বারবার এমনটাই মনে হচ্ছে ফুলকির। প্রেস কনফারেন্সে সত্যিটা সামনে আসার পর শালিনীর মুখভঙ্গি দেখেই সন্দেহ হয়েছিল ফুলকির। তারপর থেকেই যেন আরও জোরালো হতে থাকে সন্দেহটা। আর সেই কারণেই ঈশিতা আর শালিনীর পিছন পিছন কাঁথি চেম্বারে গিয়ে হাজির হয় ফুলকি আর রোহিত। তবে ডাক্তারের কেবিনে সদ্য খাওয়া পিৎজার প্যাকেট দেখে সবটা তলিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ফুলকি।
ফুলকির কাছে ধরা পড়ল রুদ্র
তবে ডাক্তারের কেবিন থেকে বেরোতেই ফুলকির সামনে চলে আসে আরেকটা প্রমাণ। উঁকি মেরে ফুলকির কথা শুনতে গিয়ে ধরা পড়ে যায় রুদ্র। যদিও নিজের কূটবুদ্ধির জোরে এবারও বেঁচে যায় সে। এদিকে পুজোর সময় রোহিতের কোলে চাপার বাহানা করতে শুরু করে শালিনী। যা দেখেই তার কেটে যায় ফুলকির। সঙ্গে সঙ্গে এক ধমকে চুপ করিয়ে দেয় শালিনীকে। ফুলকির মেজাজ দেখেই কটমট করে ফুলকির দিকে তাকাই শালিনী। যা দেখে ফের সন্দেহ জাগে ফুলকির মনে। তবে কি ফের সবাইকে ঠকাচ্ছে শালিনী? সে কি তাহলে সুস্থ? এই প্রশ্নই ঘুরতে থাকে ফুলকির মনে।
আরও পড়ুন: ঋক-মধুবনীর নতুন সংসারে নেমে এলো অন্ধকার ছায়া! কি করে একা হাতে সব সামলাবে মধুবনী?
ফুলকির কাছে ধরা পড়ল শালিনী
তবে তারই মাঝে শালিনী ঘটিয়ে ফেলে বিরাট কান্ড। ফুলকি বাড়িতে নেই জানতে পেরে ফুলকির ঘরে গিয়ে ফুলকির সিঁদুরের কৌটো চুরি করে নেয় সে। এদিকে বাড়িতে এসে সমস্ত জায়গায় তন্ন তন্ন করে সিঁদুরের কৌটো খুঁজতে থাকে ফুলকি। অন্যদিকে ফুলকির সিঁদুরের কৌটোটা ঘরে নিয়ে আসে শালিনী। ঘরে এসে রোহিতের ছবি হাতে নিয়ে সিঁদুরের কৌটো থেকে সিঁদুর পড়তে যায় শালিনী আর বলে সে রোহিতকে যেন তেন প্রকারে পেয়েই ছাড়বে। তবে তখনই শালিনীকে হাতেনাতে ধরে ফেলে ফুলকি। তাহলে কি এবার শেষ হবে শালিনীর নোংরা খেলা? জানতে হলে দেখতে থাকুন ফুলকি।
