Bangla SerialEntertainment

খাবার টেবিলে বসে সবার সামনে রুদ্রকে বিপাকে ফেললো ফুলকি! রুদ্রের প্রতিক্রিয়ায় অবাক হলো প্রত্যেকে!

কোথায় আছে মানুষ যেটা মন থেকে চায় সেটা সে অবশ্যই পায়। আর তার পাশাপাশি সেই চাওয়াটার পিছনে কোন সৎ উদ্দেশ্য থাকলে সেটা আরো বেশি তাড়াতাড়ি পূরণ হয়। এই কথাটাকে একেবারে সত্যি প্রমাণ করে নিজের স্যারকে কলঙ্ক মুক্ত করলো জি বাংলার (Zee Bangla) ‘ফুলকি’ (Phulki) ধারাবাহিজের নায়িকা। চলতি সপ্তাহে টিআরপি তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করে বহুদিন পর বেঙ্গল টপার হয়েছে ফুলকি ধারাবাহিক।

এই ধারাবাহিকটি শুরু হওয়ার পর থেকেই দর্শকরা দেখেছিলেন মাথায় অনেক বড় কলঙ্কের বোঝা নিয়ে নিজের জীবনটাকে অনেক কষ্ট করে কাটাচ্ছে ধারাবাহিকের নায়ক রোহিত। এই কলঙ্কের জন্য তাকে ছেড়ে চলে গিয়েছে তার ভালোবাসা এবং তার পেশাগত জীবনেও করেছে অনেক বড় প্রভাব। এতদিনে সেই সমস্ত দোষারোপ থেকে সম্পূর্ণরূপে মুক্ত হলো নায়ক রোহিত। রোহিতের জীবনে আজকের এই দিনটা এসেছে শুধুমাত্র ফুলকির জন্য।

দিল্লিতে পা রাখা মাত্রই ফুলকি রোহিতের মনের কষ্টগুলো বুঝতে পেরেছিল। সে তাকে কথা দিয়েছিল, এই শহর থেকে একদিন কলঙ্ক নিয়ে মাথা নিচু করে তাকে ফিরে যেতে হয়েছিল তবে এইবার নিষ্কলঙ্ক প্রমাণিত হয়ে মাথা উঁচু করে বাড়ি ফিরবে রোহিত। সেদিন ফুলকির কথাগুলো বিশ্বাস না হলেও আজ ফুলকি সেগুলো প্রমাণ করে দেখিয়েছে।

বর্তমানে এই ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, ফুলকি নিজের প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে রোহিতকে নিষ্কলঙ্ক প্রমাণ করেছে। এরপর তার উপর থেকে সমস্ত দোষারোপ তুলে নিয়েছে সরকার। তাকে আবার বক্সিং জগতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আর এই সবটাই সম্ভব হয়েছে শুধুমাত্র ফুলকির জন্য। তবে এখানেই ফুলকির কাজ শেষ হয়ে যায়নি। এইবার সে উঠে পড়ে লেগেছে এই রাজাবাবুর আসল রূপ এবং আসল উদ্দেশ্য সামনে আনতে।

খাবার টেবিলেই রুদ্রকে জব্দ করলো ফুলকি

ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, সবাই একসাথে খেতে বসেছে। গোটা পরিবার একসাথে জমিয়ে খাওয়া দাওয়া করছে। এমন সময় কথাবার্তা বলতে বলতে ফুলকি বলে, “এই রাজাবাবু যে কে সেটা কিন্তু কেউ জানে না। জামাইবাবু, আপনার কোন আন্দাজ আছে?” কথাটা শোনা মাত্রই খুব জোর বিষম খায় রুদ্র। যেটা দেখে ফুলকির সন্দেহ আরো দৃঢ় হয়। সে ঠিক করে এইবার রুদ্রর মুখোশ তাকে খুলতেই হবে।

Aarvi

আরভি সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৩ বছর যাবৎ সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। বিনোদন ক্ষেত্রে তার অবাধ গতি। আমার লেখা আরও পড়ুন