দর্শকদের মাঝে বাংলার জনপ্রিয় কিছু ধারাবাহিকের (Bengali Serial) মধ্যে অন্যতম একটি হল জগদ্ধাত্রী (Jagatdhaatri)। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরেই রমরমিয়ে টেলিভিশনের পর্দায় চলছে এই ধারাবাহিক। শুরুর প্রথম দিন থেকেই নিজের এই জায়গা তৈরি করে রেখেছিল ধারাবাহিকটি। সেই জায়গা আজও ধরে রেখেছে জগদ্ধাত্রী। কখনো নিজের জায়গা ছাড়েনি।
ধারাবাহিকের শেষ পর্বগুলিতে দেখানো হয়েছে, দুর্গা ঋষভকে ফোন করে গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে আমন্ত্রণ করে। বিরাট বড় পূজোর আয়োজন করা হয় সেখানে আমন্ত্রণ করে তাকে। সেখানে নাচ গান হইহুল্লোরে মেতে উঠবে সকলে মিলে। তাই জন্য দুর্গা ঋষভকে সুন্দর সেজেগুজে তৈরি হয়ে আসতে বলে। তারপর সকলে সুন্দরভাবে সেজেগুজে গণেশ পূজার উৎসবে এক জোট হয়। ওদিকে ঋষভ সুন্দরভাবে সেজে উপস্থিত হয়। এরপরই জমিয়ে নাচ গান শুরু হয়। স্বয়ম্ভু উৎসব সকলে মিলে নাচ গান করে। ঋষভ দুর্গা ও পিছিয়ে থাকে না।
এদিকে সনজিৎ ব্যানার্জি তো ঠিক করেই রেখেছে এই গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে জগদ্ধাত্রীকে শেষ করে দেবে। সে সকলের মাঝে ভিড়ের মধ্যে লুকিয়ে থেকে জগদ্ধাত্রীর প্রাণ কেড়ে নেবে। যেভাবে জগদ্ধাত্রী তার উপর থেকে স্পটলাইট কেটে নিয়েছে সেভাবেই জগদ্ধাত্রীকে শেষ না করা পর্যন্ত তার শান্তি নেই।
গণেশের আরতি মাধ্যমে সম্পূর্ণ হয় পূজা। কিন্তু সেই আরতি চলাকালীনই হঠাৎ করে সেখানেই ঘটে যায় দুর্ঘটনা। জগদ্ধাত্রীর উপর টার্গেট করে আড়াল থেকে গুলি চালায় সঞ্জিত ব্যানার্জি। কিন্তু ভাগ্যক্রমে সেই গুলি জগদ্ধাত্রীর শরীরে না লেগে সরাসরি গিয়ে লাগে আরতির থালার মধ্যে। আর প্রাণে বেঁচে যায় জগদ্ধাত্রী। দুর্গা ঋষভ সকলে মিলেই তো জগদ্ধাত্রীকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। এদিকে ডিপার্টমেন্টে পৌঁছে সাধুদা রেগে যায়। জগদ্ধাত্রী উপরে বারবার আক্রমণ করা হচ্ছে এদিকে জগদ্ধাত্রী তদন্ত করতে না করছে। সেদিনকে তিনি তদন্ত করতে যাবার পর জগদ্ধাত্রী বাধা না দিলে আজ এই ঘটনা ঘটত না। এর একটা সঠিক তদন্ত দরকার। কিন্তু জগদ্ধাত্রী বারবার দুর্গা এবং ঋষভের সম্পর্কের কথা ভেবে পিছিয়ে পড়ছে।
আরও পড়ুনঃ টগরের ফাঁদে আটকে মল্লার! পারুল কি পারবে পরিবারের সম্মান রক্ষা করতে?
ওদিকে ঋষভ মা-বাবাকে ফোন করে সমস্ত ঘটনার কথা জানায়। ঋষভের মা বাবা তো গুলি চলেছে শুনেই ভয় পেয়ে যায়। ভাবে হয়তো কোন গুন্ডা পরিবার, ক্রিমিনাল পরিবার। কিন্তু ঋষভ জানায় দুর্গার মা বাবা আসলে কে। এদিকে ঋষভের বাড়িতে সামনের গেট দিয়ে না ঢুকে পেছনের গেট দিয়ে ঢুকেছে সঞ্জিত ব্যানার্জি। সেটা দেখে একটু অবাক হয় ঋষভের বাবা। আসলে ডিপার্টমেন্টের লোকজন ঋষভের বাড়ির বাইরে নজর রাখছে সবসময়। এদিকে জগদ্ধাত্রী ঋষভকে ফোন করে কথা বলতে বলতে জানতে পারে ঋষভের বাড়িতে তার মামা রয়েছে। তখনই জগদ্ধাত্রী ঋষভকে জিজ্ঞাসা করে বসে ঋষভের মামার নাম সঞ্জিত ব্যানার্জি কিনা। আদৌ কি সঞ্জিত ব্যানার্জির পরিচয় এত তাড়াতাড়ি ফাঁস হবে? দেখা যাক কি হয় আগামী পর্বে।
