স্টার জলসার গৃহপ্রবেশ সিরিয়াল দর্শকদের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়। বর্তমানে এই সিরিয়ালে দেখা যাচ্ছে, গল্পে পেরিয়ে গিয়েছে বেশ অনেকটা সময়। মা হতে চলেছে শুভ। এদিকে, আবার বাড়ির সকলে চোখের মণি হয়ে উঠেছে শুভ। আজকের পর্বে দেখা যাচ্ছে, আদৃত কাজের সূত্রের বাইরে যাওয়াতে আর সেই সময় শ্রীমন্তী অনেকবার ফোন করছে কিন্তু তাঁকে ফোনে না পাওয়াতে শুভ এবং তিনি বেশ চিন্তায় পরে গেছেন।
অন্যদিকে, আবার দেখা যাচ্ছে পূরবী যত্ন করছে শুভর। এই সময় শুভ সন্তানের কথা ভেবে বলছে, “নানা আমি ওর কোনো ক্ষতি হতে দেবো না। আমি অতীতকে কথা দিয়েছি আমি আর আমার সোনা একদম ঠিক থাকব”। পূরবী শুভকে চিন্তা করতে বারণ করলেও মনে মনে সেও ভাবছে আদৃতের কথা। বাড়ির সকলেই চিন্তিত। কিন্তু, কিছুতেই যোগাযোগ করা যাচ্ছে না আদৃতের সঙ্গে। এসব ঘটনা ঘটছে দেখে শ্রীমন্তী বলে, এইসব কথা বাবা মাকে বলার দরকার নেই।
কিন্তু, এদিকে আবার কলকাতা থেকে সোজা ফোন গেছে আদৃতের বাড়ি। পুলিশ ফোন করে বলছে, হাইওয়েতে আদৃত রয়ের গাড়ি এক্সিডেন্ট করেছে, ঘটনাস্থলে মারা যান। এই কথা শুনে অবাক ভাই ঋদ্ধি। পুলিশ নিজের দায়িত্ব পালন করার স্বার্থে সবটাই খুলে বলে আদৃতের পরিবারকে। পুলিশরা জানায়, তাঁরা একটা ব্যাগও পেয়েছে এবং তাতে পাসপোর্ট পেয়েছে। পুলিশরা আরো বলে, “আপনারা যত তাড়াতাড়ি কলকাতায় এসে শনাক্ত করে বডিটা নিয়ে যান। বেশিক্ষণ কিন্তু রাখা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়”।
এরপরেই ঋদ্ধি দেখে বাড়ি ফিরে এসেছে আদৃতের বাংলা। আদৃতের বাবা,ঠাম্মি ও ভাই ভেঙে পরে কান্নায়। এরপর, আদৃতের মৃত্যুর খবর শ্রীমন্তী ও শুভ ছাড়া বাড়ির সবাই জানতে পারে। এই সময় শ্রীমন্তী এসে পড়ায় ঋদ্ধি তাঁকে মিথ্যে কথা বলে। ঋদ্ধি বলে, তাঁকে কলকাতা যেতে হবে, আদৃত ডেকেছে।
আরও পড়ুনঃ ফুলকির জীবনে নতুন মোড়! পুলিশের নজরে নয়িকা! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব ফাঁ’স
আদৃতের মা ও শুভ তাঁর সঙ্গে কথা বলতে পারছে না বলে বেজায় অস্থির হয়ে উঠেছে। অবশেষে, আগামী পর্বে দেখা যাবে এদিকে আদৃতের মৃত দেহ পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছে শুভ। আবার, অন্যদিকে এক ডাক্তার চিকিৎসা করছে অচেনা এক ব্যক্তি। সে কী আদৃত নাকি অন্যকেউ?
