বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় যে সমস্ত নবাগত ধারাবাহিক সম্প্রচারিত হচ্ছে তার মধ্যে অন্যতম হলো কোন গোপনে মন ভেসেছে (Kon Gopone Mon Bhesechhe) ধারাবাহিকটি। এই ধারাবাহিকের নায়কের চরিত্রে অভিনয় করেছেন রণজয় বিষ্ণু এবং নায়িকার ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে অভিনেত্রী শ্বেতা ভট্টাচার্যকে। টিআরপি তালিকায় বেশ ভালো একটি স্থান দখল করে বসে রয়েছে এই মেগা। বর্তমানে অনেক বড় সংকটের মধ্যে নিমজ্জিত হয়েছে ধারাবাহিকের নায়িকা শ্যামলী।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, শ্যামলী তিস্তার বেশে অনিকেতের মনে ধরা দিয়েছে। কিন্তু এখন সে বুঝতে পারছে এইভাবে সে নিজের বিপদটা বাড়াচ্ছে। কারণ সবসময় তিস্তা সেজে থাকাটা সম্ভব নয়। একদিন না একদিন তার আসল রূপ সবার সামনে আসবেই। ঘটনাচক্রে একটা দুর্ঘটনায় আহত হয় তিস্তা। তবে এখনো অবধি তার চেহারা সামনে আসেনি কারোর। তবে এবার বোধহয় আর শেষ রক্ষা হলো না।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অনিকেত হাসপাতালে ভর্তি করে তিস্তাকে তার তারপর বাইরে অপেক্ষা করতে থাকে। ওষুধ দিয়ে ব্যান্ডেজ করে দেওয়ার পর ডাক্তার অনিকেতকে জানায়, এইবার পেশেন্টের বাড়ির লোকজন তাকে দেখতে যেতে পারে। অনিকেত ঘরে ঢুকবে বলে ঠিক করে আট তখনই সেখানে চলে আসে ঠাম্মি। সে তাড়াতাড়ি করে অনিকেতকে আটকায় আর তার জায়গায় সবার আগে নিজে প্রবেশ করে।
ঢুকেই ঠাম্মি সবার প্রথমে তার শরীরের অবস্থা কেমন আছে সেই কথা জিজ্ঞেস করে আর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাকে এই হাসপাতাল থেকে চলে যেতে বলে। শ্যামলী তাদের বলে, স্যার তাকে ডিভোর্স দেওয়ার পরিকল্পনা করেই ফেলেছে। কারণ স্যার তিস্তাকে ভালোবাসে। আর স্যার খুবই ভালো মানুষ কারণ যেহেতু তিস্তা নিজের মুখ দেখাতে চায় না তাই সুযোগটা থাকা সত্ত্বেও সেই সুযোগের সদ্ব্যবহার করে স্যার কখনোই তিস্তার মুখ দেখেনি।। এমন একটা মানুষের সান্নিধ্য পেয়ে আমি খুশি।
আরও পড়ুন: প্রথম বিয়ে ছিল দুর্বিষহ! চারহাত এক হতে শান্তির নীড় বুনেছেন কৌশিক -লাবণী, পরম মমতায় মানুষ করছেন সতীনের ছেলেকে
এরপর ঠাম্মির কথায় তাড়াতাড়ি সেখান থেকে বেরিয়ে যায় শ্যামলী। নার্সের ছদ্মবেশ ধরে সবার সামনে দিয়েই হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যায় সে। এদিকে তিস্তাকে খুঁজে না পেয়ে অস্থির হয়ে যায় অনিকেত। শেষ পর্যন্ত সিসিটিভি ফুটেজ দেখার সিদ্ধান্ত নেয় সে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে এই নিয়েই ঝামেলায় জড়িয়ে পড়ে নায়ক আর ঠিক তখনই তাকে ফোন করে শ্যামলী অর্থাৎ তিস্তা। সে স্যারকে জানায়, সুস্থ হতেই বেরিয়ে এসেছে সে। এবার নিজের বাড়ি ফিরে যাবে তিস্তা। সে এখন সুস্থ আছে তাকে নিয়ে যেন আর কোন চিন্তা না করা হয়।
