দর্শকদের মাঝে বাংলার জনপ্রিয় কিছু ধারাবাহিকের (Bengali Serial) মধ্যে অন্যতম একটি হল জগদ্ধাত্রী (Jagatdhaatri)। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরেই রমরমিয়ে টেলিভিশনের পর্দায় চলছে এই ধারাবাহিক। শুরুর প্রথম দিন থেকেই নিজের এই জায়গা তৈরি করে রেখেছিল ধারাবাহিকটি। সেই জায়গা আজও ধরে রেখেছে জগদ্ধাত্রী। কখনো নিজের জায়গা ছাড়েনি।
ধারাবাহিকের শেষ পর্বগুলিতে দেখানো হয়েছে, দুর্গা রীতিমতো থ্রেট দিয়ে ছেলেটিকে প্রেম করতে বাধ্য করছে। ঋষভকে মনের কথা বলতে গিয়ে ঋষভের মাকেই ঋষভ ভেবে সমস্ত কথা উজাড় করে বলে দেয় দুর্গা। ঋষভের মায়ের সাথে কথা বলে জানায় সে ঋষভকে ভালোবাসে। সে তার মনের ইচ্ছে তার পরিবারের সকলের সামনে জানাচ্ছে। আর ঋষভকে ডিনার ডেটে আমন্ত্রণ করে। পৃথা সুন্দর করে দুর্গাকে সাজিয়ে গুছিয়ে ডিনার ডেটে যাওয়ার জন্য তৈরি করে দেয়। প্রথমবার শাড়ি পরে একেবারে সুন্দরভাবে সেজেছে দুর্গা।
রাজনাথ জানায় প্রথমবার দুর্গা কোন ছেলের সাথে দেখা করতে যাচ্ছে তার জন্য হীরের আংটি, সোনার ব্রেসলেট এসব নিয়ে যেতে হবে। কিন্তু দুর্গা জানাই এসবের কোন দরকার নেই। ভালবাসতে গেলে এই সমস্ত উপহার দেওয়াতে সে বিশ্বাসী নয়। দুর্গা বেরিয়ে যাওয়ার পর বৈদেহি মনে মনে হাসে আর বলে দুর্গার যার ভাগ্যে জুটবে তার হাড়ে একেবারে দূর্বা ঘাস গজিয়ে যাবে। কিন্তু জগদ্ধাত্রী সাবধান করে দেয় বৈদেহিকে, তার মেয়ের নামে একটা খারাপ কথা না বলার জন্য। তার মেয়ে কোনদিনও কারোর সাথে খারাপ করতে পারে না সে কথা জানিয়ে দেয় জগদ্ধাত্রী।
ওইদিকে রেস্টুরেন্টে দুর্গার ভয়ে আগেই পৌঁছে গেছে ঋষভ। দুর্গাকে তো শাড়ি পরে দেখে ঋষভ একেবারেই ফিদা। চোখের পলক পড়ছে না তার। ফোনে যে বাবার সাথে কথা বলছিল সেটাই ভুলে গেছে। দুর্গা এসে ঋষভকে গোলাপের বদলে গাঁদা ফুল দিয়ে প্রপোজ করে। জানায় বাজারে নাকি গোলাপ ফুল শেষ হয়ে গিয়েছিল। তাই খুঁজে না পেয়ে গাঁদা ফুল নিয়ে এসেছে ঋষভের জন্য। এই প্রথম ঋষভ কাউকে গোলাপ ফুল দিয়ে প্রপোজ করতে দেখে একটু হতবাক হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ শিরিনের মায়ের মারাত্মক চক্রান্ত! পারুলকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারাল রায়ানের দাদু, শোকের ছায়া বসু বাড়িতে
ওই রেস্টুরেন্টে বসেছিল কয়েকজন বদমাশ ছ্যাচর ছেলে। দুর্গাকে দেখে তারা ইচ্ছে করে বাজে বাজে মন্তব্য করতে থাকে। দুর্গা মাথার ঠিক রাখতে না পেরে একেবারে ধুমধাম মারতে থাকে। দুর্গা কে মারপিট করতে দেখে ঋষভ একেবারে ভয়ে জড়সড় হয়ে যায়। বুঝতেই পারে দুর্গা কেমন। ঠিক তারপরেই রাজনাথ ফোন করে জানতে চাই দূর্গা মনের কথা জানালো কিনা, দুর্গা বলে জানিয়েছে গাঁদা ফুল দিয়ে। সবাই বুঝতে পারে না ছেলেটি আদৌ দুর্গার প্রেমে পড়বে কিনা। দুর্গার কান্ড দেখে তো প্রত্যেকে অবাক। ওদিকে জগদ্ধাত্রীকে ফোন করে সেই গোপন শত্রু হুমকি দেয়। জানায় জগদ্ধাত্রী তাকে খুঁজে বের করার আগে সে জগদ্ধাত্রীকে প্রাণে মেরে ফেলবে। ওই গোপন শত্রু জগদ্ধাত্রীর কাছে পৌঁছানোর আগে জগদ্ধাত্রীকে খুঁজে বের করতে হবে।
