জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক পরিণীতা এখন একেবারে টানটান উত্তেজনার জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে। একের পর এক চমক আর অঘটনে ভরপুর এই গল্পে দর্শকদের চোখ এখনো সরানো যাচ্ছে না।
গত পর্বে বসু বাড়িতে ছিল বড়সড় অনুষ্ঠান। পারুল আর পিসিমণির জমজমাট নাচে মুগ্ধ হয়ে যায় রায়ান, যদিও মুখে স্বীকার করে না। পরে সকলের খোঁচায় ইগোতে লাগায়, পারুলের সঙ্গেই কাপল ডান্সে রাজি হয় সে। সন্ধেটা জমে ওঠে আনন্দে।
তবে পারুলের মন কিন্তু পুরোটা শান্ত নয়। গুরুদেবের বলা ‘বড় বিপদ’-এর কথা তাকে ভাবিয়ে তুলছে। তুর্য ধরা পড়লেও সে বুঝতে পারছে না বিপদটা আসলে কোথায়।
এদিকে শিরিন ও তার মা ডিএনএ রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছিল। রিপোর্টে দেখা যায় পারুলের সাথে তাদের ডিএনএ ৫০ শতাংশ মিলে গেছে। এতে সন্দেহ মিটলেও শিরিন মেনে নিতে পারছে না যে পারুল তার বোন।
শিরিনের মা এবার যোগিনী সেজে হাজির হয় পারুলের বাড়িতে, আসল সত্যি বের করার জন্য। পারুলের মায়ের মুখ থেকে সে জেনে নেয় পারুল আসল সন্তান নয়।
আরও পড়ুনঃ মন্ত্রী অপহরণে ফুলকির মাস্টারপ্ল্যান, হাতের মুঠোয় এল মোক্ষম প্রমাণ!
এর মধ্যেই ইউনিভার্সিটিতে পা মচকে পড়ে যায় পারুল, আর তাকে সাহায্য করতে ছুটে আসে রায়ান। কিন্তু ঠিক তখনই শিরিনের মা মারাত্মক প্ল্যান করে—পারুলকে সরাতে হলে আগে আশুতোষ বসুকে সরাতে হবে, কারণ তিনিই পারুলের শক্তি। নিজের লোক দিয়ে এই খুনের ফন্দি আঁটে সে। আগামী পর্বে দেখা যাবে, এই চক্রান্তের ফলে বসু বাড়িতে নামে নেমে আসছে বড় বিপদ।
