জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ফুলকি’ দিনের পর দিন দর্শকদের মন জয় করে চলেছে। ধারাবাহিকের প্রতিটি এপিসোড যেন একেবারেই দর্শকদের আকর্ষণ থেকে বিরত রাখে না। তাই বাংলা মেগাগুলোর মধ্যে ‘ফুলকির’ জনপ্রিয়তা বেশ সুনিশ্চিত।
সম্প্রতি ধারাবাহিকে দেখা গেল, রাখি উৎসবে অভিরূপ সবাইকে শরবত বিলি করতে থাকে। ঠিক তখনই ফুলকি এসে শরবত পরীক্ষা করতে চায়, মনে হচ্ছে এতে কিছু মিশানো আছে। রোহিত ল্যাবে পরীক্ষার ব্যবস্থা করেন। কিন্তু ফুলকি সরাসরি অভিরূপকে আক্রমণ না করে সবাই সামনে তাকে ওই শরবত খেতে উৎসাহিত করেন যেন নিজের সন্দেহ পরিষ্কার হয়। এদিকে ফুলকির এই কাজ রুদ্রের পক্ষে মোটেই ভালো লাগে না।
সবার নির্দেশনা সত্ত্বেও ফুলকি নিজেই দেখতে চায় শরবতে আসলেই কি কিছু মেশানো আছে কিনা, আর অভিরূপ সেটি খাচ্ছেন কিনা। রুদ্র ফুলকির পরিকল্পনা ধরতে পেরে নিজেই ওই শরবত খান, আর পরপরেই তার অসুস্থতা দেখা দেয়। তড়িঘড়ি তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এদিকে ফুলকির এই সিদ্ধান্ত নিয়ে লাবণ্য মোটেই সন্তুষ্ট নয়। কারণ ধীরে ধীরে সে অভিরূপের প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ছে, তাই ফুলকির এই উদ্যোগ তার পছন্দ হয় না।
সবার মিলিত চেষ্টায় অভিরূপ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ফুলকির কাছে সবাই জানতে চায়, এমন সন্দেহ কেন? ফুলকি বলল সে সব একবারেই বলবে না, আর তার বিশ্বাস এই যে রুদ্রই এখন আড়াল থেকে তাদের ক্ষতি করছে। তাই সে সন্দেহ করছে রুদ্র আবার ফিরে এসেছে।
রোহিত প্রথমে ফুলকির কথাকে অস্বীকার করলেও ফুলকি তার সন্দেহ উড়াতে পারছে না। কারণ রুদ্র যেভাবে রাজমহলে লুকিয়ে ছিল, ছদ্মবেশ নিয়ে বেড়িয়েছে, তা ভেবে সে বিশ্বাস করতে চাইছে না যে রুদ্র মারা গেছে। শেষে রোহিত ফুলকির কথায় সরাসরি অবজ্ঞা করতে পারেনি, তাই অংশুর সঙ্গে থানায় গিয়ে রুদ্রের পোস্টমর্টেম রিপোর্টসহ সব কাগজপত্র দেখেন।
সব কিছু দেখে তারা হাসপাতালে অভিরূপের খোঁজ নিতে গেলে, ফুলকিকে দেখে রুদ্র আবার নাটক শুরু করে সবাইকে মায়া দেখাতে। সে বলতে থাকে যে ফুলকি তাকে সন্দেহ করছে আর সে রাজমহল থেকে পালিয়ে যাবে। এই কথা শুনে লাবণ্য ভেঙে পড়ে, ফুলকিকে ছেলেমানুষ বলে ডাকে।
ফুলকিও বুঝতে পারে যে অভিরূপকে সন্দেহ তালিকা থেকে বাদ দেওয়া যাবে না, তাই তাকে সবসময় নজরে রাখতে হবে। শেষ পর্যন্ত সে ক্ষমা চেয়ে নেয়।
আরও পড়ুনঃ তুর্যের ফাঁদে রায়ান, রায়ানের অদ্ভুত আচরণে বিস্মিত সবাই! পারুলের হাতে ধরা পড়ল আসল রহস্য
অন্যদিকে স্বাধীনতা দিবসের দিনে ছোট রাণীর দলের লোকেরা পতাকা উত্তোলনের চেষ্টা করে, কিন্তু ফুলকি বাধা দিয়ে বলে, “যখন তারা মানুষের জন্য কাজ করতে পারবে, তখনই তাদের পাশে দাঁড়াবো। ততদিন পতাকা উত্তোলন নয়।” এর ফলে ফুলকি নিজের বিপদের ময়দানেই পা ফেলছে বলেই মনে হচ্ছে। এখন দেখা যাক, পরবর্তী পর্বে কী ঘটবে!
