পরিণীতা ধারাবাহিকের সাম্প্রতিক পর্বে এমন সব ঘটনা ঘটেছে যা দর্শকদের চোখ আটকে রেখেছে পর্দায়। শুরুতেই দেখা গেল, শিরিন তার মাকে নিয়ে অফিসে হাজির। শিরিনের মা আর অফিসের ম্যাডাম বহুদিনের বন্ধু, আর সেই পরিচয়ের জোরে শিরিন পাচ্ছে বাড়তি সুবিধা। কিন্তু পারুল এসব মেনে নেওয়ার মানুষ নয়। সরাসরি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিল—অন্যায় করেও শিরিন ছাড় পাচ্ছে কেন? ম্যাডাম সেই প্রশ্নে বিরক্ত হয়ে পারুলকে অফিস থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেন। কিন্তু পারুলও পাল্টা নিজের কাজ ছেড়ে দিয়ে কুড়ি নম্বর ম্যাডামের হাতে জমা করে বেরিয়ে আসে।
প্রজেক্ট শেষে দেখা গেল, রায়ান সবচেয়ে বেশি নম্বর পেয়েছে। পারুলও খুশি হয় তার সাফল্যে। কিন্তু প্রফেসররা পারুলের কাজ নিয়ে অসন্তুষ্ট। উপরন্তু অফিসের ম্যাডাম বিশ্ববিদ্যালয়ে তার নামে নালিশ করেছেন। পারুল জানায়, সে ইচ্ছা করে কিছু করেনি, বরং বাধ্য হয়েই প্রতিবাদ করেছে। তখন রায়ান সামনে এসে বলে, পারুল ভুল করলেও তার সাথে যা হয়েছে, সেটা অন্যায়। সে জানায়, পারুল ৪০টা সিম বিক্রি করেছে সৎভাবে, আর শিরিন তার মায়ের প্রভাব খাটিয়ে ৭০টা সিম বিক্রি করেছে। এজন্য শিরিনকে একদিন বাদ দেওয়া হলেও পরে আবার ডাকা হয়, আর সেই অবিচারেরই প্রতিবাদ করেছিল পারুল।
সব শুনে প্রফেসররা হতবাক। শেষে সিদ্ধান্ত হয়, পারুলকে দেওয়া হবে ২০-এর মধ্যে ১৭ নম্বর, আর শিরিনের অসৎ কাজের জন্য তার নম্বর হবে শূন্য। সবার সামনে অপমানিত হয় শিরিন। রায়ান আবারও পারুলের পাশে দাঁড়ায়, আর এজন্য শিরিন আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।
আরও পড়ুনঃ রাখির দিনে শত্রুর মুখোশ খুলল ফুলকি! বিষ মিশ্রিত শরবত খেয়ে হাসপাতালে রুদ্র
এত কিছুর পরও রায়ানের সাফল্যে পারুল ভীষণ খুশি। কিন্তু ক্যান্টিনে গিয়ে ঘটে চমকে দেওয়ার মতো ঘটনা। তুর্য বানানো কফি রায়ানের এক বন্ধুর হাত থেকে পড়ে গেলে রায়ান অদ্ভুতভাবে ক্ষিপ্ত হয়ে বন্ধুকে মারতে যায়। তার আচরণে সবাই হতবাক। পারুল বুঝতে পারে, ব্যাপারটা স্বাভাবিক নয়। তার সন্দেহ হয়, তুর্যের কফিতেই গণ্ডগোল আছে। পরে পরীক্ষায় প্রমাণও মেলে—সে কফিতে ড্রাগ মেশানো ছিল। এখন দেখার বিষয়, পারুল এই প্রমাণ হাতে পেয়ে তুর্যের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেয়। পরবর্তী পর্বের জন্য দর্শকদের আগ্রহ তুঙ্গে।
