জি বাংলার জনপ্রিয় সিরিয়াল পরিণীতা–তে নবাগত অভিনেত্রী ঈশানি চ্যাটার্জি (পারুল) আর উদয় প্রতাপ সিং (রায়ান)-এর জুটি নিয়ে এখন দর্শক বেশ উত্তেজিত। প্রতিদিনই আসছে নতুন টুইস্ট, আর কালকের পর্ব তো ছিল জমজমাট।
গল্পটা শুরু হয় পারুল রায়ানকে ধন্যবাদ জানিয়ে—সে যে সাহায্য করেছিল সিম কার্ড বিক্রির কাজে। রায়ানও মজা করে বলে, “তুই না থাকলে এই কম্পিটিশনটা আমার কাছে নুন ছাড়া তরকারি।” তারপর দু’জনই আলাদা আলাদা সিম বিক্রি করতে বেরিয়ে পড়ে। কিন্তু সমস্যা হলো, পারুল কলকাতার রাস্তাঘাট চেনে না, তার উপর তার উচ্চারণ শুনে অনেকেই কিনতেও চাইছে না।
এদিকে শিরিন তো সুযোগের অপেক্ষায় ছিল। পারুল রাস্তায় বেরোতেই, তার লোকজন এসে খাম ছিনিয়ে নিয়ে যায়! লোকটিকে ধরতে পারুল প্রাণপণে দৌড়ায়, কিন্তু সে বাইকে, পারুল পায়ে—ধরা পড়বে কি করে? হঠাৎই এক মহিলা স্কুটি নিয়ে যাচ্ছিলেন, তার সাহায্যে লোকটিকে ধাওয়া করে পারুল। লোকটি খাম পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিলেও, নিজের বুদ্ধি দিয়ে পারুল সেটি ফেরত পায়।
এই সময় শিরিনের মা আসে মেয়ের সাথে দেখা করতে—তাদের তো ধারণা, পারুলের দফারফা হয়ে গেছে! কিন্তু রায়ান বুঝে যায়, কিছু একটা গন্ডগোল হয়েছে। পারুলও তাকে সব খুলে বলে, আর জানিয়ে দেয়, পুরো প্ল্যানের পেছনে শিরিনের হাত আছে।
রায়ান তখন বলে, এখন এসব নিয়ে মাথা ঘামিয়ে লাভ নেই—যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সিম বিক্রি শুরু করতে হবে। পারুলও বেরিয়ে পড়ে। হঠাৎ একটি পার্কে প্রেমিক-প্রেমিকার ঝগড়া দেখে আইডিয়া আসে মাথায়—নিজের গান গেয়ে ভিড় টেনে এক ঝটকায় বেশ কয়েকটা সিম বিক্রি করে ফেলে!
অফিসে সবাই যখন বিক্রির হিসাব দিচ্ছে, তখন হঠাৎ পারুল ঢুকে পড়ে। ম্যাডাম তো অবাক! কারণ তিনিই পারুলকে আগেই বের করে দিয়েছিলেন। পরে সেক্রেটারি জানায়, নিজের রিস্কে সুযোগ দিয়েছিল সে—কারণ পারুল ইউনিভার্সিটির চ্যাম্পিয়ন। কিন্তু শর্তও দিয়ে দেয়—যদি ২০টার বেশি সিম বিক্রি করতে না পারে, তাহলে শুধু ইন্টার্নশিপ নয়, সেক্রেটারির চাকরিও যাবে।
আরও পড়ুনঃ সর্ষের মধ্যেই ভূত! সিকিউরিটি এজেন্সিই শত্রুর দোসর! শত্রুর জন্য ফাঁদ পাততে গিয়ে নিজের জীবন বাজি রাখল ফুলকি!
এদিকে শিরিন গলা চড়িয়ে বলে, সে নাকি ৭০টা সিম বিক্রি করেছে! কিন্তু পারুল প্রমাণ দিয়ে দেখিয়ে দেয়—পুরোটাই মিথ্যে। এখন দেখার বিষয়, এই খেলার পরিণতি কী হয় আগামী পর্বে।
