বাংলা টেলিভিশনের জনপ্রিয় ধারাবাহিকগুলির মধ্যে ফুলকি এখন টিআরপি তালিকার শীর্ষে। প্রতিদিনই টানটান উত্তেজনা আর চমকে ভরা কাহিনি নিয়ে হাজির হচ্ছে সিরিয়ালটি। এবার ফুলকি নেমে পড়েছে রাজনীতির ময়দানে। ছোট রাণী যাবজ্জীবন সাজা পেয়েছে, তাই তার জায়গায় রাজমহলের দায়িত্ব এখন ফুলকির কাঁধে। ফলে এক এপিসোডও মিস করার উপায় নেই!
গত কয়েকটি পর্বে দেখা গেছে, ফুলকিদের জন্য ঠিক করা সিকিউরিটি এজেন্সিকে আগেই কিনে ফেলেছে রুদ্র। তাই তারা রুদ্রের নির্দেশেই কাজ করছিল। আজকের ঘটনায়, বক্তৃতা শেষে ফুলকি সুনন্দাকে নিয়ে আসে রাজমহলে। জানায়, লাবণ্য নিজের হাতে সুনন্দার জন্য পায়েস রান্না করেছে, যা আজ খেতেই হবে। আপ্যায়নে মুগ্ধ হয়ে সুনন্দা রাজি হয় মিষ্টিমুখ করতে।

ঠিক তখনই অভিরূপ—আসলে ছদ্মবেশী রুদ্র—সতর্ক করে, পায়েস খাওয়ানোর আগে সিকিউরিটি গার্ড দিয়ে ভালোভাবে পরীক্ষা করিয়ে নিতে। কারণ সুনন্দার ওপর যেকোনো দিক থেকে হামলা হতে পারে। ফুলকি ও রোহিতও পরীক্ষা করাতে রাজি হয়, এবং এজেন্সির লোকেরা জানায়, সব ঠিক আছে।
আরও পড়ুনঃ গুলির অব্যর্থ নিশানায় শত্রুপক্ষকে ঘায়েল করল জগদ্ধাত্রী! নিজের হাতে আইন তুলে নিয়ে বিপদের মুখে পড়ল জ্যাস!
কিন্তু ঠিক যখন সুনন্দা পায়েস মুখে দিতে যাচ্ছে, ফুলকি হঠাৎ থামিয়ে দেয়। তার দাবি—এটা লাবণ্যর বানানো পায়েস নয়! কারণ লাবণ্যকে সে আগে থেকেই কিসমিস না দিতে বলেছিল—সুনন্দা কিসমিস পছন্দ করে না। অথচ এই পায়েসে কিসমিস রয়েছে। এর মানে, বাটি বদলে গেছে!
ফুলকি বুঝতে পারে, পায়েস বদলানো হয়েছে পায়েস চেক করার পর থেকে রাজমহলে আনার মাঝপথে। প্রথমে কে করেছে বোঝা যায়নি, কিন্তু ফুলকির নজর যায় সিকিউরিটি এজেন্সির প্রধানের দিকে। তার আচরণ সন্দেহজনক লাগতেই রোহিত তাকে চেপে ধরে ব্যাগ তল্লাশি করে, আর সেখান থেকেই বেরিয়ে আসে আসল পায়েস—যেটা লাবণ্য বানিয়েছিল।
সত্যিটা বেরোয়—রুদ্র ওই এজেন্সির লোকটিকে মেয়ের প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছিল, তাই সে মুখ খুলছিল না। ফুলকি বুঝে যায়, সুনন্দা ফেরার পথে আবারও শত্রুর টার্গেটে পড়বে। তাই ফুলকি আর রোহিত এখনই ব্যবস্থা নিতে নামবে। আগামী পর্বে দেখা যাবে, এই প্রাণঘাতী খেলার পরিণতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়!
