জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ফুলকি-তে এখন টানটান উত্তেজনার পর্ব চলছে! প্রত্যেকটা নতুন এপিসোড যেন দর্শকদের নিঃশ্বাস বন্ধ করে দেয়—এক মুহূর্তও চোখ সরানো দায়! এবার যা ঘটল, তা একেবারে শিউরে ওঠার মতো।
সম্প্রতি ধারাবাহিকে দেখানো হয়েছে, ফুলকিরা একটি লেটার বক্স খুলে দেখে সেখানে একগাদা অভিযোগ জমা পড়েছে। কেউ রাস্তাঘাট নিয়ে বিরক্ত, কেউ আবার মিড ডে মিলের খাবার নিয়ে ক্ষুব্ধ। ফুলকি ও রোহিতরা একসাথে বসে এক এক করে অভিযোগগুলো পড়তে থাকে। তখনই লাবণ্য ফুলকিকে বলে, “এত মানুষের সমস্যা একা সামলানো সম্ভব নয়।” আর তখনই উঠে আসে রাজনীতিতে যোগদানের কথা। অনেক ভাবনার পর, সুনন্দা দেবীর প্রস্তাবে রাজি হয়ে যায় ফুলকি। এবার সে ঠিক করে—মানুষের কথা বলবে, মানুষের পাশে থাকবে।

এরপরেই ফুলকি সিদ্ধান্ত নেয় স্কুলে গিয়ে মিড ডে মিল খতিয়ে দেখবে। নিজের হাতে রান্না করবে, যাতে বাচ্চারা ঠিকঠাক খেতে পারে। কিন্তু সেখানেই আসে বাধা—স্কুল কর্তৃপক্ষ প্রথমে বাঁধা দেয়, কিন্তু ফুলকি তার সিদ্ধান্তে অটল। রান্না শুরু হয় ফুলকির দলের হাতে।
অন্যদিকে, এক পুরনো হারিয়ে যাওয়া শিক্ষকের ছদ্মবেশে ফিরে আসে রুদ্র। মুখোশ পরে এমনভাবে ফিরে এসেছে, যেন সে-ই সেই ‘ভালো মানুষ’ শিক্ষক! ফুলকি-সহ সবাইই তাকে চিনতে ভুল করে, ছাত্রছাত্রীরা তো খুশিতে আত্মহারা। কিন্তু এই শিক্ষকের আসল পরিচয় রুদ্র—যে এসেছে ফুলকির সর্বনাশ করতে।
এদিকে রাজমহল এলাকায় একটা বড় কারখানা গড়ে তোলার পরিকল্পনা চলছে। ফুলকি বারবার প্রতিবাদ করছে, কারণ তাতে সাধারণ মানুষের বড় ক্ষতি হবে। কিন্তু হঠাৎই ওই ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়! তার অফিসে পাওয়া যায় ফুলকির হাতের চুড়ির ভাঙা টুকরো—আর খুনের দোষ গিয়ে পড়ে ফুলকির ঘাড়ে!
আরও পড়ুনঃ দুর্গা জগদ্ধাত্রী মিলে মুখার্জি পরিবারকে দিলো বিশেষ উপহার! কৌশিকীর নির্দেশে হলো বড় পরিবর্তন!
কিন্তু রোহিত চুপ করে থাকার ছেলে নয়। সে ঠিকই ধরতে পারে—এই খুন কে করেছে! কারণ এমন ঘুষি একমাত্র একজনই মারতে পারে, আর সেই মানুষটিকে সে খুব ভালো চেনে। এবার দেখা যাক, সত্যি কীভাবে সামনে আসে? আর রুদ্ররূপ নিজেই কীভাবে ধরা পড়ে যায় রোহিতের হাতে? এই পর্বে যেমন ছিল রাজনীতি, ষড়যন্ত্র আর খুনের রহস্য, তেমনি ছিল ফুলকির সাহসী রূপ। এবার অপেক্ষা—পরের এপিসোডে কী ধামাকা হয়!
