জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ফুলকি’ টিআরপি তালিকায় নিজের আধিপত্য বজায় রেখেই একের পর এক চমকপ্রদ পর্ব উপহার দিচ্ছে দর্শকদের। পারিবারিক টানাপোড়েন, কূটচাল, আদালতের লড়াই—সব মিলিয়ে গল্পে জমজমাট উত্তেজনা।
সাম্প্রতিক পর্বগুলিতে দেখা গেছে, ছোট রানীর ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হওয়ায় সে একপ্রকার দিশেহারা। রুদ্রের উপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছে সে। কিন্তু তার সব ছক ভেস্তে যায় ফুলকির চালাকিতে। আগেই আঁচ করতে পেরেছিল ফুলকি, তাই বড় রাজার জায়গায় পুতুল রেখে দিয়েছিল সে—ফলে প্রাণে বেঁচে যান বড় রাজা।
এরপর আদালতের লড়াই শুরু হয়। ছোট রানীর উকিল ধানুকে বিভ্রান্ত করতে মরিয়া হলেও, ধানু একের পর এক প্রমাণ হাজির করতে থাকে। কিন্তু বড় রাজার পরিচয় প্রমাণ করা না যাওয়ায় আদালত ডিএনএ টেস্টের নির্দেশ দেয়। সেইমতো পরীক্ষা করাতে নিয়ে যাওয়ার সময় ধানুর কাছে আসে এক অজানা ফোনকল—জানানো হয় তার শ্বশুরের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার কথা। যদিও ফুলকির সন্দেহ হয় এটি ছোট রানীর নতুন ফাঁদ। তখনই ছদ্মবেশে হাসপাতালে পৌঁছে ইন্দ্রকে অজ্ঞান করে দেয় তারা।
আজকের পর্বে এক ধামাকা! অবশেষে ছোট রাজার সঙ্গে দেখা করতে সফল হয় ফুলকি ও রোহিত। সেখানে ছোট রাজা জানিয়ে দেয়, ছোট রানী তাকে কীভাবে ব্ল্যাকমেল করত এবং ঠিক কী ঘটেছিল বড় রাজার অ্যাক্সিডেন্টের দিন। ফোনালাপে সে বুঝতে পারে, আসলে বড় রাজার উপর হামলার নেপথ্যে ছিল ছোট রানীই! এই স্বীকারোক্তিতে নতুন মোড় নিচ্ছে ‘ফুলকি’র গল্প।
আরও পড়ুনঃ ফুলকির ফাঁদে ধরা দিল ইন্দ্র! ছোট রাজার কাছে পৌঁছনোর লড়াইয়ে প্রথম সাফল্য রোহিত-ফুলকির
এবার প্রশ্ন উঠছে—এই স্বীকারোক্তিকে ভিত্তি করে কি আদালতে সত্যিটা প্রমাণ করতে পারবে ফুলকি ও তার পরিবার? ছোট রানীর মুখোশ কি অবশেষে খুলে যাবে? নাকি আবারও কোনও নতুন চক্রান্তে সব ওলটপালট হয়ে যাবে? উত্তর মিলবে ধারাবাহিক ‘ফুলকি’র আসন্ন পর্বগুলিতে।