একটু একটু করে ফুলকি লড়াইয়ে আজ সবাই যোগ দিচ্ছে। জি বাংলার ফুলকি ধারাবাহিকের গতপর্বে দেখা গেছে, চৌধুরী মহল থেকে বাড়ি ফিরে ফুলকি ভীষণভাবে আস্ফালন করতে থাকে। ফুল কি বলে, একে একে সে ছোট রানীমার সমস্ত কাণ্ডকারখানা সকলের সামনে তুলে ধরবে। এমন সময় ফুলকি মন খারাপ করে আবার বলতে থাকে বড় রানী তাকে ভুল ভেবে ছোট রানীকে বিশ্বাস করেছে।
এমন সময় রোহিত ফুলকিকে শান্ত করে বলে তাকে এমন রাগারাগি করা কোনমতেই মানায় না। এইসব শুনে লাবুরা তাদেরকে জিজ্ঞাসা করে স্পষ্ট ভাবে যেন সবকিছু বলে আসলে কি ঘটনা ঘটছে? রোহিত বলে এর মধ্যে অনেক কিছু ঘটে গেছে যা এই মুহূর্তে বলা সম্ভব নয়।

এদিকে চৌধুরী মহলে আদিত্য তার মাকে নানান ধরনের প্রশ্ন করতে থাকে। ফুলকি কেন এসে তাদের বাড়িতে এমন ব্যবহার করছে কিংবা ছোটরানী নিজেই গোপনে এই ধরনের বেআইনি ব্যবসা চালাত তা নিয়েও যাবতীয় প্রশ্ন করতে থাকে। ছোট রানী আদিত্যর কথা ঘোরাতে গেলেও ছোট রাজা তার থেকে সমস্ত কিছু জানতে চায়।
এমন সময়, আদিত্য ছোট রানীকে এই চৌধুরী মহলের উত্তরাধিকার নিয়ে প্রশ্ন করায় সঠিকভাবে কোন কিছুরই উত্তর দিতে পারে না তিনি। উল্টে সকলের সামনে এমন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি করে যাতে কথা অন্যদিকে ঘুরে যায়। এমন সময় ইন্দ্র তার মায়ের কানে কানে বলে ছোট রানী কেন তাকে এতদিন জানায়নি ফুলকি এই বাড়ির মেয়ে?
এদিকে ফুল্কিরাও কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে ছোট রানী মার এই ভন্ড সাজার খেলা পন্ড করবে বলে। এমন সময় রোহিত ধানুকে ফোন করে বলে সে যেন বড় রাজাবাবুর একটা ফটো খুঁজে বার করে যাতে তারা তাকে খুঁজতে পারে। এরপর, ফুলকি মনে মনে ভাবতে থাকে ২৪ বছর আগে বড় রাজাবাবুকে খোঁজার জন্য ছোট রানী মা কি কি পদক্ষেপ নিয়েছিল? কিন্তু এত সবকিছুর মাঝেও পুরো রায় পরিবার আজ ফুলকির সঙ্গে রয়েছে।
অন্যদিকে চিন্তায় ঘুম উড়ে গেছে ছোট রানী মার। তাই সাহায্য চাইতে ছোট রানী মা পৌঁছে গেছে রুদ্রর কাছে। বড় রাজাবাবুর কথা শুনে রুদ্র তাকে আশ্বাস দেয় সে যেভাবেই হোক ছোট রানী মাকে সাহায্য করবে আর ফুলকিকে শেষ করার চেষ্টা করবে। এদিকে, ফুলকিরাও একেবারে ম্যাপ নিয়ে বসে গেছে যে যদি বড় রাজাবাবু মারা গিয়ে থাকে তাহলে তার দেহ কোন নদী দিয়ে কোন গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যেতে পারে? আর, সেই সেই গ্রামগুলোতে গিয়ে ফুলকিরা বড় রাজার ব্যাপারে খোঁজ করার চেষ্টা করবে।
আরও পড়ুনঃ ছোটো রাণীর খেলা শেষ! গুপ্ত পথেই মিলল প্রমাণ! বাবাকে খুঁজতে মাঠে নামলো ফুলকি!
এমন সময়, বাড়ির সবাই ঘুমিয়ে পড়ার পর ধানু ফটো অ্যালবাম ঘেঁটে বড় রাজার ছবি খোঁজার চেষ্টা করলেও কোন অ্যালবামে তার ছবি পাওয়া যায় না এটা প্রাথমিকভাবে ধানুর অবাক লাগলেও সে সমস্ত কিছু খুঁজে ফুলকিদের ফোন করে। তবে, ফুলকি ধানুর মুখ থেকে সব কথা শুনে খুব একটা অবাক হয় না বরং সে বলে সে এরকমই কিছু একটা আশা করেছিল ছোট রানীমার থেকে। এই ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে রোহিত ফুলকিকে বলছে একটা এলাকায় গিয়ে সেই এলাকাটা যাতে তারা ভালো করে খুঁজে দেখি। আর সেখানেই পৌঁছে গেছে রুদ্র রূপসার লাল ফুলকিকে মারার জন্য।
