বড় রানী মা রায়চৌধুরী বাড়িতে আসছে না আসতেই নিখোঁজ হলেন তিনি। জি বাংলার ফুলকি ধারাবাহিকের গত পর্বে দেখা গেছে, বড় রানী মা সুরক্ষার জন্য তাকে গুপ্ত পথ দিয়ে চৌধুরী মহল থেকে রায়চৌধুরী বাড়িতে নিয়ে এসেছে ফুলকি-রোহিত। এদিকে রায় চৌধুরী বাড়ির সকলে বড় রানী মাকে দেখে অবাক হয়।
এমন সময় বড় রাণী মা ধানুর বাপের বাড়িতে থাকতে কুন্ঠাবোধ করলেও সবাই তাঁকে এক নিমিষেই আপন করে নেয়। এরপর, নিজের মেয়ের স্বার্থে রোহিতের মা অত রাতের বেলায় আদিত্যকে ফোন করে জানায় বড় রাণী মা তাদের বাড়িতে এসেছে। এই শোনা মাত্রই আদিত্য রেগে যায় আর ধানুকে বলে এই কথা শুনলে তাদের মা আবার রেগে যাবে।

এরপর, বড় রানী মা ঘরে বসে ভাবছে সেই সব কথা যখন ফুলকি একের পর এক প্রশ্ন বান ছুড়ে দিচ্ছিল হারহাইনেসের দিকে। কিন্তু, সেইসব প্রশ্নের কোন সঠিক উত্তরই দিতে পারছিল না ছোট রানী মা। এমন সময় অন্যদিকে দেখা যায় ছোট রানী মা রুদ্রকে গিয়ে জানায়, ফুলকিরা বড় রানীর সুরক্ষার জন্য তাকে নবাবগঞ্জে নিয়ে গেছে। ফুলকির এই বাড়াবাড়ি একেবারেই সহ্য করতে না পেরে আশাভরি রুদ্রকে দ্বিতীয় সুযোগ দিতে চায়।
ছোট রানী রুদ্রকে বলে এবার ফুলকিকে মারার জন্য সে পরিকল্পনা করবে শুধু কাজ করবে রুদ্র। এরপর, ছোটো রাণী বলে নবাবগঞ্জের বাড়ি থেকে ফুলকি এবং বড় রানী কে কিডন্যাপ করে মাঝ সমুদ্রে নিয়ে গিয়ে দুজনকেই সমুদ্রে ফেলে দিতে হবে। কিন্তু, ঘটনা এমনভাবে সাজাতে হবে যে কোনরকমে বড় রানীকে বাঁচানো গেলেও ফুলকি সমুদ্রে ডুবেই মারা গেছে। আর লোককে এটা বিশ্বাস করাতে হবে যে ফুল্কি সঙ্গে বড় রাণী সমুদ্র পাড়ে ঘুরতে গিয়েছিল।
এইসব কথা শুনে বেশি দেরি না করে রুদ্র ছোট রানী মায়ের কথাতেই রাজি হয়ে যায়। এদিকে, রাতের বেলা শুতে এসে বড় রানী ফুলকিকে বলে বড় রাজার যেহেতু দেহ দাহ করা হয়নি তাহলে সে বেঁচে আছে এমনটাও তো হতে পারে? ফুলকি বড়রা নেই সমস্ত কথা শুনে তাকে আশা দেয় বড় রাজাকে সেই ঠিক ফিরিয়ে দেবে। এরপর কথায় কথায় ফুলকি জানায় সে তাঁর মায়ের কুড়িয়ে পাওয়া মেয়ে। তবে, তার মা তাকে কোনদিন মায়ের কমতি অনুভব করতে দেয়নি।
এরপর গল্প করতে করতে ফুলকিরা ঘুমিয়ে পড়ে। আর এই সময়েই গভীর রাতে রুদ্রর লোকেরা চুপিসারে রায়চৌধুরী বাড়িতে ঢুকে ফুলকি এবং বড় রানী মা কে কিডন্যাপ করে নিয়ে চলে যায়। পরের দিন, যথারীতি সকাল হতেই রোহিত ফুলকিদের ঘুম থেকে ডাকার জন্য ঘরে আসে। কিন্তু অনেক ডাকাডাকি করার পরেও ফুল্কিদের কোন সাড়া পায় না বলেই জোর করেই রোহিত তাদের ঘরে ঢুকে যায়। ঘরে গিয়ে দেখে ফুলকি কিংবা বড় মা কেউ নেই। কিন্তু এদিকে পুলিশ নিয়ে বাড়িতে হাজির হয়েছে আশাভরি চৌধুরী।
আরও পড়ুনঃ বড়ো রাজা বাবুর চিন্তায় অজ্ঞান ফুলকি! এদিকে, রাজা বাবুকে খুঁজে পাওয়ার দিশা পেল বড়ো রাণী!
‘অফিসার একে এরেস্ট করুন, বড় রানী মার খোঁজ আমার চাই এর পেট থেকে কথা টেনে বার করুন’ রায়চৌধুরী বাড়িতে এসে ছোট রানী বা রোহিতের উদ্দেশ্যে এমনটাই বললেন। এদিকে, রোহিতও তাঁর চাল বেশ ভালো রকম ভাবেই বুঝতে পেরেছে।
