আর পিছন থেকে কোন লড়াই নয়, এবার যা হবে মুখোমুখি। জি বাংলার ফুলকি ধারাবাহিক এ গত পর্বে দেখা গেছে, বড় রাজা বাবুর মৃত্যুর খোঁজ করতে ফুলকিরা চলে গেছে সেই শ্মশানে যেখানে ২৪ বছর আগে রাজাবাবুর দেহের সৎকার করা হয়েছিল।
রোহিতরা সেখানে গিয়ে জানতে পারে, ২৪ বছর আগে যে ব্যক্তিকে পোড়ানো হয়েছিল তিনি বড় রাজা বাবু ছিলেন না। কারণ যাকে পোড়ানো হয়েছিল সে বড় রাজাবাবুর মত অত লম্বা ছিল না। এমন সময় আড়াল থেকে ছদ্মবেশী রোহিত পীরের মধ্যে ওষুধ লাগিয়ে ফুলকিদের তাক করে মারে এবং সেই তীরে আঘাত পাওয়া মাত্রই রোহিতরা অজ্ঞান হয়ে যায়।

এরপর আড়ালে থাকা রোহিত সেই ডোমের কাছে এসে বলে কাঠ সাজাতে আজ সে নিজে হাতে রোহিত ফুলকিকে দাহ করবে। এমন সময় রোহিত ফুলকি মারা যাওয়ার আনন্দে লাফাতে থাকে রুদ্র। আর, মা কালীর কাছে প্রার্থনা করে। এরপর রুদ্র রোহিতদের চিতাতে আগুন দিলেও ভাগ্যের ফেরে বৃষ্টি হয় এবং সেই আগুন নিভে যায়।
ইতিমধ্যেই ফুলকিদের জ্ঞান ফিরে আসে। এদিকে আবার ফুলকলির মৃত্যুর খবর পাওয়ার জন্য ছোট রানীমার নৃসিংহ দেবের আরতি করতে থাকে। এমন সময়, ঘরে ফুলকির ব্যবহার নিয়ে ধানু-আদিত্যর মধ্যে ফের ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। এদিকে, ফুলকিদের জ্ঞান ফিরলেই তারা সেই অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তিকে ধরে সমস্ত কিছু জানার চেষ্টা করে কে বা কারা তাকে এই কাজ করতে বলেছে?
কিন্তু ছদ্মবেশী রুদ্র তাদেরকে কোন কিছু না বলেই চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে যায়। এরপর ফুলকিরা সময় নষ্ট না করে সেই সময়তেই পৌছে যায় চৌধুরী মহলে। এমন সময় ছোট রানী মা অপ্রত্যাশিতভাবে ফুলকিদের দেখে অবাক হয়ে যায়। এরপরেই, আর কোনো আড়াল না রেখে ফুল্কি সমস্ত রাগ উগড়ে দিতে থাকে ছোট রানী মার ওপর। এদিকে, ছোট রানী মা অনবরত ফুলকির অভিযোগকে মিথ্যা অপবাদ বলতে থাকে। এমন সময় ছোট রানী মাও রেগে গিয়ে একটা ঘন্টা খুলে ফুলকিকে মারতে যায়। কিন্তু সেই সময় রোহিত আটকায় হারহাইনেসকে, বলে ফুলকির কোন ক্ষতি সে হতে দেবে না।
আরও পড়ুনঃ স্ম’শানে গিয়ে বিপদের মুখে রোহিত ফুলকি! ফাঁস আজকের দুর্ধর্ষ পর্ব
তুমি ভাবতে পারছ না বড়মা, ছোটো রাণী মা তোমার কত বড় ক্ষতি করেছে’ হারহাইনেসের সামনে দাঁড়িয়েই বড়ো রাণী মাকে বলে ফুলকি। এই শুনে রেগে যায় বড়ো রাণী আর উল্টে ছোটো রাণীকে প্রশ্ন করে।
