জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ফুলকি’ (Phulki) দিনে দিনে রহস্যের মোড় ঘুরিয়ে দর্শকদের আগ্রহ বাড়িয়েই চলেছে। রাজপরিবারের পুরনো স্মৃতি, নতুন শত্রু আর অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব – সব মিলিয়ে প্রতিটি পর্বেই উত্তেজনার পারদ চড়ছে। আজকের পর্বে একদিকে যেমন উঠে এল রাজার মৃত্যুর আসল কারণ নিয়ে সন্দেহ, তেমনই ছোট রানীর এক চালচিত্র বদলে দিতে পারে ফুলকির জীবন!
আজকের পর্বের শুরুতেই দেখা যায়, লাবণ্য রুদ্রকে দেখতে যান সংশোধনাগারে। কিন্তু তাঁকে জানানো হয়, রুদ্র ভীষণ অসুস্থ এবং কারও সঙ্গে দেখা করতে পারবে না। বাড়ি ফিরে লাবণ্য সব কথা জানালে ফুলকির মনে সন্দেহ দানা বাঁধে। রুদ্র কি সত্যিই অসুস্থ? নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে অন্য রহস্য?

তমাল কাজে বেরোতে যাওয়ার সময় ফুলকি তাঁর হাতে বড় রানীর ওষুধ দিয়ে বলে, এগুলো পরীক্ষা করে দেখতে। কারণ রানীমা সুস্থ থাকলেও ওষুধ খাওয়ার পরই তিনি দুর্বল হয়ে পড়েন। এই সন্দেহ থেকেই বড় রানীর শরীর খারাপের আসল কারণ জানার চেষ্টা শুরু হয়। তমাল চিন্তিত হলেও ফুলকি তাঁকে বোঝায় ধানুকে নিয়ে চিন্তা না করতে – কারণ আদিত্য সব সামলাবে।
ছোট রানী এবার ছদ্মবেশে একজন ডাক্তারকে দেখতে যান এবং বড় রানী ও ফুলকির ডিএনএ পরীক্ষা করানোর ব্যবস্থা করেন। তিনি রক্তের নমুনাও জমা দিয়ে আসেন। এতদিন যাঁদের সম্পর্ক রহস্যে ঢাকা ছিল, এবার সেই সত্য সামনে আসার সম্ভাবনা। যদি ডিএনএ মিলে যায়, তাহলে কি বড় রানীই ফুলকির আসল মা?
পর্বের শেষভাগে স্বাগতা ম্যাডামের ফোনে জানা যায়, সীতারামের মৃত্যু হয়েছে বিষক্রিয়ায়। প্রসাদ নিয়ে গিয়েছিল তাঁর ছেলে, কিন্তু তদন্তে উঠে আসে – সে আসলে ফাঁসানো হয়েছে। ফুলকি ও রোহিত স্বাগতার সঙ্গে তদন্তে গেলে বোঝা যায়, কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই খুন করেছে। তাহলে কি খুনি রয়েছেন রাজপরিবারেরই কারও মাঝে?
আরও পড়ুনঃ বড় রানীর অসুস্থতা ছোট রানীর চক্রান্তের ফল! রাজবাড়ির অন্দরের ভয়ংকর রহস্য ফাঁ’স করতে পারবে তো ফুলকি?
এই পর্বে যেমন ধীরে ধীরে উন্মোচিত হচ্ছে অতীতের চাপা সত্য, তেমনই ফুলকি-রানীমার সম্পর্ক এবং রাজার মৃত্যুর পেছনে থাকা কারণ দর্শকদের মনে নতুন প্রশ্ন তুলছে। আগামী পর্বে ডিএনএ রিপোর্ট কী বলবে, রুদ্র আদৌ সত্যি অসুস্থ কিনা, আর সীতারামের মৃত্যুর পেছনে আসল দোষী কে – সেটাই দেখার অপেক্ষা!
