জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ফুলকি’ (Phulki) এখন চরম উত্তেজনায় ঠাসা। রাজবাড়ির চক্রান্ত, ডিএনএ টেস্ট, আর রহস্যময় ঘুমের ওষুধ ঘিরে একের পর এক নাটকীয় মোড় নিচ্ছে গল্প। ফুলকির পরিচয় প্রমাণের লড়াইয়ে ছোট রানী এবার নেমেছেন সরাসরি ময়দানে, আর সেই পথেই বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে রুদ্র ও তাঁর ঘৃণা। একদিকে ফুলকির উপর ষড়যন্ত্র, অন্যদিকে রোহিতের উদ্বেগ—সব মিলিয়ে জমে উঠেছে গল্প।
গত পর্বের শুরুতেই দেখা যায়, ছোট রানী রুদ্রর জন্য রকমারি খাবার নিয়ে আসেন। রুদ্র তা দেখে বেজায় খুশি হয়। কিন্তু এরপর ছোট রানী জানিয়ে দেন, ফুলকি বড় তরফের সন্তান—এই দাবির প্রমাণ শুধু কাগজে সম্ভব নয়, তাই ডিএনএ টেস্টই একমাত্র উপায়। যদিও ডিএনএ পরীক্ষার জন্য কীভাবে রক্ত জোগাড় করতে হয়, সে বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। রুদ্রই জানায়, নখ, চুল বা রক্তের মাধ্যমে তা সম্ভব। ছোট রানী এই দায়িত্ব তুলে দেন রুদ্রর কাঁধে।

পরেরদিন সকালে ফুলকি বড় ঘরে গিয়ে বড় মাকে ডাকাডাকি করেও তুলতে পারে না। বড় রানী জানান, তাঁর খুব ঘুম পাচ্ছে। ফুলকির মনে পড়ে শালিনী তাঁকে যেভাবে ওষুধ খাইয়ে নিস্তেজ করে রাখত, ছোট রানীও হয়তো বড় মাকে তাই খাওয়াচ্ছেন। বড় রানীর ঘরে ঘুমের ওষুধের গন্ধ ছড়িয়ে দেন ছোট রানী, ফলে ফুলকি সেও ঘুমিয়ে পড়ে। সেই সুযোগে রুদ্র ঘরে ঢুকে দুজনের রক্ত নিয়ে নেয়। কিন্তু রোহিত খোঁজ করতে করতে সেখানে পৌঁছতেই রুদ্র লুকিয়ে পড়ে খাটের নিচে।
আজকের এপিসোডে দেখা যাবে, বড় রানী কেন হঠাৎ করে ঘুমিয়ে পড়েন, তা নিয়ে সন্দেহ জাগে ফুলকির মনে। সে রাজবাড়ি থেকে বড় রানীর ওষুধ নিয়ে আসে এবং সেটি তমালকে দিয়ে পরীক্ষা করতে বলে। তমাল ওষুধের গন্ধ ও গঠন দেখে চমকে ওঠে, আর বলে, “আমরা কি ধানুকে ভুল জায়গায় বিয়ে দিয়ে ফেলেছি?” এই মন্তব্যই উসকে দেয় নতুন রহস্য।
আরও পড়ুনঃ ফুলকিকে মা’রতে চলল ভন্ড বাবাজি! রুদ্রকে হাতেনাতে ধরলো রোহিত! ছোটো রাণীর জারিজুরি শেষ!
একটার পর একটা রহস্য ঘিরে রাজবাড়ির বাতাসে তৈরি হয়েছে উত্তেজনা। ফুলকি কি পারবে বড় রানীকে রক্ষা করতে? রুদ্রর আসল মুখোশ কি অবশেষে খুলে যাবে? আর আদিত্য কেন ফিরল এই মুহূর্তে? জানতে চোখ রাখুন জি বাংলার ‘ফুলকি’-র আগামী পর্বে।