পুরনো সব সত্যি যেন একসাথে মাথা চারা দিয়ে উঠেছে, এমনটাই মনে করছে হারহাইনেস। জি বাংলার ফুলকি ধারাবাহিকত পর্বে দেখা গেছে, রোহিতরা থানা থেকে ফিরে এসেছে বাড়িতে কিন্তু, তাও ফুলকি এই রাজাবাবুর মৃত্যু রহস্যের অঙ্ক কিছুতেই মেলাতে পারছে না। এমন সময় রোহিত জিজ্ঞাসা করে তাঁকে কি এক্ষুনি সবকিছু নিয়ে আলোচনা করতে হবে? ফুলকি বলল হ্যাঁ।
ফুলকির মনের সন্দেহ এবং সংশয় দূর করতে রোহিত একটা বোর্ড নিয়ে আসে। তারপর, রীতিমতো ছক কোষে হিসাবে করতে থাকে চৌধুরী মহলের দুই রানী থাকা সত্ত্বেও এক রানীর ভাড়ার পরিপূর্ণ থাকলেও আরেক রানীর ভাড়ার একেবারেই শূন্য অর্থাৎ কষ্টে ভরপুর। এমন সময়তেই চলে আসে স্বাগতা দিদির ফোন আর বলে সেই সময়ের লরি ড্রাইভার এর নাম খুঁজে পাওয়া গেছে। নাম মোহন সিং।

অন্যদিকে আবার দেখা যায়, ছদ্মবেশে ছোট রানী মা পৌঁছে গেছে নবাবগঞ্জের থানায়। রুদ্রর সঙ্গে দেখা করে হারহাইনেস সমস্ত সত্যিটা জানতে চায়। তবে, রুদ্রও ধূরন্ধর, সে সহজেই কখনো সব সত্যিটা রানী মাকে অনায়াসে বলবে না। কিন্তু এদিকে রাণীমা মনে মনে ভাবছে রুদ্র চৌধুরী মহলের ভিতরের কথা কিভাবে জানতে পারলো কিন্তু আবার পুরোপুরি অবিশ্বাসও করতে পারছে না তাকে। কারণ রুদ্র যে চিরকুট টা দেখিয়েছে, তা চৌধুরী বংশের সকল সন্তানদের গলায় থাকে।
এমন সময় রুদ্র ছোট রানীমাকে বলে তাকে জেল থেকে বেরোনোর ব্যবস্থা করে দিলে তাকে সব সত্যিটা বলে দেবে। অন্যদিকে, ফুলকিরা লরি ড্রাইভার এর নাম জানা মাত্রই তড়িঘড়ি করে বেরিয়ে পড়ে তার বাড়ির উদ্দেশ্যে। এদিকে আবার হাডরহাইনেস মনে মনে ভাবছে, কোথা থেকে পুরনো শত্রুরা একসঙ্গে বদলা নেওয়ার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে? কী চাইছে নৃসিংহ দেব? এমন সময় বাড়িতে এসে হাজির হয় লরির মালিক সীতারাম চৌবে।
সীতারাম ছোট রানী মা কে জানায় তাকে নতুন এসপি থানায় ডেকে পাঠিয়েছিল সেই ২৪ বছর আগেকার বড় রাজার হত্যার জন্য। আর, থানায় গিয়ে তাকে কি কি জিজ্ঞাসা করা হয় থেকে শুরু করে কাদেরকে দেখতে পায় সমস্তটাই খুলে বলে রাণীমাকে। এরপর রানী মা তাকে বলে চলে যেতে এবং বাকিটা তিনি সামলে নেবেন বলে আশ্বাস দেন। এরপর, সীতারাম বাড়ি গিয়েই মোহনকে ফোন করে এই কেসের ব্যাপারে সতর্ক করে দেয়।
আরও পড়ুনঃ ছদ্মবেশ ধরল ছোটো রাণী! বিরাট রহস্য ফাঁস করলো রুদ্র! ফুলকির সামনে নতুন বিপদ!
এদিকে আবার দেখা যায় ফুলকিরা পৌঁছে গেছে সেই লরি ড্রাইভার অর্থাৎ মোহন সিং-এর বাড়ি। অনেক ডাকাডাকির পর দরজা না খুলতে ধাক্কা দিয়ে দরজা খুলে ভেতরে ঢোকে রোহিতরা। এরপরেই, খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। এমন সময়, ফুল কিভাবে চোখে মুখে জল দিলে হয়ত কিছুটা হলেও ভালোভাবে চিন্তা ভাবনা করতে পারবে। কিন্তু, বাথরুমে গিয়ে দেখে কলে জল নেই। তাই, মোহনের বউকে পাম চালাতে বললেও সে চালায় না আর এই ঘটনাকেই সন্দেহ করে ফুলকিরা। এরপর, ছাদে গিয়ে দেখে ট্যাংকের ভেতর লুকিয়ে রয়েছে মোহন সিং। অবশেষে কয়েকটা ঘুষি মারাতে মহান রাজি হয় সবকিছু সত্যি বলতে।
এই সিরিয়ালের আগামী পর্বে দেখা যাবে, ফুলকি লাবুর থেকে জানতে পারে রুদ্র যে সংশোধনগারে রয়েছে সেখানে আগুন লেগেছে। এই শুনেই ফুলকিরা সঙ্গে সঙ্গে রওনা দেয় সংশোধনাগারের উদ্দেশ্যে।
