রায়চৌধুরী বাড়িতে চলছে ধানুর বিয়ের তোড়জোড়। কিন্তু এদিকে ফুলকি ব্যস্ত তার বাবাকে গুন্ডাদের হাত থেকে রক্ষা করতে। জি বাংলার ফুলকি ধারাবাহিকের গত পর্বে দেখা গেছে, ইতিমধ্যেই বাসনওয়ালি সেজে শিবুগুন্ডার বাড়ির এলাকায় হাজির হয়েছে ফুলকি। আর সেখানেই ছল-কৌশলে শিবুর বাড়িতে ঢুকে তার মায়ের সঙ্গে বেশ আলাপ জমিয়ে ফেলে।
এমন সময়, ফুলকি ফন্দি এঁটে শিবুর মাকে বলে পাশের এক পাড়ায় ভালো এক পাত্রী রয়েছে। চাইলে সে ছেলের জন্য সম্বন্ধ করতে পারে। এমন শোনা মাত্রই শিবুর মা খুবই আগ্রহ সহকারে সেই পাত্রীকে দেখতে চায় এবং ফোন নাম্বারও নিয়ে ফেলে। এরপর মনে মনে ফুলকি ভাবে, বিয়ে পাগলা শিবু নিশ্চয়ই এই কারণ জেনে একবার না একবার গর্ত থেকে বেরোবেই।

এরপর ফুলকি শিবুর বাড়ি থেকে বেরিয়ে প্রথমেই দিদিকে ফোন করতে যায় কিন্তু তাকে না পাওয়ায় তমালকে ফোন করে সমস্তটা বলে। আর, ফুলকির ফোন কাটতে না কাটতেই ঝিনুকের মোবাইলে ফোন চলে আসে শিবুর মায়ের। তবে, শিবুর মায়ের কথা শুনে কিছুই বুঝতে পারছে না ঝিনুক। এমন সময় ঝিনুকের হাত থেকে ফোন নিয়ে তমাল কথা বলে আর জানায় আগামীকাল মেয়েকে নিয়ে যাবে পাত্রের বাড়িতে।
এমন সময় কিছু না বুঝে শুনেই তমালের ওপর রেগে গিয়ে তাঁকে লাঠি দিয়ে মারতে থাকে ঝিনুক। যথারীতি এরপর ফুলকি আসায় সমস্তটা স্পষ্টভাবে দুজনকেই বুঝিয়ে দেয় ফুলকি। অন্যদিকে ফুলকি রাজমহলের থানায় তমালকে নিয়ে হাজির হয় পুলিশ অফিসারের সঙ্গে দেখা করার জন্য। এরপর তারা কিভাবে শিবু গুন্ডাকে নিজেদের জালে ফাঁসাবে তা নিয়ে ভালো করে আলোচনা করে নেয়।
এদিকে আবার দেখা যায় লুকিয়ে থাকা শিবু গুন্ডা চৌধুরী মহলের সিক্রেটারীর কথা মত কাজ করতে থাকে। এমন সময় শিবুকে ফোন করে তার মা আর বলে, তার জন্য একটা ভালো পাত্রী দেখেছে। এই শোনা মাত্রই বিয়ে পাগলা শিবু শত বারণ থাকা সত্ত্বেও বাড়িতে গিয়ে পাত্রী দেখার জন্য উদগ্রীব হয়ে পড়ে।
আরও পড়ুনঃ ডাক্তারি-ক্রিকেট ছেড়ে অভিনয়! রিল থেকে রিয়েল জীবন নিয়ে খোলামেলা আড্ডায় ‘পরিণীতা’র পারুল-রায়ান!
এরপর দেখা যায়, পরের দিন কথামত ছদ্দবেশী ফুলকি তমাল এবং ঝিনুককে নিয়ে হাজির হয়েছে শিবু গুন্ডার বাড়িতে। কথায় কথায় তমাল অর্থাৎ পাত্রীর বাবা পাত্রকে দেখতে চায়। কিন্তু বাড়িতে পাত্র না থাকায় রেগে গিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় আচমকাই বাড়িতে এসে হাজির হয় শিবু। এই ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, পুলিশে ধরল ফুলকি।
