একের পর এক বক্সিং টুর্নামেন্টের লড়াই জিতে ফুল কি আজ পৌঁছেছে সেমিফাইনালে। এমনকি সেখানেও জয় ছিনিয়ে এনেছি ফুলকি, ট্রফি যেনো কড়া নাটছে তাঁর দরজায়। জি বাংলার ফুলকি ধারাবাহিকের গত পর্বে দেখা গেছে, সাংবাদিকদের কাছে খুব সহজেই সাক্ষাৎকার দিতে অভ্যস্ত হয়ে গেছে ফুলকি। আর এই দেখে মনে মনে গর্ববোধ করছে রোহিত।
এদিকে, ফুলকির সাক্ষাৎকার নেওয়ার সময় এক কোণে বসে ছদ্মবেশী শালিনী তাঁর সমস্ত কথাই শুনছি এবং মনে মনে রাগে ফুসছে। এমন সময় দেখা যাচ্ছে গেমস ভিলেজ এর ম্যানেজমেন্টের শিল্পা যে কিনা রয়েছে ফুলকির ডায়েটের তত্ত্বাবধানে, তাঁর মা মাঝে মাঝে ফোন করছে টাকার জন্য। এই বিষয়টা শালিনী দুঃখ করলেও এড়িয়ে যায়। এরপর শালিনী মনে মনে ভাবতে থাকে কিভাবে সে ফুলকিকে জেতার হাত থেকে রুখতে পারে?

অন্যদিকে আবার প্রবল অনুশীলন এবং অধ্যাবসায়ের মধ্য দিয়ে ফুলকি জিতে যায় সেমিফাইনালের ম্যাচ। নবাবগঞ্জসহ ভারতের চারদিকে জয়জয়কার হতে থাকে ফুলকির নাম। এমনকি, রুদ্র জেলে বসেও শুনতে পায় ফুলকির জয়ধ্বনি। এই শুনে তাঁর বেশ রাগও হতে থাকে আর মনে মনে ভাবতে থাকে, এমনকি কেউ নেই যে ফুলকির জেতা থেকে আটকাবে?
এমন সময় দেখা যায় পুলকির সেমিফাইনালে জয়ের জন্য আনন্দের মরসুম তৈরি হয়েছে নবাবগঞ্জে। লাবু ফুলকিকে ভিডিও কল করে সবটা দেখাচ্ছে, হই হুল্লোড়ে মাতোয়ারা রায় চৌধুরী বাড়ি পরিবার। এই দেখে ফুলকির কোচ অর্থাৎ রোহিত এসে বেশ গম্ভীর গলায় বলে, আগে ফুলকি ফাইনালে জিতুক তারপরে সব আনন্দ হবে।
অন্যদিকে দেখা যায় সংশোধনাগারে রুদ্র সঙ্গে দেখা করতে এসেছে এক বিদেশী সাংবাদিক। মনে মনে রুদ্রভাবে সে কি এতটাই বিখ্যাত? যে একজন বিদেশী সাংবাদিক তার সাক্ষাৎকার নিতে এসেছে। কথা বলতে গিয়ে দেখে শালিনী বিদেশি সাংবাদিকের ছদ্মবেশে গিয়ে রোহিতের সাথে দেখা করছে যাতে তাঁর থেকে কিছু প্ল্যান নিতে পারে ফুলকিকে আটকাবার জন্য। রুদ্র সঙ্গে কিছুক্ষণের মধ্যে কথা বলি বেরিয়ে যায় শালিনী।
এদিকে, ফাইনাল ম্যাচের আগের দিন ফুলকির ওজন মাপা হয়। দেখা যায় কাঁটায় কাঁটায় একেবারে সঠিক ওজনেই রয়েছে ফুলকি। এই দেখে খানিক হলেও স্বস্তি পায় রোহিত আর বলে আগামীকাল অব্দি এই ওজনটাই ধরে রাখতে হবে তাকে। এরপর রোহিত কথায় কথায় নিজের সময় তার নানান ধরনের স্মৃতিচারণা করতে থাকে ফুলকির সঙ্গে। ফুলকিও তাঁকে আশ্বস্ত করে, তাঁর স্যারের সব স্বপ্নপূরণ করবে সে। আড়াল থেকে সবটাই শুনতে পায় শালিনী আর মনে মনে বলে সে কখনোই ফুলকির স্বপ্নপূরণ হতে দেবে না। আরও বলে, রোহিত আবারও সবার সামনে হেরে যাবে।
আরও পড়ুনঃ দাদুর হত্যাকারীকে খুঁজে পেল তূর্য! তার প্রথম নিশানা এবার রায়ান! তবে কি এবার তূর্যর হাতেই শেষ হবে বসু পরিবার?
এরপর আবার যথারীতি গেমস ভিলেজে শালিনী শিল্পার সমস্যার কথা বুঝতে পেরে সুযোগ বুঝে তাঁকে টাকার লোভ দেখায় আর বলে, ঘরে এসে দেখা করার জন্য। এরপর, ম্যাচ স্টাডি করার সময় শিল্পা ফুলকির খাবার আনে এবং তাঁকে খেতে বলে। এদিকে, মনে মনে ফুলকির জন্য খারাপও অনুভূতি হতে থাকে শিল্পের, তাই সে দৌড়ে বেরিয়ে যায়।
এই ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, ফুলকি নিজের ওজন মাপতে গিয়ে দেখে এক কেজি বেশী দেখাচ্ছে। এই দেখে নিশ্চিন্তায় পড়ে যায় ফুলকি ও রোহিত। ফুলকি রোহিত কে বলে এবার তো সে ম্যাচ থেকে বাদ পড়ে যাবে। কিন্তু তারপরেই মনের মধ্যে অদম্য জেদ নিয়ে ফুলকি বলে, ‘আমি পারবো স্যার আর ফাইনাল ম্যাচেও জিতব’।
