কলেজে প্রমাণ নিয়ে হাজির পারুল। র্যাগিংয়ের প্রমাণ লোপাট করে আত্মবিশ্বাসী রায়ান পারুলকে নানান ভঙ্গির মাধ্যমে কথা শোনালেও অবশেষে নিজের ফাঁদেই পা দেয় রায়ান। জি বাংলার ‘পরিণীতা’ (Parineeta) ধারাবাহিকে দেখা যাচ্ছে প্রমাণ নিয়ে কলেজে উপস্থিত হলেও পারুল মুখে কুলুপ এঁটে থাকে।
পারুল DM স্যারের কাছে গিয়ে প্রাথমিকভাবে ওঙ্কারের উপর হওয়া অত্যাচারের কথা বললেও স্যার বিশ্বাস করতে চায়নি। এই দেখে রায়ান ও তার বন্ধুরা পারুলকে বলে যে, তাঁর কাছে কোনোকিছুই নেই প্রমাণ করার জন্য। তবে কিভাবে রায়ানদের দোষী সাব্যস্ত করবে পারুল? এমন সময়ে ফোন থেকে রায়ানের মুছে দেওয়া সমস্ত ভিডিও স্যারকে দেখায় পারুল।

এই দেখে অবাক হয়ে যায় রায়ান-শিরিনরা। এরপরেই DM স্যার অসম্ভব বকাবকি করতে শুরু করে রায়ানদের। এমনকি, তাঁদেরকে কলেজ থেকে বের করে দেওয়ারও চিন্তাভাবনা করে কলেজ কর্তৃপক্ষ। এই সময় ওঙ্কার এবং পারুল বলে, তাঁদের যেনো উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হয়। রায়ানদের না বের করে দিয়ে তাঁদের যেনো সাসপেন্ড করে দেয়, এমনটাই স্যারকে বলে পারুল।
আরও পড়ুনঃ রুদ্রর দিন শেষ! সবার সামনে বো’ম ফাটালো ফুলকি! খুলে গেল রুদ্রর মুখোশ!
অন্যদিকে, তুর্য আবার টগরের সঙ্গে ঝিল পারে দেখা করে এবং তাঁকে ফোন উপহার দেয়। এতকিছু করার পরেও তুর্য মনে মনে ভাবে, সে প্রথম পারুলের প্রেমেই পড়েছিল। তাঁর জন্য সবকিছু করতে পারে তুর্য।এদিকে, আবার দেখা যায় DM স্যারের ঘর থেকে বেরিয়ে এসে ওঙ্কার পারুলকে ধন্যবাদ জানানোর সময় তাঁকে হাত ধরে টেনে নিয়ে যায় রায়ান। বিভিন্ন তর্ক বিতর্কের মাধ্যমে ঝগড়া লাগে পারুল-রায়ানের মধ্যে।
এই ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, কলেজ থেকে DM স্যারের পাঠানো চিঠি পিয়ন বসু বাড়িতে পৌঁছে দিতে যায়। এই সময় পিয়নের হাত থেকে চিঠি নিয়ে নেয় পারুল এবং দায়িত্ব নেয় সে যে কোনোভাবেই চিঠি দাদুর হাতে পৌঁছে দেবে। অন্যদিকে, বাড়ির দরজা আগলে বসে মল্লার-রায়ান। যাতে কোনো চিঠিই যেনো বাড়িতে ঢুকতে না পারে।
