জি বাংলার ‘ফুলকি’ (Phulki) ধারাবাহিকে চলছে কেবলই এখন বেঁচে থাকার লড়াই। রায় চৌধুরী পরিবারের একটা উদ্দেশ্য, রুদ্ররূপ সান্যালের মুখোশ টেনে ছিঁড়ে ফেলা। এই সিরিয়ালের আগামী পর্বে দেখা গেছে, বড়মা গেছে এক বাড়িতে রান্নার কাজ করতে। আর সেখানে গিয়েই তাঁর অজান্তেই সেই বাড়ির সদস্যের পাতা ফাঁদে পা দিয়ে ফেলে।
লোকের বাড়িতে কাজ শুরু করতে না করতেই গয়না চুরির দায়ে জেল হতে যাচ্ছিল বড়মার। ভাগ্যবশত, ছদ্দবেশে ফুলকি ও রোহিত ঠিক সময় মত গিয়ে তাঁকে বিপদের হাত থেকে বাঁচিয়ে নেয়।

এরপর কোনরকমে সেখান থেকে বেরিয়ে ফুলকি ও রোহিত লাবুদের কাছে বড়মাকে নিয়ে আসে। এমন সময় সমস্ত ঘটনা খুলে বলতেই লাবুরা অবাক হয়ে যায়। রোহিত ফুলকিসহ লাবু এবং বাকিরা সবাই বলতে থাকে তাঁদের বড়মাকে কতটাই না অপমান সহ্য করতে হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ বিপদের পর বিপদ! এক বন্ধুকে বাঁচাতে গিয়ে বোনের জীবনে বিপদ আসন্ন! কিভাবে এর সুরাহা করবে পারুল?
এমন সময় ফুলকি সবাইকে নিজের মনের রাগ চেপে রাখার কথা বলে এবং সময় আসলে সবাই যেনো সেই রাগ রুদ্রর ওপরে বের করতে পারে। বড়মা বলে ওঠে, ‘এই প্রথমবার আমি ফুলকির সঙ্গে সহমত হলাম’। বড়মা আরও বলে, সরকার বাড়ি তাকে যা অপমান করেছে, তার থেকে দ্বিগুণ কষ্ট পেয়েছে রুদ্রর ব্যবহারে। এসব কিছুর মধ্যেই বড়মা এখন ফুলকির মধ্যে সমস্ত দূরত্ব নিতে গিয়েছে।
ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, রোহিত সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে প্রেস মিডিয়া সকলকে চৌধুরী বাড়িতে ডেকে ক্যামেরার সামনে নাটকীয়তার সঙ্গে বলছে লাবু নাকি রাজনৈতিক দলের সমস্ত দায়িত্ব তার ওপর দিয়ে গেছে। রায়চৌধুরী পরিবারের অধিকাংশ সদস্যদের আত্মার শান্তি কামনা করার সময় নিজেদের আসল রূপে বাড়িতে ঢুকে আসে ফুলকি-রোহিতরা। তবে কি এবার হাতেনাতে ধরা পড়বে রুদ্র?
