জি বাংলা( Zee Bangla )র ফুলকিতে ( Phulki ) দেখা যাচ্ছে ফুলকির ওপর ক্রমশ রেগে যাচ্ছে রুদ্র। খেলার ছলে ফুলকি যে ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে ঘুষি মেরেছে সেটা সে বুঝতে পারে আর সে মনে মনে প্রতিজ্ঞা করে খুব শীঘ্রই ফুলকির শেষ দেখে ছাড়বে সে। অন্যদিকে রোহিত রুদ্রর হাবভাব দেখে ভয় পেয়ে যায়, সে বুঝতে পারে রুদ্র রেগে যাচ্ছে, ফুলকিকে নিয়ে সে চিন্তায় পড়ে যায়।
ফুলকি আজকের পর্ব ৪ অক্টোবর (Phulki today full episode 4 অক্টোবর)

আজকের পর্বে দেখা যায় ফুলকি কেয়ারটেকারের সাথে কথা বলে এবং জানতে চায় ভূতের ব্যাপারটা আসলে কী? কেয়ারটেকার তখন বলে এটা কোন গল্প নয়, মালিকপক্ষের একজন আত্মহত্যা করেছিল ওই ঘরে। এরপর ফুলকি সেই ঘরের চাবি চায় আর কেয়ারটেকার সেই চাবি ফুলকিকে দিয়ে দেয়। এরপর ফুলকি ঘরে ঢুকে পড়ে।
কিন্তু সেই ঘরে ঢোকার পরেই ভুতুড়ে সমস্ত কাণ্ডকারখানা হতে থাকে। ঘরের সমস্ত জিনিসপত্র উড়তে থাকে, দরজা আচমকা বন্ধ হয়ে যায়। ফুলকি রীতিমত জয় মা কালী জয় মা কালী বলতে বলতে থরথর করে কাঁপতে কাঁপতে উল্টে পড়ে যায়। অন্যদিকে দেখা যায় যে এই পুরো ঘটনাটাই রুদ্র এবং কেয়ারটেকার এর পরিকল্পনা করা।
ঘরের বাইরে দাঁড়িয়ে থেকে তারা ফ্যান চালিয়ে ভেতরে ভুতুড়ে পরিবেশ তৈরি করছিল আর ফুলকি অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার পর তালা চাবি দিয়ে রুদ্র আর কেয়ারটেকার সেখান থেকে চলে যায় রুদ্র বলে আমি বাড়ির বাইরে চলে যাচ্ছি। তুমি রান্না ঘরে চলে যাও, কেউ জিজ্ঞেস করলে বলবে, আমরা কেউ কেউ কিছু জানি না ফুলকি কোথায়। অন্যদিকে রোহিত, তমাল, ধানু ফুলকিকে খুঁজতে তাকে আর ফুলকিকে খুঁজে না পেয়ে চিন্তা করে। কেয়ারটেকারকে ফুলকির বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে সে মিথ্যে কথা বলে দেয়।
আরও পড়ুনঃ শ্যামলীর পাশে অপরাজিতা! নির্দোষ প্রমাণিত হবে তো অনিকেতকে!
কিন্তু রুদ্রর সমস্ত পরিকল্পনায় জল ঢেলে দেয় পায়েল। আসলে ফুলকি যখন কেয়ারটেকারের সাথে কথা বলছিল তখন দূর থেকে সবটা দেখে নেয় পায়েল এমনকি ফুলকিকে চাবি দেওয়ার বিষয়টাও সে লক্ষ্য করে। সে সবাইকে সবটা জানিয়ে দেয়। রোহিত কেয়ারটেকারকে মারতে মারতে নিয়ে যায় সেই ঘরে যেখানে ফুলকি পড়ে আছে। তাহলে বোঝা যাচ্ছে পায়েলের জন্যই এবার রুদ্র পরিকল্পনা মাঠে মারা যাবে! এরপর কি আরও হিংস্র হয়ে উঠবে রুদ্র?
