আর জি কর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসককে খু’ন এবং ধ’র্ষণের কাণ্ডে উত্তাল হয়ে উঠেছে সারা বাংলা। এক মাস অতিক্রান্ত হলেও থামেনি প্রতিবাদ। প্রত্যেকদিন বিচারের দাবিতে রাস্তায় নামছে সাধারণ মানুষ। তাদের সাথে পা মিলিয়েছেন অনেক সেলিব্রেটিরাই। এই ঘটনার প্রথম দিন থেকেই যারা প্রতিবাদ করছেন তাদের মধ্যে রূপা গাঙ্গুলী অন্যতম। তবে এখন তাকে অভিনেত্রী না বলে বিজেপি নেত্রী বলাই ভালো। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খুললেন রূপা গাঙ্গুলী। আক্রমণ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেও।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘উৎসবে ফিরুন পুজোয় ফিরুন’ মন্তব্যে বিতর্কের ঝড় বয়ে গেছে। এই প্রসঙ্গতেই রুপা গাঙ্গুলী জানান, তিনি ব্যক্তিগতভাবে মনে করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিগত কয়েক বছরে ‘মায়ের আরাধনা’কে উৎসবে পরিণত করেছেন। বরাবর সেখানেই তার আপত্তি। তিনি আরও বলেন যে পুজোয় মানুষ যে যেমন ভাবেই উদযাপন করুক না কেন সবার মনে একটাই দাবী থাকবে সেটা হল ‘অসুর ব’ধ’ এর দাবী।
রূপা গাঙ্গুলীকে বলতে শোনা যায় যে এই বর্তমান পরিস্থিতিতে সবার চোখেই জল, একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া। তিনি বলেন, ” তার চোখে জল নেই, তার চোখে কষ্ট নেই ,কোন অনুভূতি নেই , কোনও লজ্জাও নেই”। রূপা গাঙ্গুলী এও জানান অভয়ার মৃ’ত্যু নিয়ে মিথ্যা কথা বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজ্যে ঘটা সমস্ত নারী নি’র্যাতনের ঘটনায় কটু উক্তি করার অভ্যাস রয়ে গেছে বলেই তিনি এবারেও মিথ্যা কথা বলে চলেছেন।
রূপা গাঙ্গুলীকে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে শোনা গেল। তিনি বলেন অভায়া চিরতরে ঘুমিয়ে গিয়ে জাগিয়ে দিয়ে গেল সারা বাংলাকে। তিনি আরো বলেন মানুষের এই রাগ শুধুমাত্র এই ঘটনা কি ঘিরে নয়, দীর্ঘদিন হয়ে চলা অবিচারের জন্য তৈরি হওয়া ক্ষোভই মানুষকে রাস্তায় টেনে এনেছে। রূপা গাঙ্গুলীকে একথাও বলতে শোনা গেল যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে বাঁচানোর জন্য জনগণের টাকা খরচ করে নামিদামি উকিল ঠিক করে বাঁচাতে চাইছেন অভিযুক্তদের। শুধু এই না প্রত্যেকদিন উকিলের ভান্ডার বসিয়ে কোটি কোটি টাকা খরচ করছেন মুখ্যমন্ত্রী, বলতে শোনা যায় রূপা গাঙ্গুলীকে রূপা গাঙ্গুলি সবার সামনে প্রশ্ন রাখেন যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আদেও সঠিক বিচার চান কিনা।
আরও পড়ুন: নিজের অন্যায় ঢাকতে গিয়ে ফেঁ’সে গেলো রুদ্র! ঘুষ দিতে গিয়ে ফুলকির কাছে ধরা পড়ল সে!
আন্দোলনকারীদের কি মেরে আন্দোলন বন্ধ করতে চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই প্রসঙ্গে রূপা গাঙ্গুলী বলেন, ‘শুধু তো আজকে নয় অনেকদিন ধরেই আমরা মার খাচ্ছি, আমাকে তো পুলিশই চুলের মুঠি ধরে মেরেছিল’। সেই ঘটনার প্রসঙ্গেই রূপা গাঙ্গুলীকে বলতে শোনা যায় যে ডায়মন্ড হারবারে পুলিশের ওসি দাঁড়িয়ে থেকে মার খাইয়েছিলেন রূপা গাঙ্গুলীকে। তিনি জানান মহিলা পুলিশ দিয়েই তাকে মারা হয়। সেই মারের ফলে ক্রপাঙ্গুলির একাধিক ব্রেন হেমারেজ হয়। এই প্রসঙ্গেই রূপা গাঙ্গুলীকে বলতে শোনা যায় যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি সব রকমের মানবিকতায় হারিয়ে ফেলেছেন। এখন বর্তমানেও মুখ্যমন্ত্রীর সেই দিকটি বুঝতে পারছেন সকলে।
