জি বাংলার (Zee Bangla) অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে একটি হল ফুলকি (Phulki)। শুরুর সময় থেকেই ফুলকি দর্শকদের মনে ব্যাপক ভালোবাসা জায়গা তৈরি করে নিয়েছে। টিআরপি তালিকায় তাই প্রতি সপ্তাহেই প্রথম দিকে দেখা যায় এই ধারাবাহিক নাম। ধারাবাহিকে দুই কেন্দ্রীয় চরিত্র ফুলকি এবং রোহিতের ভূমিকায় অভিনয় করছেন নবাগতা অভিনেত্রী দিব্যানী মন্ডল ও অভিনেতা অভিষেক বোস। অভিষেককে এর আগে বিভিন্ন ধারাবাহিককে অভিনয় করতে দেখা গেলেও দিব্যানী ধারাবাহিক জগতে একেবারেই নতুন মুখ। এটাই তার প্রথম ধারাবাহিক। আর প্রথম ধারাবাহিকের মাধ্যমে দর্শকদের মন ব্যাপকভাবে জিতে নিয়েছে সে।
ধারাবাহিকের আগের পর্বে দেখানো হয়েছে ফুলকি তার বড় জা পারমিতার আবার বিয়ে দিয়েছে। বাড়ির সকলের অনুমতি থাকলেও সেই বিয়েতে আপত্তি ছিল পারমিতার শাশুড়ি অর্থাৎ রোহিতের জেঠি হৈমন্তীর। তিনি কখনোই চাননি তার পুত্রবধূর আবার বিয়ে হোক। আসলে বিয়ের কয়েক বছরের মাথাতেই পারমিতা স্বামীহারা হয়, অল্প বয়সেই বিধবা হয় পারমিতা। তাই পারমিতাকে আবার একটা নতুন জীবন দিতে ফুলকি এবং পরিবারের বাকি সদস্যরা অংশুমানের সঙ্গে বিয়ে দেয় পারমিতার। পারমিতা এবং অংশুমান একে অপরের সাথে পুরো পরিচিত, তাই তাদের মধ্যে ভালোলাগার সম্পর্ক তৈরি হতে বেশি সময় লাগেনি। কিন্তু এই বিয়ে মেনে নিতে একেবারেই নারাজ হয় হৈমন্তী দেবী। যার কারণে রায়চৌধুরী বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যায় তিনি এবং নিজের মেয়ে লাবণ্যর বাড়িতে গিয়ে ওঠে।

ফুলকি আজকের পর্ব (Phulki Today’s episode 11 September)
ফুলকির আজকের এপিসোডে আপনারা দেখতে পাবেন কিভাবে বাড়ির সকল সদস্যরা চেষ্টা করছে হৈমন্তীকে বাড়ি ফিরিয়ে আনার। তার জন্য সবাই মিলে এক পরিকল্পনা করেছে। আজকে সকলেরই খাওয়া-দাওয়ার এবং নাচ গানের অনুষ্ঠান করতে হাজির হবে লাবণ্যের বাড়িতে। আর সেখানেই সকলে হৈমন্তীর রাগ ভাঙ্গানোর চেষ্টা করবে এবং তাকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে আসার জন্য রাজি করাবে। কিন্তু হৈমন্তীকে আগে থেকেই লাবণ্যর বর রুদ্র উস্কে দেয়, সে হৈমন্তীকে জানায় হৈমন্তীকে ফিরিয়ে আনার জন্য ফুলকিরা পরিকল্পনা করছে। হৈমন্তী যাতে কোনভাবেই গোলে না যায় তাদের ব্যবহারে।
কিন্তু ফুলকি রুদ্রকে সেইসব পরিকল্পনা করতে শুনে নেয় এবং লাবণ্যকে সবটা জানিয়ে দেয় কিভাবে রুদ্র হৈমন্তীকে ভুল বোঝাচ্ছে। তখন লাবণ্য রুদ্রকে সাবধান করে দেয় এই সমস্ত কাজ না করার জন্য। কিন্তু রুদ্র এই সুযোগ হাতছাড়া করবে না মনে মনে ঠিক করে নেয়। অন্যদিকে কিছুক্ষণ পরেই লাবণ্যর বাড়িতে এসে হাজির হয় রোহিত, ধানু সহ বাড়ির সকল সদস্যরা। ধীরে ধীরে পরিকল্পনা মাফিক কাজ শুরু করে। হৈমন্তীকে এনে তারা ভালোমতো বোঝাতে থাকে যাতে হৈমন্তী বাড়ি ফিরে যায়।
আরও পড়ুন: হাজারো মান-অভিমানের মাঝে স্রোতের পাশে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে সার্থক!
হৈমন্তী কিছুতেই রাজি না হলে রান্না ঘরে গিয়ে নতুন পরিকল্পনা করে ফুলকি। কষা মাংস করার পরিকল্পনা করে সকলে মিলে। তখনই হৈমন্তীকে বুঝিয়ে সুঝিয়ে রান্নাঘরে নিয়ে যাওয়া হয়। হৈমন্তী যাতে সকলের জন্য কষা মাংস রান্না করে তার জন্য তাকে সকলে আবদার করতে থাকে। কিন্তু হৈমন্তি কিছুতেই রাজি হয় না। আর তখনই রান্না করতে গিয়ে হঠাৎ হাত পুড়ে যায় পারমিতার। আর সেই দেখে ছুটে যায় হৈমন্তী। আর সেই দৃশ্য দেখেই সকলে বুঝতে পারে পারমিতার জন্য এখনো কতটা চিন্তা করে হৈমন্তী। শুধুমাত্র অভিমানের কারণে সে এখন দূরে রয়েছে। কিন্তু পরের মুহূর্তেই ফুলকির পরিকল্পনা ধরে ফেলে হৈমন্তী। সে আবারও ভুল বুঝে সকলকে। এবারে দেখার অপেক্ষা সকলে মিলে কি হৈমন্তীকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারবে এবং পারমিতার উপর কি অভিমান কমবে হৈমন্তীর?
