জি বাংলার ( Zee Bangla ) জনপ্রিয় ধারাবাহিক মিঠিঝোরা ( Mithijhora )। এই ধারাবাহিকে দেখা যাচ্ছে যে স্রোত সবথেকে বেশি ভালোবাসে তার দিদি ভাইকে আর তার দিদি ভাইকে নিয়েই তার যত চিন্তা। তাই যেদিন থেকে সে জানতে পেরেছে যে তার দিদির অসুস্থতার লক্ষণগুলো, সেদিন থেকে সে কান্নাকাটি শুরু করেছে, ভেঙে পড়েছে মানসিকভাবে। কিন্তু তার এই মানসিকভাবে ভেঙে যাওয়ার সময়েই তার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে সার্থক।
স্রোতের যে সার্থক স্যার তাকে উঠতে বসতে খালি কথা শোনাত, কথা শোনানোর ভয়ে যার ক্লাস করতে ভয় পেত স্রোত, তার জীবনের সব থেকে বড় দুঃসময়ে বা কঠিন সময়ে এই মানুষটাই স্রোতের সব থেকে বড় ঢাল হয়ে তার পাশে দাঁড়াল। স্রোত যখন প্রথম তার আঙ্কেলকে মানে সার্থকের বাবাকে ফোন করে বলেছিল তার দিদির সমস্যার কথা, তখন সার্থকের বাবা সার্থককে অনুরোধ করে মেয়েটার দিকে একটু খেয়াল রাখিস।

সেই সময় দেখা যায় যে স্রোত ক্লাস করতে পারবে না, ক্লাস করতে গিয়ে মনোযোগ দিতে পারবে না এইসব ভেবে যখন ক্লাসটা করবে না বলে চলে যাচ্ছে তখন সার্থক তাকে বলে সে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করবে না। তবু যেন স্রোত ক্লাসে গিয়ে পড়াটা মন দিয়ে শোনে। এরপর যেদিন রাইকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর সময় এল, সেদিন সার্থক নিজে গাড়ি নিয়ে রাই, স্রোত ও বউমনিকে বাড়ি থেকে নিয়ে আসতে যায়।
এই পরিস্থিতিতে স্রোতকে ভরসা যুগিয়েছে সার্থক
এরপর অপারেশনের সময় স্রোত যখন ভেঙে পড়েছে তখন স্রোতকে মানসিকভাবে শক্তি যুগিয়ে গেছে সার্থক। স্রোত যখন অনির্বাণকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ায় হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে অনির্বাণকে কথা শোনাতে শুরু করেছে, তখন সার্থক এসে স্রোতকে জানিয়েছে তার দিদির কথা। এমনকি অপারেশন থিয়েটারে গিয়ে রাইয়ের খোঁজ নিয়ে স্রোতকে জানিয়ে গেছে সার্থক। সার্থকের বাবা রাইয়ের অপারেশন হয়ে গেলে নিজের কার্ড সার্থককে দিয়ে চলে যায়।
আরও পড়ুন: দুষ্টু বুদ্ধি বের করল রহিত! গোল হয়ে গেল ফুলকি রুটি! জমে গেল আজকের পর্ব
এরপর হাসপাতালে অপারেশনের বিল মেটানোর সময় একটা সমস্যা তৈরি হয়। তখন সার্থক সেই কার্ড এগিয়ে দিয়ে স্রোতকে সাহায্য করে, সেই টাকা নিয়ে হাসপাতালের বাকি বিল মিটিয়ে দেয় স্রোত। এইভাবেই রাইয়ের অপারেশনের পুরো সময়ে নীলুর মানসিকতা , অনির্বাণের অসুস্থ মানসিকতা যেমন সামনে এসেছে তেমনই একটু একটু করে গড়ে উঠেছে স্রোত আর সার্থকের মধ্যেকার রসায়ন।
