২৮শে এপ্রিল ছিল টুম্পা অটোওয়ালীর (Tumpa Autowali) শেষদিনের শুটিং। ২৭ তারিখ ডাক পান জি (Zee Bangla) থেকে, তারপর ২৯শে এপ্রিল লুকসেট! অন্য কাজ শুরু করার আগের মুহূর্ত অবধি একদিনও ব্রেক নেননি অভিনেতা সায়ন বসু (Sayan Basu)! একটা কাজ শেষ হতে না হতে হাত দিয়েছিলেন অন্য কাজে।
এই মুহূর্তে সম্প্রচার শুরু হয়ে গেছে জি বাংলার নয়া ধারাবাহিক ‘কে প্রথম কাছে এসেছি’র (Ke Prothom Kache Esechi)। নতুন ধারাবাহিকের (New Serial) শুটিংয়ের ফাঁকে অভিনয় ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কী বললেন অভিনেতা?
কেরিয়ার ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অকপট সায়ন বসু
সায়ন জানান, “আমার ২৯ তারিখ সকালে হিমাচলে যাওয়ার প্ল্যান করছিলাম। তবে লুকসেটের জন্য সেটা পিছতে হয়। প্রযোজনা হাউসকে অনেক রিকোয়েস্ট করেছিলাম, দু’বছর ছুটি পাইনি! আমাকে কয়েকটা দিন যেন ছুটি দেওয়া হয়! তবে ৬ তারিখ ল্যান্ড করে দুপুর ৩টে থেকে মিটিং করেছি। দুই ডিগ্রি থেকে বত্রিশ ডিগ্রিতে এসে শরীরটাও বেশ ঝরঝরে লাগছিল।”
আরও পড়ুন: রোহিতকে নির্দোষ প্রমাণ করতে আগুন নিয়ে খেলছে ফুলকি! প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে জামাল ভাইয়ের কাছে গেলো নায়িকা!
টুম্পা অটোওয়ালী থেকে শুরু। অভিনয় করার ইচ্ছে কবে থেকে? সায়ন জানান, “আমি আপাদমস্তক কর্পোরেটের ছেলে। এমবিএ করেছি। চাকরি সূত্রে বিভিন্ন জায়গায় গেছি, থেকেছি। আরও আগে আমি ক্রিকেট খেলতাম। বাবা বলত পড়াশোনা করতে। তাই করে চাকরি করছিলাম। তবে মধ্যে মধ্যে থিয়েটার গ্রুপের সঙ্গে যোগাযোগ, কাজ করা শুরু হয়। টানা তিন বছর এরকম কাজ করেছি, লোকের ভাল বলেছে। তখন থেকেই অভিনয়ে শেখা আর অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত হওয়া।”
ঋক ও সায়নের মধ্যে চরিত্রগত সাদৃশ্য কতখানি?
অভিনয়তো হল, প্রেম? ধারাবাহিকে ঋকের তো প্রেম করা বারণ, বাস্তবে সায়নের এমন কোনও বাঁধা নেই তো? অভিনেতা জানান, “একেবারেই বারণ নয়। যদিও সায়নের জীবন আছে একজন। এবং বহুদিন ধরেই আছে। তাহলেও, সায়নের প্রেমে পড়া বারণ নয়।” ধারাবাহিকের চরিত্র ঋকের মতো বাস্তবেও কী সায়ন কেয়ারিং? অভিনেতা জানান, হ্যাঁ! মানুষকে সাহায্য করতে, কথা বলতে আমার খুব ভাল লাগে। আর আমি একটু কেয়ারিং গোছের।”
