EntertainmentBangla Serial

কথার পরিকল্পনা শুনে চমকে গেলো অগ্নিভ! তার বুদ্ধিতেই হলো সমস্যার সমাধান! সহ্য করতে না পেরে অনর্থ ঘটালো ম্যান্ডি

এই মুহূর্তে স্টার জলসার (Star Jalsha) পর্দায় গুটি কয়েক ধারাবাহিক টিআরপি তালিকার প্রথম পাঁচে জায়গা করে নিতে সক্ষম হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো কথা (Katha)। শুরু থেকেই বেশ আকর্ষণীয় একটি প্লটের জন্য এই ধারাবাহিকটি দর্শকদের পছন্দের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। এখনো অবধি নিজের সেই স্থান ধরে রাখতে পেরেছে এই মেগা। কিছুদিন আগেই ধারাবাহিকের নায়িকা কথাকে অনেক বড় বিপদের হাত থেকে রক্ষা করেছে অগ্নিভ।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, কিছুদিন আগেই কথাকে মিথ্যে চুরির অপবাদে জেলে যেতে হয়েছিল। গোবর দেবীর এমন করুণ অবস্থার কথা জানতে পেরে কিছুতেই বসে থাকতে পারেনি অগ্নিভ। সে বিদেশের অনেক বড় একটা ইভেন্ট বাতিল করে হঠাৎ চলে আছে দেশে। এর ফলস্বরূপ তাকে অনেকগুলো টাকা ক্ষতিপূরণ নিতে হবে। আর সেই টাকার জোগাড় করা নিয়েই বেশ চিন্তায় পড়েছে ধারাবাহিকের নায়ক।

কথাকে স্যুপ খাইয়ে দিল অগ্নিভ

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, কথা তার পাচক মশাইয়ের জন্য স্যুপ আর নিজের জন্য জল মুড়ি এনেছে। এটা দেখে অগ্নিভ কিছুতেই সেই স্যুপ খেতে চায় না। সে বলে, এটা কথাকেই খেতে হবে। তারপর জোর করে কথাকে স্যুপটা খাইয়ে দেয়। কথা তখন নিজের হাতে থাকা জল মুড়িটা তার পাচক মশাইয়ের হাতে ধরিয়ে দেয় আর বলে জল মুড়ি খেলে পেট ঠান্ডা থাকবে। এরপর কথা ঘর থেকে চলে গেলে অগ্নিভকে ফোন করে আবারো টাকার জন্য তাগিদা দেওয়া হয়। কথা বুঝতে পারে পাচক মশাই বেশ সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে কিন্তু তার কোন সমাধান সে কথার থেকে নেয় না।

আরও পড়ুন: ফুলকির চালে জব্দ শালিনী! আসল সত্যি জানতে সাংবাদিকের ভেগ ধরলো রোহিত ফুলকি

অগ্নিভ বাকিদের ডেকে এনে একটা উপায় বের করার চেষ্টা করে। সে বলে কোন একটা ভাবে তাদের বিক্রি বৃদ্ধি করতে হবে। নইলে এতগুলো টাকা দেওয়া সম্ভব হবে না। কিন্তু তাদের বিক্রি তখনই বাড়ে যখন যখন অনুষ্ঠান থাকে বা কোন উৎসব থাকে। এই মুহূর্তে মাদারস ডে ছাড়া এরকম কিছুই নেই। এই নিয়ে আরও বেশি চিন্তায় পড়ে যায়, ধারাবাহিকের নায়ক। সে কি করবে আর কিভাবেই বা এতগুলো টাকা যোগাড় করবে কিছুই ভেবে উঠতে পারে না এভি।

পাচক মশাইকে বাঁচানোর উপায় ভেবে ফেললো কথা

এদিকে কথা পুদিনার শরবত বানিয়ে সবাইকে খাওয়াতে থাকে। এমন সময় সে জানতে পারে, তার পাচক মশাইয়ের দাদু চেয়েছিল, অগ্নিভ পড়াশোনা শেষ করে তাদের কোম্পানিতে যোগ দিক। সেটা না করে সে নিজস্ব ব্যবসা খুলতে চেয়েছে। যদি যোগ দিতো তাহলে হয়তো লাভ আরো দ্বিগুণ হতো। এটা শুনেই একটা নতুন আইডিয়া আসে কথার মাথায়। সে ভাবে যদি গ্রাহক হিসেবে প্রবীণ এবং নবীন দুইজনকে মিলিয়ে দেওয়া যায় তাহলে লাভ অনেক বৃদ্ধি পাবে। এই আইডিয়াটা বাইরে থেকে শুনে নেয় ম্যান্ডি। সে ঠিক করে কথাকে কিছুই করতে দেবে না উল্টে তার সমস্ত পরিকল্পনায় আগুন লাগিয়ে দেবে।

Aarvi

আরভি সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৩ বছর যাবৎ সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। বিনোদন ক্ষেত্রে তার অবাধ গতি। আমার লেখা আরও পড়ুন