বর্তমানে বেশ জমে উঠেছে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিক। এই মুহূর্তে টিআরপি তালিকার দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে এই ধারাবাহিক। শুরু থেকেই নিজের বুদ্ধির জোরে নিজেকে এবং গোটা দত্ত পরিবারকে ঝড়ের হাত থেকে রক্ষা করেছে ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণা। এখন আবারো এক নতুন সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে সে।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা আর সৃজনের বারণ সত্বেও একপ্রকার জোর করে একদিনের পরিচিত একটি ছেলের সঙ্গে নিজের মেয়ের বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে পর্ণার শাশুড়ি কৃষ্ণা। আর যখন বিয়েটা হয়ে যায় তখন অহংকারের সাথে পর্ণাকে সে বলে, “আমি জিতে গেলাম। আমি আমার পছন্দের ছেলের সাথেই বর্ষার বিয়ে দিলাম। এবার আর তোমার জেতা হলো না।” পর্ণা সেদিন ভাবছিল, এটা করে একসাথে তিনটে জীবন নষ্ট হয়ে গেলো।
এরপর দেখা যায় বর্ষা আর অর্ণবকে আশীর্বাদ করে তাড়াতাড়ি বিদায় দেওয়ার প্রস্তুতি নিতে থাকে দত্ত বাড়ি। কিন্তু ঠিক সেই সময় বর্ষার বাবা অর্থাৎ অমিতেস দত্তকে গ্রেফতার করতে দত্তবাড়িতে চলে আসে পুলিশ। আর তারপর সৃজনের বাবাকে টাকা জালিয়াতি করার অপরাধে গ্রেপ্তার করে নেয় তারা। এই সমস্ত ঘটনা অর্ণব ফোন করে জানায় তার মাকে। আর এটা শুনে আর কিছু না ভেবেই অর্ণবের মা তাকে একা একাই বাড়ি ফিরে আসতে বলে।
এই ঘটনায় প্রচন্ড রেগে যায় ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণা। কারুর অনুরোধ রাখতে চায় না অর্ণব। কারণ তার কাছে তার মায়ের কথাই শেষ কথা। এমন একটা শিরদাঁড়া হীন ছেলের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দেওয়ার জন্য কৃষ্ণের উপর রেগে যায় সবাই কিন্তু তাও কৃষ্ণা। সমস্ত দোষের ভাগীদার করে পর্ণাকে। পর্ণা তখন অর্ণবকে বলে, তার মা নিজে এসে বর্ষাকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যাবে আর বরণ করে তুলবে। এরপর পর্ণা বুদ্ধি খাটিয়ে নিজের শ্বশুর মশাইকে জেল থেকে নির্দোষ প্রমাণ করে বাড়ি ফিরিয়ে আনে। কিন্তু অর্ণবের মা বর্ষাকে কোনভাবেই নিতে আসতে চায় না উল্টে নিজের বাবার সঙ্গে পাঠিয়ে দিতে বলে।
আরো পড়ুন: ভুল বোঝাবুঝি দূরে রেখে ফুলকিকে ‘বৌমা’ ডেকে কাছে টেনে নিল জেঠিমনি! সবার সামনে মুখোশ খুললো রুদ্রর!
এই কথায় পর্ণা সম্মতি দিতে চায় না। সে বলে অর্ণবের মা নিজে না এলে বর্ষা যাবে না। ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, এটা জানতে পেরে অর্ণবের মা বলে সে তার ছেলের আবার বিয়ে দেবে। এটা শুয়ে অজ্ঞান হয়ে যায় কৃষ্ণা। জ্ঞান ফিরতেই সে বলে, “এই মেয়েটা একটা রাক্ষসী, ও সবাইকে খেয়ে নেবে। কাউকে শান্তিতে থাকতে দেবে না এই মেয়ে।” এটা শুনে খুব কষ্ট পায় পর্ণা। আর সবার সামনেই কান্নায় ভেঙে পড়ে।
