Bangla Serial

উকিল হিসেবে পর্ণার সাথে হাজির হলো ধানু, অমিতেসকে বাঁচাতে মোক্ষম চাল চলল সে!

Dhanu will fight for Parna in Neem Phuler Modhu: বর্তমানে এই দুর্নীতির দুনিয়ায় প্রকৃত সৎ মানুষদের শান্তি পূর্ণ ভাবে টিকে থাকা দুষ্কর হয়ে উঠেছে। শান্তিতে বেঁচে থাকার জন্য হয় তাদেরকেও দুর্নীতিতে সামিল হতে হয় আর নয়তো সততা নিয়ে মরে যেতে হয়। বর্তমানে ঠিক এমনই একটি পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Phuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়িকার শশুর মশাই অমিতেস দত্ত।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা এবং তার গোটা পরিবার এখন অনেক বড় একটা বিপদের সম্মুখীন হয়েছে। একদিকে মিথ্যে অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে সৃজনের বাবাকে আর অন্যদিকে এই কাণ্ড দেখে বর্ষার বর তাকে না নিয়ে মা এর কথায় একাই বাড়ি ফিরে যায়। যার ফল স্বরূপ এক চরম দুরাবস্থার মধ্যে দিয়ে হচ্ছে গোটা দত্ত পরিবার।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, পর্ণা আর সৃজন থানা থেকে ফিরে এসে সবার সামনে দাঁড়াতেই কৃষ্ণা জিজ্ঞাসা করে বাবুর বাবা কোথায়? পর্ণা জানায় কেস লড়ার জন্য উকিল পাওয়া যাচ্ছে না। এটা শোনা মাত্রই পর্ণাকে দোষারোপ করতে থাকে কৃষ্ণা। সে বলে, “আমি বলেছিলাম বাবুর বাবাকে এসবের মধ্যে না জড়াতে কিন্তু এই মেয়ের কুবুদ্ধিতে আজ এইসব হলো। ওর জন্য বাবুর বাবা আজ জেলে আর আমার মেয়েটা বিয়ের পরে নিজের বাপের বাড়িতে পড়ে আছে।” কি বলে রীতিমত বর্ণের ওপর মানসিক অত্যাচার করা শুরু করে কৃষ্ণা। এই ঘটনায় প্রচন্ড রেগে যায় সৃজন। সৃজন বলে, “পর্ণা কিছু করেনি মা, যা যা হচ্ছে সব কিছুর জন্য দায়ী তুমি। আমরা সবাই বারণ করেছিলাম এত তাড়াতাড়ি বর্ষার বিয়েটা না দিতে। বেছে বেছে তুমি ওর বিয়েটা এমন একটা শিরদাঁড়াহীন ছেলের সাথে দিলে যার কাছে তার মায়ের কথাই সব। নিজের কোনো জ্ঞান বুদ্ধি বিবেচনা নেই। এখন তুমি নিজের দোষ থাকতে সব পর্ণার ঘাড়ে চাপিয়ে দিচ্ছ।” নিজের ছেলের মুখে সত্যিটা শুনে সহ্য করতে পারে না কৃষ্ণা।

অন্যদিকে, বর্ষা আমি গত দুদিন ধরে যা যা সহ্য করছে তাতে অনেকটাই ক্লান্ত হয়ে পড়েছে সে। মানসিকভাবে তার ওপর দিয়ে যে বিপর্যয় ঘটে গিয়েছে সেটা বিশ্বাস করতে পারছে না বর্ষা। বিয়ের দিন থেকেই ঠিকঠাক মতো করে কিছু খায়নি সে। তার জন্য রুচিরা খাবার নিয়ে আসে কিন্তু সে কিছুই খেতে চায় না। আর এই গোটা বিষয়টা খেয়াল করে পিকলু। সে রুচিরা থেকে খাবারটা নিয়ে তাকে জানায় বর্ষাকে নিজেই খাইয়ে দেবে পিকলু। সে যখন বর্ষার সামনে এসে খাবার নিয়ে দাঁড়ায় বর্ষা আরো রেগে যায়। খাবারটা মাটিতে ছুড়ে ফেলে দিয়ে পিকলুকে ঘর থেকে বের করে দরজা আটকে দেয় বর্ষা। সে বলে, “তোর কি মনে হয় আমার এখন একটা কাঁধের প্রয়োজন তাইতো? তাই এখন এখানে এসেছিস? না আমার কিছুর প্রয়োজন নেই।” দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে কান্নাকাটি করতে থাকে পিকলু।

আরো পড়ুন: পর্ণার জীবনের নয়া শুরু, নিম ফুলের মধু নতুন প্রোমো দেখে শোরগোল নেট দুনিয়ায়

এদিকে পর্ণা দত্ত বাড়িতে নিয়ে আসে ধানুকে। পর্ণা বলে, ইনি হলেন ফুলকির ননদ অর্থাৎ রোহিত দার বোন। শশুর মশাইয়ের কেসটা উনি লড়বেন। কোর্টে গিয়ে বিপক্ষের উকিলের কাছে প্রায় হেরে যায় ধানু কারণ তার কাছে কোন শক্তপোক্ত প্রমাণ ছিল না। পর্ণা বলে “এইভাবে সম্ভব নয়। বাবার বিরুদ্ধে ওরা একেবারে আটঘাট বেঁধে নেমেছে। আগে আমাদের প্রমাণ জোগাড় করতে হবে। আর সেটা করতে পারলেই পরবর্তী শুনানির ডেটেই জামিন করানো যাবে বাবার।”

Aarvi

আরভি সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৩ বছর যাবৎ সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। বিনোদন ক্ষেত্রে তার অবাধ গতি। আমার লেখা আরও পড়ুন