বর্তমানে জি বাংলার (Zee Bangla) সব থেকে জনপ্রিয় ধারাবাহিক হচ্ছে নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu)। চলতি সপ্তাহে প্রথম স্থান দখল করেছে এই ধারাবাহিক। এখানেও সমাজের বেশ কিছু বাস্তব ঘটনাকে তুলে ধরা হচ্ছে দর্শকদের সামনে। বর্তমানে আমাদের সমাজে ছেলে সন্তান এবং মেয়ের সন্তানের মধ্যে অনেকেই বিভেদ সৃষ্টি করে থাকেন। এই বিষয়টি প্রতিটি হতে চলা মায়ের মনে চাপ সৃষ্টি করে। আর এই গোটা বিষয়টা দেখা যাচ্ছে নিম ফুলের মধু ধারাবাহিকে।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা আর সৃজন দুজনেই ভীষণ খুশি তাদের মা বাবা হওয়ার খবরটা জানতে পেরে। এই দুঃসময়ে এই খবরটাই তাদের ঘুরে দাঁড়ানোর সাহস এবং শক্তি যুগিয়ে চলেছে। আবার করে নতুন কাজ শুরু করার একটা অদম্য ইচ্ছে তাদের মধ্যে সৃষ্টি করছে তাদের আসন্ন সন্তান। কারণ বাবা-মা হিসেবে তার ভবিষ্যতের কথা তো ভাবতেই হবে নায়ক নায়িকাকে।
পর্ণার শাশুড়ি মা কৃষ্ণা কোনদিনও নিজের ছেলের বউ হিসেবে পর্ণাকে মেনে নিতে চাননি। তিনি সবসময় ভেবেছেন পর্ণা তার বাবুকে তার থেকে কেড়ে নিচ্ছে। ছেলের বিয়ে দেওয়ার পরেও, ছেলে বউয়ের একসাথে থাকা এবং সময় কাটানো ইত্যাদি একেবারেই পছন্দ করতেন না তিনি। কৃষ্ণা যখন জানতে পারে তার বাবুর জীবনে সন্তান আস্তে চলেছে অর্থাৎ সে ঠাকুমা হতে চলেছে তখন আর সেই রাগ ধরে রাখেনি সে। নিজের বৌমার প্রতি যত্ন নেওয়া শুরু করে কৃষ্ণা।
সব ঠিক দিকে এগোলেও একটা জায়গা কিছুতেই মেনে নিতে পারেনা পর্ণা। নায়িকার শশুর বাড়ি একটু পুরনো চিন্তা ভাবনায় বিশ্বাসী। তাদের কাছে সন্তান মানেই পুত্র সন্তান। তাদের মনে কখনো কন্যা সন্তানের চাহিদা তৈরি হয় না। বংশের প্রথম সন্তান নাকি ছেলেই হবে এমনটাই ধারণা তাদের। তাই প্রত্যেকবার তারা তাদের কথাবার্তা আকার ইঙ্গিতে পর্ণাকে বুঝিয়ে দিচ্ছে যে তাদের ঘরে পুত্রসন্তান আসতে চলেছে। আর এটাই মেনে নিতে পারছে না পর্ণা।
আরো পড়ুন: ‘ইচ্ছে পুতুলের’ অন্তিম পর্বে চোখে জল দর্শকের! প্রতিহিংসা বিসর্জন দিয়ে মেঘের মেয়ের হাত ধরে নতুন জীবন শুরু ময়ূরীর
ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, শিবরাত্রির ব্রত উপলক্ষে সবাই মিলে মন্দিরে এসেছে শিব ঠাকুরের মাথায় জল ঢালবে বলে। সৃজন আর পর্ণা একসাথে জল ঢালবে বলে ঠিক করে। তারা যখন একসাথে পুজো করছে তখন পাশ থেকে দাঁড়িয়ে কৃষ্ণা তাদেরকে বলে, তার একটা ফুটফুটে নাতি চাই এটা যেন তারা ভালোভাবে ঠাকুরকে বলে। শুনেই মনটা খারাপ হয়ে যায় পর্ণার। সে মনে মনে ঠাকুরের কাছে প্রার্থনা করে, তার যেন একটা সুস্থ সন্তান জন্মায়। ছেলে মেয়ে যাই হোক সে বাকিটা বুঝে নেবে।
